আমি ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরীর পাশাপাশি কন্টেন্ট লিখি শখের বশে। বছরখানিক হল লেখালেখির সাথে জড়িত। আমার লেখালেখির বেশির ভাগ বিষয় প্রোডাক্ট রিভিউ। কখনো মোবাইল, কখনো ল্যাপটপ, কখনো ট্যাব, কখনো মুভি, কখনো পাওয়ার ডিভাইস, কখনো সফটওয়্যার, কখনো মোবাইল অ্যাপ, কখনো বা দৈনিক ব্যবহৃত জিনিস পত্র। যখন যেটা পেয়েছি সেটা নিয়েই লিখেছি। প্রায় ২০০ এর মত প্রোডাক্ট রিভিউ লিখেছি
ই-কমার্স সাইট বিজ্ঞাপন কৌশল অনলাইনে কেনাকাটা বহির্বিশ্বের মত বাংলাদেশে বাড়ছে । আর এ অনলাইন ব্যবসায়ের যুগের শুরু অনেক আগে থেকেই । পৃথিবীতে ২৫ কোটির ওপর বাঙালি আছে সাথে অন্যান্য ভাষাভাষী বাংলাদেশি মানুষ আছে । ক্রেতাদের একটি বড় অংশ তরুণ সমাজ । মূলত ১৮ বছরের ওপরের বাংলাদেশের মানুষদের আমরা যদি ক্রেতা হিসেবে ধরে থাকি
বাংলাদেশে দেরিতে হলেও ই-কমার্স শুরু হয়েছে কিন্তু সারাবিশ্বে আজ ই-কমার্সের জয়-জয়কার।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ই-কমার্স ব্যবসা পুরোদমে চালু হয়ে গিয়েছে। গত বছর হামবুর্গ ভিত্তিক বিজনেস ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান ওয়াই স্ট্যাটস.কম (yStats.com) “The World’s Leading E-Commerce Companies 2014” শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এ রিপোর্টে তারা বিশ্বের দশটি সবচেয়ে লাভ জনক ই-কমার্স কোম্পানীর তালিকা প্রকাশ করে।পাঠকদের উদ্দেশ্যে এ দশটি
1. Decide what you want to do and define your niche Knowing what you are going to sell, how, and to whom is a critical part of your business plan. Community members offer the following advice: “ehrs” has this to say about finding your niche: “You really want to be ‘specific’ enough to get the right
ই-কমার্সে আসতে চান? প্রতিটি ব্যবসায় শুরু করার আগে সে ব্যবসাটি সম্পর্কে ধারণা নিয়ে সঠিক কার্যকারণ ঠিক করে সেটাতে যোগ দেয়া উচিত। আর যদি এমন হয় যে, আপনি সহজ মনে করে কোনো কাজ করছেন তাহলে তাতে কখনোই প্রকৃত সফলতা পাওয়া যায়না। পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। আর কোনো কাজই আসলে সহজ নেই। ই-কমার্স কারো কাছে সহজ মনে
ই-কমার্স এর ভিজিটর আনার জন্য আমার পরিচিত সবাই মনে করেন যে ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়া সবচেয়ে ভাল উপায়। আমি তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি। আমার মনে হয় ভিজিটর আনার জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হল আপনার সাইটের একটি ব্লগ থাকা। অবশ্য আমি বলছি না যে ফেইসবুকে বিজ্ঞাপণ দেবার দরকার নাই বা আপনার পেইজের লাইক বাড়ানোর জন্য চেষ্টা
এই পর্বে এসে শিরোনামের পদ্ধতি একটু বদলে দিলাম যাতে করে শিরোনাম দেখেই একজন পাঠক এই পর্বে কি নিয়ে কি নিয়ে লেখা হল তা বুঝতে পারেন অনায়াসে। যাইহোক শিরোনাম দেখেই বুঝতে পারছেন যে এবার পেশাদার বা প্রফেশনাল ব্লগিং নিয়ে আলোচনা করবো। এ সম্পর্কে তেমন কোন সংজ্ঞা পেলাম না ইন্টারনেটে। তাই নিজের তৈরি সংজ্ঞা দিয়েই কাজ চালাতে
এ পর্বে আমি বিজনেস ও কর্পোরেট ব্লগিং নিয়ে আলোচনা করবো। যারা কষ্ট করে পড়ছেন ও কমেন্ট করছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। কর্পোরেট ব্লগ এর সহজ সংজ্ঞা বোধহয় দেয়া যায় এভাবেঃ কর্পোরেশন বা কর্পোরেট হাউস দ্বারা পরিচালিত অথবা স্পন্সরকৃত ব্লগ যেগুলো ঐ কোম্পানির পন্য ও সেবা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরে এবং কোম্পানি সম্পর্কে নানা ধরনের তথ্য প্রদান
ব্লগ নেটওয়ার্কের সংজ্ঞা খুজতে গিয়ে দুটি মনের মত পেলাম। প্রথমে উইকিপিডিয়াঃ ব্লগ নেটওয়ার্ক বলতে একাধিক ব্লগ যারা যুক্ত থাকে সেটাকে বোঝায়। এছাড়া কোন কোম্পানি যখন একাধিক ব্লগ একটি নেটওয়ার্কের অধীনে চালায় সেটাকেও ব্লগ নেটওয়ার্ক বলে। অর্থাৎ অনেকটা গ্রুপ অব কোম্পানিজের মত গ্রুপ অব ব্লগজ। (সুত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Blog_network ) পিসি ম্যাগও কাছাকাছি সংজ্ঞাই দিয়েছেঃ http://www.pcmag.com/encyclopedia/term/56587/blog-network দুটি সংজ্ঞা
এ পর্বে আমি পার্সোনাল ব্লগিং নিয়ে আলোচনা করতে চাই। পার্সোনাল ডায়েরীর সঙ্গে পার্সোনাল ব্লগিং এর মিল আছে অনেক আর কিছুটা পার্থক্যও আছে। ডায়েরিতে মূলত আমারা প্রতিদিনের ঘটনা লিখে থাকি। পার্সোনাল ব্লগিং এর ব্যাপ্তি আরও অনেক বেশি। পার্সোনাল ব্লগিং এর সংজ্ঞা গুগোলে যেমনটি পেলামঃ অনলাইনে এক বা একাধিক ব্যক্তি তাদের প্রাত্যহিক জীবনের ঘটনা অথবা বিভিন্ন বিষয়ের