স্টার্টআপ ব্যবসা ব্যর্থ হওয়ার ২১ টি কারণ

3006
স্টার্টআপ ব্যবসা

স্টার্টআপ ব্যবসা ব্যর্থ হওয়ার ২১ টি কারণ

স্টার্টআপ ব্যবসা সারা বিশ্বে গত কয়েক বছর ধরে আলোচিত শব্দ নতুন ব্যবসা ও উদ্যোগে।  কিন্তু স্টার্টআপ এর সফলতার পাশাপাশিও রয়েছে ব্যর্থতা । আর ব্যর্থতা মানে বুঝেন ? আপনার স্বপ্নের একটি মৃত্যু । যে স্বপ্নটি আপনি অনেকদিন ধরে নিজের মাঝে বেড়ে তুলেছেন কিন্তু তার সঠিক বাস্তবায়ন আপনি করতে পারেননি । কেন এমন হলো ?

(এ লেখাটি  Contentever ফেসবুক গ্রুপে আলোচনা করা  হয়েছে । )

 

আমরা অনেকে বলি সময়টা ভালো যায়নি তাই কোম্পানি ঠিক মত ব্যবসা করতে পারেনি । বিষয়টা হয়ত তাই ! কিন্তু অন্যরকম আরেকটি বিশ্লেষণও আছে এর পাশাপাশি । সেটা কি ? সেই অন্যরকম বিশ্লেষণে অনেকগুলো অংশ চলে আসে আলোচনা করতে গেলে ।

 

 

২০০৮ সালের সফল স্টার্টআপ ‘Airbnb’ এখনো আলোচনার তুঙ্গে । অথচ এর প্রতিষ্ঠারা যখন খুব ব্যর্থ ব্যক্তিজীবনে ঠিক তখনই তাদের এই সফল স্টার্টআপ এর গল্প শুরু হয়। ২০০৭ সালের কথা, যখন এর সহ প্রতিষ্ঠাতা Brian Chesky এবং Joe Gebbia নিউইয়র্ক থেকে সানফ্রানসিসকো’তে আসেন । খুব হতাশ তারা তখন , তাদের জব নেই এবং তাদের কিছু আয়-রোজগার দরকার নতুন জায়গায়  ভালোভাবে থাকার জন্যে। সেই সময়ে শহরের সকল হোটেলগুলো একটা কনফারেন্স এর জন্যে সব বুকিং এবং তাদের জীবনে নতুন স্টার্টআপ এর সুযোগ সেভাবেই আসলো । কিছু Air Bed তারা কিনলো এবং সকালের নাস্তার সুযোগ-সুবিধা দিয়ে তারা শুরু করলো তাদের নতুন উদ্যোগ ‘Airbnb’  । প্রতি রাতে ৮০ ডলারের বিনিময়ে অতিথিদের থাকার সুযোগ করে দিয়ে শুরু তাদের এই আলোচিত স্টার্টআপ।

 

একটা স্টার্টআপ ব্যবসা এর শুরুতে আসলে কত সময় প্রয়োজন সেটা বুঝা মুশকিল । কখন আসলে শুরু করবেন এবং কখন করবেননা সেটাও আপনার ওপর নির্ভর করছে।

 

গত কয়েক বছরে দেশ – বিদেশের ২১ টি ব্যর্থ স্টার্টআপ এর বিষয়ে জানতে গিয়ে যে বিষয়গুলো বারবার মনে এসেছে তা হচ্ছে , কেনো একসময়ের সফল ‘স্টার্টআপ’ ইয়াহু বিশ্বের প্রভাবশালী তথ্যপ্রযুক্তির প্রতিষ্ঠান হয়েও একসময় ব্যর্থ হয়ে পরে । কি ছিল কারণ ? যেখানে সার্চ ইঞ্জিন ‘গুগল’ পারলো তাদের সাথে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এবং ‘ইয়াহু’ শুধুই এখন অতীত । সময়োচিত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি একসময়ের জায়ান্ট ‘ইয়াহু’ । তাই সবার শীর্ষে থেকেও আজ ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের কাতারে এসেছে । তাই সফল স্টার্টআপ হলেই কোন প্রতিষ্ঠানের চিন্তা কমে যাবে এবং সময়োচিত সিদ্ধান্ত নিবেন না তাহলেই খুব বেশি ভুল করবেন।

 

‘গুগল’ কেনো এখন সফল ? গুগল এর বেশকিছু সফল সেবা এখন অনেক আলোচিত । আপনি কি ভাবতে পারবেন ‘গুগল’ এর সেই সেবাগুলো ছাড়া আপনার জীবনের একদিন ? জিমেইল,এডসেন্স,এডওয়ার্ড,গুগল ড্রাইভ এর কথা না বললেই হয়না । আর ‘গুগল’ এর সার্চ ইঞ্জিন , সেটাতো এক বিস্ময় সার্ভিস গুগলের । আরও আছে ইউটিউব ভিডিও শেয়ারিং এর সাইট।  গুগলের এত এত সফল কার্যক্রম কিন্তু ‘গুগল প্লাস’ কিন্তু সফল হয়নি এখনো। এর কারণটা আপনাদের ওপরই ছেড়ে দিলাম । কেনো এটা এত আলোচিত হয়েও গুগলের অন্য সার্ভিসগুলোর মতন হয়ে উঠতে পারেনি।

 

কেনো অনেক স্টার্টআপ ব্যবসা ব্যর্থ হয় ?

স্টার্টআপ ব্যবসা ব্যর্থ হওয়ার ২১ টি কারণ

 

১। স্টার্টআপ ব্যবসা ক্রেতা বা সেবা গ্রহণকারী কারা

ব্যবসা আপনি আসলে কাদের জন্যে করবেন ? সেবাটি কাদের জন্যে তা কি ভালোভাবে বের করতে পেরেছেন ? আপনার ক্রেতা বা সেবা গ্রহণকারী আসলে কারা হবে ? এই বিষয়গুলোতে সঠিক ধারণা না থাকা।

 

২। প্রোডাক্ট এর ব্যবস্থা কিভাবে করবেন

বাজারে এই ব্যবসা করলে খুব ভালো হবে ভাবছেন ? আপনার বন্ধু আপনাকে এই প্রোডাক্ট সাপ্লাই দিতে পারবে । আপনার আরেক আত্বীয় আপনাকে কম দামে আরেকটি প্রোডাক্ট দিবে । তাহলে অন্য প্রতিযোগীদের থেকেও আপনি কম দামে প্রোডাক্ট আপনার কাস্টমাদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন এবং অনেক লাভ করতে পারবেন। যদি আপনার মাঝে এই চিন্তাগুলো থাকে । তাহলে থামেন ! পৃথিবীর ব্যর্থ স্টার্টআপগুলোর অন্যতম কারণ এগুলোই । আপনি মানতে চান আর না চান । অল্পকিছু সফলতার গল্প দিয়ে বাস্তবতা মেনে নেয়া ঠিক না ।

৩। নিজের আয়ত্বের মাঝে কি আপনার উদ্যোগ

আপনার নিজের আয়ত্তের মাঝে যা নেই সেই বিষয় নিয়ে স্টার্টআপ শুরু করার কোন প্রয়োজন নেই । এতে আপনার পরিশ্রম এবং সময়ের খরচ।

 

৪।  সঠিক সময়ে স্টার্টআপ শুরু করতে না পারা

সঠিক সময়ে স্টার্টআপ শুরু করতে না পারা আরেকটি কারণ । এখন কি ট্রেন্ড চলছে সেটা যদি আপনি বুঝতে না পারেন তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান সামনে এগিয়ে যেতে পারবেনা ।

৫। স্টার্টআপে ভিন্নতা নেই

একজন এইরকম স্টার্টআপ শুরু করেছে এবং আপনিও আরম্ভ করে দিলেন কোন কিছু না জেনে । তাহলে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বেড়ে যাবে। মার্কেট রিসার্চ বলে একটা কথা সারা বিশ্বে প্রচলিত আছে। কেনো সেটা জানেন ? কারণ স্টার্টআপ এর কত সম্ভাবনা তা যাচাই করা। আপনি যদি মার্কেট রিসার্চ না করে কোন কিছু শুরু করে দেন তাহলে সেটা নিয়ে আপনাকে সমস্যায় পরতে হবে।

৬। রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্টে সমস্যা

কেনো রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্টের পিছনে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার জায়ান্ট কোম্পানি খরচ করে । সেটা ভেবে দেখেছেন ? ‘টাইটানিক’ চলচ্চিত্রের কথা সবাই জানেন । এর পিছনে যত খরচ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান তার থেকে আরও বেশি কিভাবে আয় করলো ? শুধু কি গল্পটা ভালো ছিল ? না ! পুরো প্রি- প্রোডাকশন, পোস্ট প্রোডাকশন এবং সামগ্রিক উপস্থাপন ভালো ছিল আর ভালো একটা টিম। আর তাই  বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করেছে। হলিউডের ‘ইনসেপশন’ চলচ্চিত্রের কথা মনে আছে ? ? এই চলচ্চিত্র কত বিখ্যাত হয়েছে । কিন্তু এর পিছনের গল্প জানেন ? আট বছর ধরে চলচ্চিত্রটির পরিচালক ‘ক্রিস্টেফার নোলান’ এর গল্প নিয়ে কাজ করেন এবং ২০১০ সালে এই চলচ্চিত্র মুক্তি পায় । সেইজন্যে আপনাকেও অনেক টাকা খরচ করতে হবে তা নয় । কিন্তু আপনাকে রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট নিয়ে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে । কারণ রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্টের ওপর আপনার কোম্পানির ভালো অবস্থা নির্ভর করবে।

৭। ব্যবসায়িক পার্টনার নির্বাচনে সমস্যা

উপযুক্ত ব্যবসায়িক পার্টনার না পাওয়া বাংলাদেশের স্টার্টআপগুলোর ব্যর্থ হওয়ার আরেকটি কারণ । আপনার পার্টনার যদি শুধু টাকা দিয়েই নিজের দায়িত্ব শেষ করেন কিংবা আপনার ওপর সবকিছু নির্ভর করে তাহলে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অবশ্যই এই বিষয় চিন্তার কারণ । আপনাকে এই বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দক্ষ পার্টনার খুঁজে বের করুন । আর তা না হলে নিজেই একা ব্যবসা করুন ।

৮। প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে দক্ষ লোক কোম্পানিতে না রাখা

অনলাইন ব্যবসায়ের ব্যাপারে প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে দক্ষ লোক কোম্পানিতে না রাখা স্টার্টআপগুলোর ব্যর্থ হওয়ার আরেকটি কারণ। একটি সাইট ডেভেলপ করলেই সব হয়ে যায়না । ডাটা সিকুয়েরিটি , সাইটের নিরাপত্তা এবং সাইটের ক্রমাগত উন্নতি প্রতিনিয়ত খেয়াল করা হয়না। এ কারণে কোন স্টার্টআপ ভালো সম্ভাবনা তৈরি করার পরেও ব্যর্থ হচ্ছে।

৯। সঠিক টিম তৈরি করতে পারেনা

বাংলাদেশের অনেক কোম্পানি সঠিক টিম তৈরি করতে পারেনা। আস্তে আস্তে ঠিক করবো এইরকম একটা চিন্তা করা অধিকাংশ ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করে। কারণ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করার পর কিছু ব্যবসায়িক সুযোগ হঠাৎ করে চলে আসে এবং আপনি সেই সুযোগগুলো নেয়ার পর সঠিক সার্ভিস আপনার কাস্টমার কোম্পানিকে দিতে পারেন না । এতে করে ওই প্রতিষ্ঠান তাদের পরিচিত প্রতিষ্ঠানের কাছে আপনার প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে ভালো সার্ভিস দিতে পারেননি সেই কথা বলে।

১০। কোম্পানি আউটসোর্স করে সব

নিজের কোম্পানির কোন প্রোডাকশন নেই এবং সবকিছু  আউটসোর্স করে কেনা । আবার সেই প্রোডাক্ট ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা । এতে করে একই প্রোডাক্টের দাম বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দামে বিক্রি করছে । এতে ক্রেতা অসন্তোষ বেড়েছে । কোম্পানির গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস পাচ্ছে।

১১।  কোম্পানির পুরো টিমের মাঝে সমন্বয়ের অভাব

কোম্পানির পুরো টিমের মাঝে সমন্বয়ের অভাব । কোনো ডিপার্টমেন্ট তৈরি না করা । প্রোডাক্ট সম্পর্কে কোম্পানির কলসেন্টার কর্মীদের ধারণা না থাকা এবং কোম্পানি বিহেভিয়ার বলে যে একটা বিষয় আছে সেই বিষয়ে ব্যাপক ঘাটতি থাকা। কাস্টমার এনগেজমেন্টে সবসময়ে মনোযোগ না দেয়া । পুরনো কাস্টমারদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে ভালো উদ্যোগের অভাব। কলসেন্টার সাপোর্ট ভালো করায় ব্যর্থ হওয়া ।

 

 

১২। টার্গেট কাস্টমার তৈরি করতে ব্যর্থ

টার্গেট কাস্টমার তৈরি করতে ব্যর্থ হওয়া । নতুন কাস্টমার তৈরির পিছনে সঠিক ক্যাম্পেইনের অভাব । কাস্টমার আছে এটা ভেবে মার্কেটে প্রোডাক্ট বিক্রি করার চিন্তা বেশি। কিন্তু কাস্টমারের আসলে কি প্রোডাক্ট প্রয়োজন সেটার ব্যাপারে সচেতনতা এবং আগ্রহ তৈরি করায় ভালো টিম মেম্বার না থাকা ।

 

১৩। সবধরণের প্রোডাক্ট নিয়ে মার্কেটে বিক্রি শুরু করা

সবধরণের প্রোডাক্ট নিয়ে মার্কেটে বিক্রি শুরু করা কিংবা একই প্রোডাক্ট নিয়ে সব কোম্পানির কাজ করা ।  নিশ প্রোডাক্ট বা নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের অনীহা । এর কারণে আরও অনেক সম্ভাবনা ক্ষেত্র যে আছে তা কোম্পানির কাছে যেমন আলোচনায় থাকেনা তেমনি কাস্টমার নতুন নতুন প্রোডাক্ট সম্পর্কেও জানতে পারেনা । স্টার্টআপের সম্ভাবনাগুলো বেশিরভাগ আলোচনায় আসতে ব্যর্থ হয়।

 

১৪। বড় বাজেটের ফান্ড সমস্য়া

কোম্পানিগুলোর অধিকাংশই বড় বাজেটের ফান্ড নেই । সমস্যায় পরলে তা থেকে কিভাবে মুক্তি পাবে তার স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদী কোন পরিকল্পনা নেই । অর্থের সমন্বয় সাধনের ব্যাপার নেই।

১৫। কোম্পানির সঠিক কাঠামো ক্ষেত্রে সমস্য়া রয়েছে

কোম্পানির কোন নির্দিষ্ট কাঠামো নেই। ডিপার্টমেন্ট তৈরির ব্যাপারে আগ্রহ নেই । আর এতে করে কোম্পানির গতিশীলতা থাকেনা এবং একটা সময় কোম্পানিগুলো ভালো কিছু করতে পারছেনা ।

১৬। ফান্ড রাইজিং এর ব্যাপার

ফান্ড রাইজিং এর বিষয়ে এনজেল ইনভেস্টরদের মাঝে কোম্পানির ব্যাপারে তেমন আগ্রহ তৈরি করতে ব্যর্থ । কোম্পানি আসলে কোথায় যাবে সেই ব্যাপারে সঠিক কোন ডাটা বা এনালসিস রিপোর্ট তারা দিতে পারেনা।

১৭।ইনোভেশন এর অভাব

ইনোভেশন এর অভাব । সময়ের সাথে সাথে ক্রিয়েটিভ আইডিয়া এবং টিম তৈরি করা এবং সেই টিমকে পরিচর্যা করার যে একটা ব্যাপার আছে সেটা লক্ষ্য না করা ।

১৮। কত টাকা প্রয়োজন ধারণা নেই কোম্পানির

কত টাকা নিয়ে আসলে কি রকম  স্টার্টআপ শুরু করা উচিত তার কোন ধারণা নেই।

১৯। মার্কেটিং প্ল্যানিং নিয়ে কাজে সঠিক সিদ্ধান্ত  সমস্যা

সম্ভাব্য এবং বর্তমান কাস্টমারদের ডাটা নিয়ে কাজ না করা । মার্কেটিং প্ল্যানিং ঠিক না করে মার্কেটিং করা । কোন কোন প্ল্যাটফর্মে মার্কেটিং করবে তা সঠিক না জানা এবং ব্যবহার করতে না পারা।

২০।  ব্র্যান্ড ভ্যালু  তৈরিতে গুরুত্ব না দেয়া

ব্র্যান্ড ভ্যালু  তৈরিতে গুরুত্ব না দেয়া । সঠিক ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের হাজির করতে না পারা এবং কত বছরের জন্যে আসলে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ব্র্যান্ডকে চায় সেই ব্যাপারে কোন স্পষ্ট ধারণা নেই।

 

২১।  ব্যবসা সম্প্রসারণের ব্যাপারে মনোযোগ কম থাকা

ব্যবসা সম্প্রসারণের ব্যাপারে মনোযোগ কম থাকা এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যবসার গতিশীলতার অবস্থার সাথে অবস্থা পরিবর্তনে ব্যবস্থা না নেয়া ।

 

ভাল থাকুন , ভাল সময় কাটান এবং ই-কমার্সের সাথে থাকুন ।

 

কনটেন্ট রাইটার – Nazmul Hasan Majumder

For Facebook profile : Click here 

For Facebook Page : contentever 

Comments

comments

About The Author



Hey, My name is Nazmul Hasan Majumder . I'm passionate about writing & Seo Analyst, love to work on Animation & Web Development. All time, I usually try to up to date on tech stuff & E-Commerce industry,especially on marketing strategy & software of online world. You can join me on Facebook : https://www.facebook.com/nazmulhasanmajumder