রাকুতেন জাপানের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। এবারের ব্লগ পোস্ট রাকুতেন কে নিয়ে।

প্রতিষ্ঠানের নাম: রাকুতেন ইঙ্ক (Rakuten, Inc.)

Rakuten website

হেড অফিস: টোকিও জাপান

ওয়েবসাইট: www.rakuten.com,      http://global.rakuten.com/corp/ , https://global.rakuten.com/corp/worldwide/  

চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট এবং সিইও: হিরোসি মিকিতানি

স্থাপিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ১৯৯৭

রাকুতেন ইচিবা সেবা চালু: মে ১, ১৯৯৭

প্রাথমিক গণ-প্রস্তাবনা: এপ্রিল ১৯, ২০০০

কর্মচারী সংখ্যা: কনসোলিডেটেড- ৪৫২৭ নন-কনসোলিডেটেড-১১৭২৩ (ডিসেম্বর ২০১৪ তথ্য অনুযায়ী)

রাকুতেনের ব্যবসা:

রাকুতেন এর  ব্যবসা তিন ভাগে বিভক্তঃ

  • ইন্টারনেট
    • ই-কমার্স
    • ভ্রমণ
    • জাপানের বিভিন্ন ইন্টারনেট সেবা
  • ফাইন্যান্সিয়াল সেবা
    • ক্রেডিট কার্ড
    • ব্যাঙ্ক
    • নিরাপত্তা
    • ই-মানি
    • বৈশ্বিক ব্যবসা
  • অন্যান্য
    • টেলিকম্যুনিকেশন
    • খেলাধূলা

রাকুতেন ইচিবা এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

রাকুতেন ইঙ্কের বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে এবং ই-কমার্স তার একটি অংশ। রাকুতেন ইচিবা হচ্ছে অনলাইন শপিং মল। ১৯৯৭ সালে মাত্র ছয়জন কর্মচারী এবং ১৩জন মার্চেন্ট নিয়ে এ ই-কমার্স সাইটটি যাত্রা শুরু করে। ২০০০ সালে মার্চেন্টরা কিভাবে তাদের ইন্টারনেট শপ ব্যবস্থাপনা করবে তা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষে রাকুতেন বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয়।

1

২০০১ সালে রাকুতেনের গ্রস মার্চেন্ডাইজ ভ্যালু (জিএমভি) ছিল ৩৬ বিলিয়ন ইয়েন। ঐ বছরেই রাকুতেন ১ট্রিলিয়ন ইয়েন জিএমভি এর লক্ষ্য স্থির করে। জিএমভি বলতে মূলত একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম কতগুলো পণ্য বিক্রী করে তা বোঝান হয়ে থাকে। ২০১১ সালে রাকুতেন এর জিএমভি ১ট্রিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছায়। ২০০১ সালে অনলাইন হোটেল রিজার্ভেশন সেবা “রাকুতেন ট্রাভেল” এবং অনলাইন বই এর দোকান “রাকুতেন বুকস” চালু হয়।

২০০৪ সালে রাকুতেন “তোহোকু রাকুতেন গোল্ডেন ইগলস” নামে জাপানী বেসবল টীম গঠন করে। এ টীমের মাধ্যমে রাকুতেনের নাম সারা জাপানে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও রাকুতেন বেসবল ইঙ্ক নামে একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি খেলা সম্পর্কিত ব্যবসা দেখাশোনা করে।

২০০৫ সালে রাকুতেন লিঙ্কশেয়ার কর্পোরেশন কে কিনে নেয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবসা শুরু করে। ঐ বছরের ডিসেম্বরে এনটিটি ডোকোমো ইঙ্ক এর সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চারে রাকুতেন অকশন চালু করে। এ বছর থেকে তোহোকু রাকুতেন গোল্ডেন ইগলস জাপানের নিপ্পন প্রফেশনাল বেসবল প্যাসিফিক লীগে খেলা শুরু করে।

২০০৮ সালে রাকুতেন জাপানের বাইরে তাইওয়ানে তাদের প্রথম ই-কমার্স সাইট তাইওয়ান রাকুতেন ইচিবা চালু করে।

২০১২ সালে রাকুতেন টরন্টো ভিত্তিক ই-বুক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কোবো ইঙ্ককে ক্রয় করে এবং জাপানে কোবো ই-বুক সেবা চালু করে।

২০১৪ সালে রাকুতেন ৯০৫ মিলিয়ন ডলারে জনপ্রিয় ইনসট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ভাইবার কে কিনে নেয় এবং রাকুতেন মোবাইল নামে একটি কম খরচের কলিং সেবা চালু করে। এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান অনলাইন-টু-অফলাইন (ও-টু-ও) সেবা চালু করে।

রাকুতেন ইকোসিস্টেম:

2

রাকুতেন গ্রুপের বিভিন্ন ধরণের ব্যবসা আছে যার মধ্যে ই-কমার্স একটি। রাকুতেন তাদের সব ব্যবসাকে মিলিয়ে গড়ে তুলেছে রাকুতেন ইকোসিস্টেম। কোন ক্রেতা রাকুতেনে রেজিস্ট্রেশন করে সদস্য হয়ে গেলে রাকুতেন ইকোসিস্টেমের সব ধরণের সেবা তাকে দেয়া হয়।

3

রাকুতেন সুপার পয়েন্টস, রাকুতেন কার্ড এবং এডি :

যেসব রেজিস্ট্রার্ড ক্রেতারা রাকুতেনে নিয়মিত ভিজিট করে কেনাকাটা করে বা সেবা গ্রহণ করেন রাকুতেন সুপার পয়েন্টস এর মাধ্যমে তাদেরকে আরও নতুন পণ্য এবং সেবা নেবার জন্যে উৎসাহিত করা হয়।

4

ক্রেতা অনলাইনে ১০০ জাপানি ইয়েন এর সমপরিমাণ পণ্য বা সেবা ক্রয় করলে তিনি ১ পয়েন্ট লাভ করেন। রাকুতেন বিভিন্ন সময়ে পয়েন্ট বৃদ্ধির ক্যাম্পেইন করে। যেমন- 2x অথবা 3x ক্যাম্পেইন। এসব ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারীদের বোনাস পয়েন্ট দেয়া হয়। ধরা যাক, কোন ক্রেতার ১০০ পয়েন্ট আছে তাহলে 3x বোনাসে উক্ত ক্রেতা ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে তাহলে তার মোট পয়েন্ট হবে ৩০০। এ প্রতিটি পয়েন্ট ১ ইয়েন সম মানের। উক্ত ক্রেতা এ পয়েন্ট দিয়ে পণ্য ক্রয়ে সেইভ করতে পারেন।

5

রাকুতেন এডি (Edy) মানি একটি প্রিপেইড কন্ট্যাক্টলেস স্মার্ট কার্ড। রাকুতেন বিট ওয়ালেট এ সেবাটি প্রদান করে থাকে। এছাড়াও আছে রাকুতেন কার্ড নামক ক্রেডিট কার্ড। রাকুতেন কার্ড এবং রাকুতেন এডি মানি এর মাধ্যমে ক্রেতারা বিভিন্ন দোকান বা রেস্টুরেন্টে ব্যবহার করেও পয়েন্ট পেতে পারেন। জাপানের ৪ লক্ষের বেশি সদস্য স্টোর রাকুতেন এডি কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণ করে থাকে।

রাকুতেন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি:

নিজেদের ব্যবসা বিস্তারের জন্যে রাকুতেন প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরণের গবেষণা করে থাকে। এসব গবেষণামূলক কাজের জন্যই স্থাপিত হয়েছে রাকুতেন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (আরআইটি) । ২০০৬ সালে টোকিওতে প্রথম আরআইটি স্থাপিত হয়। ২০১০ সালে নিউইয়র্কে এবং ২০১৪ সালে প্যারিসে আরআইটি এর শাখা খোলা হয়।জাপান সহ বিশ্বের ১১টি দেশের ৫০ জনের বেশি গবেষক আরআইটিতে কাজ করছেন। এদের মধ্যে আছে কোরিয়া, চীন, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেন, নরওয়ে, পোল্যাণ্ড এবং তুর্কি।

এ বছরের জুলাইতে সিঙ্গাপুর এবং যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে আরও দুটি আরআইটি শাখা চালু করা হয়েছে।  সিঙ্গাপুর শাখায় মনোবিজ্ঞান, বিহেভিয়ারাল সায়েন্স, মোবাইল এবং সামাজিক উদ্ভাবনের উপরে গবেষণা করা হবে। প্রতিষ্ঠান দুটি স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে মিলে বিভিন্ন ধরণের গবেষণা করবে এবং একই সাথে অন্যান্য দেশের গবেষকদের নিয়েও কাজ করবে। সিঙ্গাপুর বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন ডঃ ইওয়া সিজমান্সকা। ডঃ সিজমান্সকা মোবাইল এবং মনোবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ। তার নেতৃত্বে ইন্টারনেটে সেবা প্রদানের মাধ্যমে কিভাবে ভোক্তাদের সন্তুষ্টি অর্জন করা যায় তা নিয়ে কাজ করা হবে।

অন্যদিকে বোস্টন শাখার নেতৃত্ব প্রদান করবেন ডঃ অঙ্কুর দত্ত। এ শাখাতে গবেষকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা করবে। এ শাখাটি বিশ্বের বিভিন্ন বিগ ডাটা প্রতিষ্ঠানের সাথে মিলে কাজ করবে।

রাকুতেন ইংলিশনাইজেশন:

যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে এর দক্ষ কর্মচারী। রাকুতেন তাদের কর্মচারীদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্যে বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম নিয়ে থাকে। এরকম একটি দারুণ প্রোগ্রাম হচ্ছে ইংলিশনাইজেশন। ২০১০ সালের মে মাসে রাকুতেন এইগো-কয়োগোকা (Making English the Official Language) নামে একটি প্রোগ্রাম চালু করে। এ প্রোগ্রামের আওতায় রাকুতেন তাদের ইন্টার্নাল ই-মেইল, কাগজপত্র, ক্যাফেটেরিয়া মেন্যু ইত্যাদিতে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার শুরু করে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ইন্টার্নাল মিটিং-এ ইংরেজি ভাষায় কথা বলা শুরু হয়। ২০১২ সালের জুলাই মাস থেকে কম্পানির যাবতীয় কর্মকাণ্ড ইংরেজি ভাষায় সম্পাদন করা বাধ্যতামূলক করা হয়।

২০১০ সালে ইংরেজি ভাষায় কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্যে ইংলিশনাইজেশন প্রজেক্ট চালু করা হয়। ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্যে কর্মচারীরা পড়াশুনা করে এবং তাদেরকে পরীক্ষাও দিতে হয়। Test of English for International Communication (TOEIC) নামক এ টেস্টের স্কোরের উপরে কর্মীদের পদোন্নতিও নির্ভর করে। ম্যানেজার পদে কর্মরত কর্মীদের নূন্যতম টিওআইসি স্কোর অর্জন করতে হয়। তা না করতে পারলে কর্মচারীদের পদাবনতি হয়। টিওইআইসি এর সর্বোচ্চ স্কোর হলো ৯৯০। ২০১০ সালে রাকুতেনের কর্মচারীদের গড় টিওআইসি স্কোর ছিল ৫২৬.২। ২০১৫ সালে গড় স্কোর বৃদ্ধি পেয়ে ৮০২.৬ পয়েন্ট হয়। এ বিচারে ইংলিশনাইজেশন খুবই সফল একটি প্রজেক্ট।

২০১২ সালে ইংলিশনাইজেশন প্রজেক্টের উপরে হিরোশি মিকিতানি একটি বই লেখেন যার নাম “তাকাগা এ-ই-গো” (It’s only English)।

ভিডিও লিঙ্ক: https://www.youtube.com/watch?t=95&v=Y4OtJeqPiGU

ডিজিটাল কারেন্সি:

বর্তমানে অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে কাজ করছে। রাকুতেনও পিছিয়ে নেই। ইতিমধ্যেই রাকুতেন ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে কাজ করবার জন্যে একটি আলাদা বিভাগ চালু করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক বিটকয়েন পেমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান বিটনেট এ প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগ করেছে।

এ বছরের মার্চে রাকুতেনের যুক্তরাষ্ট্রের সাইটে বিটনেটকে যুক্ত করে। এর  ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেতারাও এখন বিটকয়েনের মাধ্যমে রাকুতেন ডট কম থেকে পণ্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের পরে রাকুতেনের জার্মানী এবং অস্ট্রিয়ার ওয়েবসাইটে  বিটকয়েনের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা ক্রয়ের সুবিধা প্রদান করেছে।

ব্যবসা বিস্তারে কম্পানি কিনছে রাকুতেন:

জাপানের আভ্যন্তরীণ বাজার আস্তে আস্তে ছোট হয়ে আসছে এজন্যে দেশটির বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আস্তে আস্তে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের ব্যবসা ছড়িয়ে দিচ্ছে। রাকুতেনও এ পদ্ধতি অনুসরণ করছে। প্রতিষ্ঠানটি বিগত কয়েক বছর ধরে ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টার্ট-আপ এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে কিনে নিচ্ছে। এ বছরের জুন মাসে রাকুতেন শেয়ারের মাধ্যমে দেড় বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করার ঘোষণা প্রদান করে যার মাধ্যমে আরও বিভিন্ন কম্পানি কেনা হবে। ই-বুক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কোবো এবং মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ভাইবারকে কিনে নেবার কথা ইতিমধ্যেই উল্লেখ করেছি।

ফিটস ডট মি: যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ফিটস ডট মি একটি টেকনোলজি স্টার্ট-আপ। ২০১৫ সালে ফিটস ডট মি এর বয়স পাঁচ বছর হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন অনলাইন রিটেইলারদের জন্যে ভার্চুয়াল ফিটিং রুম ডেভেলপ করে থাকে। এর মাধ্যমে কোন ক্রেতা ই-কমার্স সাইটে কোন কাপড় কিনলে সে কাপড়টি পরলে কেমন হবে তা বুঝতে পারে। ৬০ টি প্রতিষ্ঠান ফিটস ডট মি এর ক্লায়েন্ট। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে হ্যুগো বস এবং কিউভিসি শপিং চ্যানেল

বাই ডট কম: ২০১০ সালে রাকুতেন ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক ই-কমার্স সাইট বাই ডট কমকে কিনে নেয়। বাই ডট কম প্রথমে ইলেক্ট্রনিক্স রিটেইলার হিসেবে ব্যবসা শুরু করে। পরে প্রতিষ্ঠানটি আরো প্রডাক্ট ক্যাটেগরি যোগ করে এবং কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানী, এবং যুক্তরাজ্যেও পণ্য বিক্রী করা শুরু করে।

ইবেটস: গত বছরের সেপ্টেম্বরে রাকুতেন সানফ্রান্সিসকো-ভিত্তিক রিবেট সাইট ইবেটস ইঙ্ককে ১ বিলিয়ন ডলারে অ্যাকোয়ার করে নেয়। ১৯৯৯ সালে ইবেটস প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি সদস্য-ভিত্তিক অনলাইন ক্যাশ-ব্যাক সাইট।

ওভার ড্রাইভ: ই-বুক এবং অডিও বুক মার্কেট প্লেস ওভারড্রাইভ  কে এ বছরের মার্চে ৪১০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে কিনে নেবার ঘোষণা দেয় রাকুতেন এবং এপ্রিলের মধ্যে অ্যাকোয়ার করে নেয়। ওভারড্রাইম যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পাঠাগার এবং স্কুলে ই-বুক ভাড়া দিয়ে থাকে।

সূত্রঃ

স্ট্রেইটস টাইমস

টেকক্রাঞ্চ

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস

দ্যা ওয়ালস্ট্রীট জার্ণাল (১)

দ্যা ওয়ালস্ট্রীট জার্ণাল (২)

দ্যা ওয়ালস্ট্রীট জার্ণাল ব্লগ- জাপান রিয়েল টাইম

দ্যা জাপান টাইমস

কয়েন ডেস্ক

বিট কয়েন ম্যাগাজিন

রাকুতেন মিডিয়া রুম (১)

রাকুতেন মিডিয়া রুম (২)

রয়টার্স

লেখক: এস এম মেহদী হাসান

8,386 total views, 8 views today

Comments

comments