দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে এখন ই-কমার্স একটি উদীয়মান সেক্টর। ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, থাইল্যাণ্ডে অনলাইনে কেনাকাটা বেড়েই চলেছে। জনপ্রিয় টেক-বিজনেস ওয়েবসাইট টেক ক্রাঞ্চ ২০১৬ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে ই-কমার্সের কি কি ট্রেন্ড হতে পারে তা নিয়ে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করেছে। ই-ক্যাব ব্লগ এর পাঠকদের জন্যে সংক্ষিপ্ত আকারে এ ট্রেন্ডগুলো তুলে ধরলাম- Source: Northrop & Johnson ১. ই-কমার্স সেক্টরে মেধাবী
মোবাইল চেক-আউট ব্যবস্থা উন্নত করা অত্যন্ত জরুরিঃ ভাল চেক আউট ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি তিনজন অনলাইন ক্রেতার দুজনই শপিং কার্টে পণ্য অর্ডার করে রেখে দেন। তারা পণ্যটি আর কেনেন না। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইলাররা বছরে ১৮ বিলিয়ন ডলার লস করছেন। বিআই ইন্টেলিজেন্স রিপোর্টে বলা হয়েছে মোবাইল কমার্স জনপ্রিয়তা লাভ করলেও এখানে কনভার্শন রেইট ডেস্কটপের তুলনায়
মোবাইল কমার্স নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। এশিয়াতে মোবাইল প্রযুক্তির হাত ধরেই ই-কমার্সের উত্থান হয়েছে এবং পশ্চিমা দেশ গুলোতেও মোবাইল কমার্স জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ বছরেই বিশ্বে ২ বিলিয়নতম মোবাইল ফোন এবং ৫ বিলিয়নতম পিসি বিক্রী হবে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীদের প্রতি ১০ জনে ৯ জন ২৪ ঘন্টা তাদের মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখেন। এ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে
কাস্টমার বা ক্রেতাই ব্যবসায় কে টিকিয়ে রাখার চাবিকাঠি। এটা নিশ্চয় নতুন করে আপনাকে বোঝাতে হবে না?? এটা যেহেতু বুঝতে পারছেন, তাহলে এটা কেন বুঝতে পারছেন না, যে কিছু সময় কাস্টমার কেও ডিল করতে দিতে হয়??? হ্যাঁ, বিষয় টা একটু অন্যরকম। আজ আমরা কাস্টমার নেগোসিয়েসন বা ক্রেতার সাথে কিভাবে আপোষ এ আশা যায় সেটা নিয়ে
সস্তা মানেই যে আপনি জিতে গেছেন তা কিন্তু না। অন্তত ই-কমার্স ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট বা ওয়েব বেসড সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে তো অবশ্যই নয়ই। “সস্তার তিন অবস্থা” বাংলাতে একটা প্রবাদ বাক্য আছে। আমার নিচের লেখা পড়ার আগে এটা অবশ্যই মাথায় রাখবেন। মার্কেটে অনেক আই.টি ফার্ম আছে যারা আপনাকে ৩০০০ টাকাতেও ই-কমার্স ওয়েবসাইট করে দিবে। মনে রাখবেন ঠেলা
ই–কমার্সে নানা ধরনের কাজ করতে হয়। সেটা হতে পারে, আপনার সাইট বানানো থেকে , রিসার্চ করা , হোস্টীং নেয়া , বিভিন্ন ধরনের অনলাইন সেবা , ইত্যাদি। এদের সব কিছুর জন্যে অনলাইনে কোন না কোন সাইট বা জায়গা আছে যেখান থেকে আপনি এই সেবাগুলো নিতে পারেন। সমস্যা যে আপনি যদি সঠিক না জানেন ঠিক কোথা থেকে
২০১৬ সালে ই-ক্যাব ব্লগে আমার প্রথম পোস্ট। এ লেখাটি দ্যা ওয়াল স্ট্রীট জার্ণাল এ প্রকাশিত “The Future of Mobile Chatting: Commerce” শিরোনামের একটি লেখার অনুবাদ। মূল লেখাটি লিখেছেন দীপা সীতারমণ (DEEPA SEETHARAMAN) এবং জুরো ওসাওয়া (JURO OSAWA)। চীনে ইন্টারনেট মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশনের উত্থান: ২০১১ সালে চীনের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেনসেন্ট হোল্ডিংস লিমিটেড একটি অ্যাপ্লিকেশন চালু
প্রসঙ্গ: ইফেকটিভ কনটেন্ট জাহাঙ্গীর আলম শোভন আমরা এখন নিশ্চই বুঝতে পারছি যে আমাদের সাইটের ভিজিটের, রিচ, লাইকার, কমেন্টর এমনকি সর্বোপরী ক্রেতা বাড়াতে আমরা ইফেকটিভ কনটেন্ট খুজি। ইফেকটিভ কনটেন্ট কি তা কিভাবে কাজ করে তার আগে জেনে নিই। কনটেন্ট সম্পর্কে। কনটেন্ট এর বাংলা প্রতিশব্দ বিষয়বস্তু হলেও মুলত কনটেন্ট এর বিস্তৃতি ব্যাপক। ই কমার্সের আলোকে আমরা জেনে