ই-কমার্স বিজনেস কোম্পানি মডেল

প্রতিটা বিজনেসের মূলে থাকে কিছু প্ল্যান বা পরিকল্পনা । ই-কমার্স ব্যবসায়ে একটি কোম্পানিকে তার কাংখিত লক্ষ্যে নিজের কোম্পানিকে নিয়ে যেতে হলে থাকতে হবে কিছু নির্দিষ্ট পরিকল্পনা । সেই পরিকল্পনাগুলো নির্ধারণ করবে সেই কোম্পানি কতদূর পর্যন্ত যাবে এবং নিজস্ব একটি ব্র্যান্ড হিসেবে দেশ- বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হবে । প্রতিটি পদক্ষেপ এখানে জরুরি । এ ব্যবসায়ে বেশকিছু ডিপার্টমেন্ট

ই-কমার্স সাইট ফর কাস্টমার (ডোর টু ডোর )

  সময় প্রতিদিন যেভাবে মানুষকে ব্যস্ত করছে , সেখানে কর্মব্যস্ত জীবনে কেনাকাটার সহজ মাধ্যম প্রতিনিয়ত হয়ে উঠছে ই-কমার্স সাইটগুলো । এক ক্লিকে জিনিস কেনা , অনলাইন কিংবা ক্যাশ অন ডেলিভারি বা মোবাইল এর মাধ্যমে পেমেন্টগুলো হচ্ছে । কিন্তু পাঁচ কোটির ওপর মোবাইল গ্রাহক কিংবা এক কোটির ওপর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্যে আমরা কতটা ক্রেতা বান্ধব ই-কমার্স

eCommerce-seo-tips

Search engine Optimization for ecommerce

আজকের টপিক তা একটু ভিন্ন। আজ নতুন যাত্রা শুরু আজ Ecommerce  SEO  নিয়ে Basic কিছু Concept তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে। SEO নিয়ে ৩ বৎসর পড়াশুনা ও কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে ও লেখা লেখিতে খুব অভিজ্ঞ না বিশেষ করে বাংলায়…। ভুল তুরুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।   বিশ্বায়ন এর এই যুগে অনলাইন এ চলছে কেনা কাটা।

ই-কমার্সে সাফল্যঃ স্বপ্নটা গুরুত্বপূর্ণ

ই-ক্যাব থেকে আমরা এবং বিশেষ করি আমি সব সময় বলে থাকি যে ই-কমার্স একটি ব্যবসা এবং অন্য যে কোন ব্যবসার মত এখানে যেমন লাভের সম্ভাবনা রয়েছে ঠিক তেমনি লোকসানের ঝুকি রয়েছে। একটাই কারনে এ কথা বারবার বলি- ই-কমার্স নিয়ে যাতে কোন হুজুগ না উঠে এবং যারাই এদিকে আসবে তারা যেন বুঝে শুনে আসে। তার মানে

ই-কমার্স সম্পর্কে মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে হবে: ই-ক্যাব ই-কমার্স মাস উৎসবে শিক্ষা সচিব এন আই খান

“দেশে ই-কমার্সকে জনপ্রিয় তুলতে হলে সাধারণ মানুষকে ই-কমার্স সম্পর্কে সচেতন করতে হবে আর এ জন্যে জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে মেলা আয়োজন করা যেতে পারে। একই সাথে ই-কমার্স সম্পর্কে মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে হবে। এ জন্যে অবশ্যই পণ্য ডেলিভারি ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে।” গতকাল (এপিল ১০, ২০১৫) ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর ই-কমার্স

আমাদের অধিকাংশ ই-কমার্স সাইট-ই নিরাপত্তাহীন ও অগোছালো!

আমরা অনেকেই ই-কমার্স করছি অনেকটাই অনিরাপত্তায় এবং অগোছালো ভাবে। আমাদের দেশের বেশীর ভাগ ই-কমার্স সাইট এর সিকিউরিটি অনেক দুর্বল। এসএসএল (SSL- Secure Sockets Layer) সার্টিফিকেট নেই। নেই বিজনেস ভালিডেশন সার্টিফিকেট, নেই ট্রাষ্টেড সার্টিফিকেট। এটা শুধু নতুন ছোট পরিসরে ই-কমার্সে আসা একজন উদ্যেক্তার ওয়েব সাইটের কথা না, দেশের বড় বড় ই-কমার্স সাইট গুলোর ও এই অবস্থা।

ই-ক্যাবের ২ মাসঃ কিছু কথা

আজ ৮ জানুয়ারি ২০১৫। ঠিক ২ মাস আগে ৮ নভেম্বর তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর ঘোষণা সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে আমি দেয়। ২ মাসে আমরা আশাতীত এগিয়েছি। সদস্য সংখ্যা বেড়েছে, ফেইসবুক গ্রুপে আশাতীত সাফল্য এসেছে, আমাদের ব্লগ এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ই-কমার্স ব্লগ। সর্বোপরি বাংলাদেশে

ই-ক্যাব এর ই-কমার্স সেবা কেন্দ্র এবং ২০১৫ সাল ‘ই-কমার্স বর্ষ’

প্রায় দেড় দশক ধরে বাংলাদেশে ই-কমার্স রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ই-কমার্সের অপরিসীম সম্ভাবনা থাকা স্বত্বেও এ খাতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয় নি। নিরবিচ্ছন্ন ইন্টারনেট সংযোগ, ই-কমার্স সংক্রান্ত আইন, অনলাইনে নিরাপদ লেনদেনের ব্যবস্থা সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত এ সেক্টর। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের ঘোষণা প্রদান করেছে। সরকারের এ রূপকল্পের সাথে একাত্মতা