ই কমার্স , ই মিডিয়া ও ই মার্কোটং

জাহাঙ্গীর আলম শোভন

11148599_1616691865233472_5138703845439110587_n

ই কমার্স এর সাথে সম্পর্কিত কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাই। সে বিষয়গুলো শুধু ইলেকট্রনিক্স মাধ্যম বলে ই কমার্সের সাথে সম্পর্কিত তা নয়। বরং ই কমার্স ব্যবসায় বিভিন্ন ভাবে এসব মাধ্যমের ভ’মিকা রয়েছে। বিশেষকরে ই মার্কেটিং এসব মাধ্যমের বিকল্প নেই। সাধারণত আশা করা হয় যারা অনলাইনে শপিং করে থাকে বা ই কমার্সে অভ্যস্ত তারা অন্যান্য ইলেকট্রনিকস মাধ্যম টুলস ও ব্যবহারের সাথে পরিচিত। ফলে সেসব মাধ্যম ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন ও প্রচার প্রচারণা চালালে টার্গেট পিপলদের চোখে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

ই মার্কেটিং:

টার্মসটা নতুন মনে হলেও আমরা এটি হরদম ব্যবহার করে থাকি। একটি টেলিভিশন চ্যানেল একটি রেডিও স্টেশন ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার অংশ। আমরা যখন এর থেকে কোনো বিনোদন বা তথ্যসেবা নিয়ে থাকি তখন এটা আমাদের কাজে লাগে। কিন্তু যখন আমরা এর থেকে বিজ্ঞাপন সুবিধা নিয়ে থাকি তখনও এটাকে আমরা ব্যবহার করি। বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস মিডিয়াকে আমরা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু বর্তমানে ইলেকট্রনিকস মিডিয়া কেবল টিভি রেডিওতো সীমাবদ্দ নয়। গোটা আকাশটাই যেন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া। ইন্টারনেট ওয়েব এর বিশাল জগত এখন ই মিয়িার অবিচ্ছেদ্য অংশ। একে ছাড়া ই মিডিয়া কলপনা করা যায়না। এই অনলাইনেও নানা রকম শাখা প্রশাখা বিস্তৃত হচ্ছে সব সময়। প্রথাগত ওয়েব ই মেইল ছাড়াও রয়েছে ক্লাসিফাইড এড সাইট, সোস্যাল মিডিয়া যেমন ফেইসবুক, অনলাইন মার্কেট প্লেস, ব্লগ ও অনলাইন পত্রিকা

ওয়েবসাইট ও ই মেইল : ওয়েবসাইট হলো একটা ভাচুয়াল সাটই খোনে আপনি একটা তথ্যকেন্দ্র খুলতে পারেন। আজকাল যদিও এখানে শুধু তথ্যকেন্দ্র দোকান প্রত্রিকা থেকে শুরু করে রেডিও টিভি চ্যানেলও খোলা যায়। যা সাধারণ তেদাকান বা পত্রিকা চালেনল এর সেবা দিয়ে থাকে কিন্তু সেটা ইন্টারনেটের মাধ্যমে। ৗয়েব সাইটের জন্য প্রয়াজন হয় ডোমেইন হোস্টিং ও ব্যান্ডইউথ, সাথে লাগে ডিজাইন ও কনটেন্ট। সহজ ভাষায় বলতে গেলে ডোমেইন হলো দোকান বা ব্যবসা-এর নাম এর মতো। এটা রেজিস্ট্রেশন করা মানে নাম টার মালিক হওয়া, মনে রাখবেন নামের মালিক আর দোকানের মালিক একজিনিস নয়। নাম রেজিস্ট্রেশন করার পর ব্যবসায় বা দোকান টার জন্য একটি ঘর ভাড়া নিতে হবে। এটাই হচে।ছ হোস্টিং । সাধারণত অফিসে আপনি মালপত্র রাখেন ডেকোরেশন করে। এখানেও তার ব্যতিক্রম নয় পার্ক্য শুধু একটা ফিজিক্যাল আরেকটা ভাচূয়াল। এখানে আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা নিন। কেনার পর জায়গা টা সঠিকভাবে ব্যবহার বা দখল করার জন্য ডোমেইন যেখান থেকে কিনেছেন, সেখানে আপনার একটি কন্ট্রোল প্যানেল থাকবে। এখান থেকে আপনি বলে দিতে পারবেন আপনার কোন সার্ভিস কোথায় ।

ই মেইলটা হচ্ছে অনলানে পত্র যোগাযোগের মত। আরো সহজ কখা হলো ই মেইল হলো আপনার মোবাইলের এসএমএস এর মতো এসএমএস হলো সর্ট মেইল সার্ভিস আর ই মেইল হলো বিস্তারিত। একটা ই মেইলে আপনি ণলখা, ছবি ভিডিও এটাডচ ফাইল থেকে শুরু করে একটা নির্স্ট সাইজ পর্ন্ত সব ডকুমেন্ট পাঠাতে পারেন। ই মেইল দুই রকম হতে পারে। আপনি গুগল ইয়াহু এর মতো জনপ্রিয় ই মেইল সার্ৈভিসে থেকে আপনার একটা ই েমেইল খুলে মেইল সার্স নিতে পারেন। অথবা আপনার নিডজর ডোসেইন হোস্টিং থেকওে আপনি ই মেইলে বার্তা আদান প্রদান করতে পারেন।

 

ক্লাসিফাইড এড সাইট: আমরা সাধারণত পত্রিকার কালসিফাইড এডকে চিনি। দৈনিক পত্রিকার যে পাতায় ছোট ছোট বিভিন্ন শ্রেণীভিত্তিক এগুলোকে ক্লাসিফঅইড এড বা শ্রেণীভুক্ত বিজ্ঞাপন বলা হয়। যেমন পাত্রচাই, বাড়ি ভাড়া, বিক্রয়, এফিডেভিট, হারিয়েছে লক্ষ্যকরুন ইত্যাদি। ইন্টারনেরটন ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে এগুলো সার্ভিস দেয়ার জন্য অনলাইনে অসংখ্য য়ৈবসাইট তৈরী হলেও বর্তমানে ফ্রি এড দেয়া যায়। যদিও প্রথসম দিকে প্রত্রিকার মতো এখানেও টাকা দিয়ে এড দেয়ার প্রয়োজন হতো|

ফেইসবুক ও সোস্যাল মিডিয়া:

প্রাযুক্তিক উৎকর্ষের এই যুগে এসে মানুষ ক্রমাগত সম্মিলিত হচ্ছে ইন্টারনেটে। এ পরিসরে নব্য যুক্ত হওয়া একটি ধারার নাম সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ফেইসবুক, টুইটার এর মতো সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলো সৃষ্টি করেছে নতুন একধরনের সামাজিক বাস্তবতা। যে সংস্করণের একদিকে ভার্চুয়াল রূপ আর অন্যদিকে সামাজিক রূপ।এটাও এক ধরনের ওয়েব সাইট শুধু ব্যবহার ও পয়োগের কারণে এগুলোকে আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হয়। এটা সমাজে ব্যক্তির সাথে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠাসনর স্পর্ তৈরীতে ভুমিকা রাখাছে।

ফেসবুকে একসময় ব্যক্তিগত সম্পর্ই প্রধান ছিল। বর্তমানে বিষয়টি সেখানে সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিটি কোম্পানী এমনকি ব্যক্তিগতভাবে যারা ব্যবসায় বা বিভিন্ন পেশায় জড়িত তারা তাদের ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করছেন মুলত প্রচারের বিজ্ঞাপানের কাজে। । একজন সঙ্গিতশিল্পী ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ভক্তদের সাথে যোগাযোগ করছেন একে নিতান্ত ভক্তদের সাথে যোগাযোগ বলে মনে করছেন না নিষ্চয়ই। এর ব্যবসায়িক দিকটাই মুখ্য। এমনকি বারাক ওবামা নির্বাচনের সময় দেখিয়েছেন ।

 

অনঅলাইন শপ ও অনলাইন মার্কেট প্লেস

ইন্টারনেট জগতের সর্শেষ আদপত্য বিস্তার শুরু হয়েছে ব্যবসা বাণিজ্য ক্ষেত্রে সারাবিশ্বে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে অনলঅেইনে বেচাকেনা। বর্তমানে ব্যস্ততা ও প্রতিযোগিতার যুগে মানুষ ক্রমশই নিরাপদ ও সহজ সেবাগুলোকে বেছে নিচ্ছে। ঘরে বসে েইন্টারনেট থেকে পন্য পছন্দ করছে সে পন্য আবার গ্রাহকের বাড়ী পৌছে দিচ্ছে কুরিরয়ার সেবার মাধ্যমে।িআবার গ্রাহক কার্ বা অনলঅিইন কেংয়বা মোবাইল ভ্যাংকিং এর মাধ্যৈমে মূল্য পরিশোধ করেছে। পুরো জীবনের প্রক্রিয়াই আজ অনলাইনে চলে এসেছে।

ব্লগ ও ব্লগ পোস্ট:

কোন একটি নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে কোন বিষয়কে পাঠকদের মতামত প্রদানের জন্য তুলে ধরাকে ব্লগিং বলে। আর যে সাইট ব্লগিং হয় সেটাই ব্লগ সাইট। ইংরেজী Blog শব্দের অর্থে Oxford Dictionary তে বলা হয়েছে- Blog is a personal record that somebody puts on their website giving an account of their activities and opinions and discussing places on the Internet they have visited. ব্লগ হচ্ছে বিশেষ ধরনের ওয়েব সাইট্, অনেকে একে ব্যাক্তিগত ডায়রীও বলে থাকে এটা দিনলিপি হিসেবে শুরু হলেও এখন সে পর্ায়ে নেই।  দিনলিপির পরিবর্তে ব্লগ একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ওয়েব সাইট থেকে ব্লগের মূল পার্থক্য হল ওয়েব সাইট আপডেট করা হয় অনিয়মিত ভাবে অপরদিকে ব্লগ আপডেট করা হয় নিয়মিত ভাবে। এমনকি কিছু কিছু ব্লগ প্রতি মিনিটে আপডেট করা হয়। Blog শব্দটির আবির্ভাব Weblog থেকে। Weblog শব্দটিসর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৮ বছর আগে ১৯৯৭ সালে মার্কিন নাগরিক জন বার্জার। ১৯৯৯ সালের এপ্রিল এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মহোলজ নামে একব্যাক্তি Weblog শব্দটিকে ভেঙ্গে দুই ভাগ করে ব্যবহার করেন- We Blog এর পরই সারা বিশ্বব্যাপী ব্লগ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। অনলাইনে দিনলিপি লেখার সুবিধা নিয়ে যাত্রা শুরু করে ‘ওপেন ডায়েরি’ যা ছিল অনেকটা এখনকার ব্লগের মতোই। যারা ব্লগে পোস্ট দেয় তাদেরকে ব্লগার বলা হয়।

নিয়মিত পত্রিকার অনলাইন ভার্সণ ও অনলঅইন পত্রিকা

ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা ও ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে শুরু হয় এর বহুবিধ ব্যবহার। বিশেষকরে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্রযুক্তি ও নানা সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে নতুন নতুন দিগন্তের উশ্মোচন হয়েছে। বিশেষ করে ইউনিকোড প্রর্তনের পরপরই বিশেষকরে বাংরা ভাষায় পত্রিকার অনলাইন ভার্ষন শুরু হয়। বর্তমানে এটি জনপ্রিংয় কোন প্রতিকো যদি অফলাইনে ৫ লাখ পাঠক থাকে তো সেই পত্রিকার অনলাইন পাঠক থাকে ২০ লাখ। অনলানের জনপ্রিয়তা কারণে মার্ণ মুম।লুকে বহু পরনো পত্রিকা পবন্ধ হয়ে গেছে।

এক্ষেত্রে একটি পত্রিকার অনলাইন ভার্সণ থকে । তা ইন্টানেটে লেখা ছবি এসমনিকি ভিডিও সহ প্রকাশ করা হয়। এটা জানার জন্য সকালের চা পর্ণ্ত অপেক্বষ করতে হয়না। যখনি ঘটনা ঘটে তদখনি পত্রিকাগুলো নেটে তা ।বমুক্ত করে দেয় এবং পাঠক জানতে পারে। বর্তমানে অনলাইন পত্রিকার জনপ্রিয়তার কারণে নিয়মিত পত্রিকা গুলোর অনলাইন ভার্ন ছাড়া্র প্রচুর অনলাইন পত্রিকা প্রকাশিত হয়। যদিও বাংলাদেশে অনলাইন পত্রিকা অতোটা পেশাদারিত্ব এবং মান ার্ন করতে পারেন।ি পাশাপাশি বেশীরভাগ পত্রিকা কিছু ধর্মবিরোধী লোকেরা তাদের মতাদর্শ প্রকাশ ও ভিন্নমতের কুৎসা গাওয়ার জন্য ব্যবহার করে। কিছু রয়েছে আবার তত্য উপাত্ত যাচাই বাছাই ব্যতিরেকে নানা ধর্ীয় তথ্য প্রজার করে। ফলে এদেশে এ সেক্টরে এখনো উৎকর্তা সাধিত হয়নি।

রেডিও, কমুউনিটি ও ইন্টারনেট রেডিও

কমিউনিটি রেডিও কি:

কমিউনিটি রেডিও হচ্ছে স্থানীয় জনগনের জন্য স্থানীয় একটি ছোট্ট বেতার কেন্দ্র। একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে এর সম্প্রচার কার্যক্রম হয়ে থাকে। স্থানীয় এলাকাবাসীর অংশগ্রহণ ও তাদের জীবন কেন্দ্রিক সমস্যা ও সম্ভাবনা, চাওয়া পাওয়া তাদের সম্পরর্কে নানা তথ্য এর উপর এর অনুষ্ঠান নির্াণ করা হয়ে তাকে। এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে তথ্য বিনোদন, নাটক, জীবনটিকা, কণথকা, কৃষি, স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা ইত্যাদি। এসব অনুষ্ঠানে আবার এলাকাবাসী সরাসরি অংশগ্রহণ করে থাকে। কমিউনিটির রেডিওরন আরেক সাবিধা হলো স্থানীয় যে কোনো গুরুত্ত্বপুর্ণ তথ্য সংবাদ এ কেন্দ্র থেকে স্থানীয় জনগণ পেয়ে থাকে। যা কখনো জাতীয় সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে পাওয়া যায়না।

 

টিভি, স্যাটেলাইট টিভি িএবং নেট টিভি

টিভি বা টেলিভিশনের সাথে আমরা সবাই পরিচিত। ১৯৬৫ সালে টিভি আসার পর আজ তা প্রতি ঘ েরগঘরে পৌছে গেছে। আর স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে পরিচালিত টেলিভিশন এর নেটওয়ার্ আজ সনর্ত্র। মূলত শুরুন দিকে সরকারী প্রজ্ঞপানের জন্য টিভি ব্যবহার হলেও বর্মানে টিভি বিনোদনের সবচে বড়ো মাধ্যম। পাশাপশি শিক্ষা তথ্য্য ও সংবাদের জন্যও আমরা টিভির উপর ভরসা করে থাকি। বর্তমানে ইন্টারনেচটও টিভি দেকার সুযোগ রয়েছে এই টিভিকে বলা হয় নেট টিভি। আর মোবাইলে ইন্টারনেট সার্স প্রসারিত হওয়ার ফলে সোবাইল থেকেও এই টিভি দেখা যা্য়। ফলে টিভি টনটওয়ার্ ইতিহানেসর যেকোসন সময়ে তুলনায় বিনস্তৃত হয়েছে বলা যায়।

নেট আলাপন:

সাধারনত আমরা আগে ল্যান্ডফোনে এবং পরে মেবাইল ফোনে আলাপ করতে অভ্যস্ত ছিরাম। বর্তমানে আমরা নেট ব্যবহার করে আলাপ করতে পারছি এবং কখনো কখনো তা আবার বিনামূল্যে। স্কাইপে, ভাইভার, ঞোয়টস এপ সহ নানা সার্ভিস রযেছে এ খাতে।

স্মাটফোন সাপোর্ট

ব্যবহারিক অর্থে আমাদের হাতের মোবাইল ফোনটিও একটি ইলেকট্রনিকবস মাধ্যম যা দিয়ে আমরা আলাম ও ছোট বার্া পাঠানোর কাজ সেরে থাকি। কিন্তু বর্তমানে সত্যিকার অর্ মোবাইল ফোন রীতিমত একটি গণমাধ্যমে পরিনত হয়েছে কারণ ইন্টারেনেটর সব সুবিধাই ্েখেসন স্পমটা ফোনে পায়ো যায় আলাপ, ভিডিকল, ভিডিচ্যাট, ব্রাইুচহং, চ্যাটিং, আর্ক লেনদেন ব্যাংকিং ,কেনা কাাটা সব।

বিজ্ঞাপন এজেন্ট: পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন সংগ্রহের জন্য তৃতীয় পক্ষ হিসেবে বিজ্ঞাপন এজেন্ট থাকে। অনলঅইনে বিজ্ঞাপন এর জন্যও বেশকিছু তৃতীয় পক্ষ রয়েছে।

2,667 total views, 2 views today

Comments

comments