যুক্তরাষ্ট্র হলিডে সিজন ২০১৬ অনলাইন শপিং

799

সবে সবে যুক্তরাষ্ট্রে হলিডে সিজন ২০১৬ শেষ হলো। পাঠক, চলুন দেখা যাক, সাম্প্রতিক হলিডে সিজনে ই-কমার্সের কি অবস্থা দেশটিতে। আমার এই পোস্টে আমি অ্যাডোবি ডিজিটাল ইনসাইটস রিপোর্ট, কমস্কোর এর প্রদত্ত তথ্য, দ্যা ইন্টারন্যাশনলাই কাউন্সিল অব শপিং সেন্টার্স (আইসিএসসি) কর্তৃক পরিচালিত জরিপের তথ্য সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব।

অ্যাডোবি ডিজিটাল ইনসাইটস রিপোর্ট এর কিছু হাইলাইটস-

জানুয়ারি ৫ ২০১৬ (বৃহস্পতিবার) অ্যাডোবি ডিজিটাল ইনসাইটস তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করে।

অ্যাডোবি ইনসাইটস যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইটের ২৪৬ কোটি ওয়েব ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে তাদের এই রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ১০০ ই-কমার্স সাইটে সংঘটিত লেনদেনের ৮০% বিশ্লেষণ করে থাকে। শুরুতে বলে রাখি অ্যাডোবি নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে কেনাকাটার হিসাব করেছে। তাদের এই রিপোর্ট মোতাবেক-

২০১৬ সালের হলিডে সিজনে যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে কেনাকাটার পরিমাণ ছিল ৯১.৭ বিলিয়ন ডলার। অ্যাডোবি পূর্বাভাস দিয়েছিল যে হলিডে সিজনে ৯১.৬ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা হবে অনলাইনে অর্থাৎ তাদের ধারণার চেয়েও বেশি বিক্রী হয়েছে অনলাইনে এই বছর। ২০১৫ সালে হলিডে সিজনে অনলাইন সেলস এর পরিমাণ ছিল ৮২.৫ বিলিয়ন ডলার। গতবছরের তুলনায় এ বছরে অনলাইন কেনাকাটা ১১% বৃদ্ধি পেয়েছে।

1

এ ৬০ দিনের ৫৭ দিনেই প্রতিদিন অনলাইনে গড়ে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য বিক্রী হয়েছে।

হলিডে সিজনে শপিং ওয়েবসাইটগুলোতে ভিজিটের ৫০% (৪১% স্মার্টফোন + ৯% ট্যাবলেট পিসি) এবং মোট অনলাইন কেনাকাটার ৩১% (২১% স্মার্টফোন + ১০% ট্যাবলেট পিসি) সঙ্ঘটিত হয়েছে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট পিসি থেকে। এসব ডিভাইস থেকে কেনাকাটার পরিমাণ ২৮.৪৩ বিলিয়ন ডলার (স্মার্টফোন ১৯.২৬ বিলিয়ন ডলার+  ট্যাবলেট পিসি ৯.১৭ বিলিয়ন ডলার) যা গত বছরের তুলনায় ২৩% বেশি। ২০১৫ এর হলিডে সিজনেও যুক্তরাষ্ট্রের মোট সাইট ভিজিটের ৫০% (৩৯%স্মার্টফোন+১১% ট্যাবলেট পিসি) এবং মোট অনলাইন কেনাকাটার ২৮% (১৭% স্মার্টফোন+১১% ট্যাবলেট পিসি)  মোবাইল ডিভাইস থেকে এসেছে।

এই বছরে ব্ল্যাক ফ্রাইডে তে অনলাইন সেলস-এ নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ঐদিন অনলাইন সেলস এর পরিমাণ ছিল ৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার যা ২০১৫ এর ব্ল্যাক ফ্রাইডে এর তুলনায় ২২% বেশি। প্রথমবারের মতো অনলাইন বিক্রী ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং এর মধ্যে মোবাইল কমার্স ছিল ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

২০১৬ এর সাইবার মন ডে (ব্ল্যাক ফ্রাইডের পরে যে সোমবার আসে সেদিন সাইবার মন ডে উদযাপিত হয়) যুক্তরাষ্ট্রের অনলাইন কেনাকাটার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি কেনাকাটা হয়েছে। ঐদিনে ৩.৪৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ও সেবা অনলাইনে বিক্রী হয় যা ২০১৫ এর তুলনায় ১২% বেশি।  ২০১৫ এর সাইবার মন ডে তে অনলাইনে কেনাকাটার পরিমাণ ছিল ৩.০৭ বিলিয়ন ডলার।

United Parcel Service Inc. (UPS) drivers deliver packages on Cyber Monday in New York, U.S., on Monday, Nov. 30, 2015. Online sales on Cyber Monday may rise at least 18 percent from a year earlier, slower growth than during the holiday weekend, as consumers start their Internet shopping earlier, according to forecasts by International Business Machines Corp. Photographer: John Taggart/BloombergA

সিজনের শেষ দিকেও লোকে অনলাইনে প্রচুর কেনাকাটা করেছে। ইউপিএস ফেডএক্স এর জন্যে এই বিশাল ডেলিভারি খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। সিজন যত শেষের দিকে আসছিল লোকে অনলাইনে অর্ডারের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছিল।

অ্যাডোবি ইনসাইটের রিপোর্ট থেকে যে ব্যাপারটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ এখন অনলাইনে পণ্য কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে এবং তারা অনলাইনে কেনাকাটা করার জন্যে বিভিন্ন ধরণের ডিভাইস ব্যবহার করে থাকে এবং অনলাইনে পণ্য ক্রয়ের আগে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার রিভিউ এবং দামের তুলনাও করে থাকে। অ্যাডোবি ডিজিটাল ইনসাইটস এর বিশ্লেষক বেকি টাস্কার (Becky Tasker) বলেন যে  ব্ল্যাক ফ্রাইডে শুরু হবার আগে অনেক ক্রেতাই ওয়েবসাইটে ভিজিট করেছে কিন্তু কেনাকাটা করে নি। তারা ব্ল্যাক ফ্রাইডের এর জন্যে অপেক্ষা করেছে। তারা তাদের স্মার্টফোনের মাধ্যমে তাদের কেনাকাটার প্ল্যানিং করেছে। স্মার্টফোনে তারা বিভিন্ন ধরণের অফার সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়েছে। তারপরে নির্দিষ্ট দিনে স্মার্টফোন, ডেস্কটপ বা দোকান থেকে পণ্য ক্রয় করেছে ।

অ্যাডোবি ডিজিটাল ইনসাইটস রিপোর্ট টি বিস্তারিত দেখতে এই লিঙ্কে ভিজিট করুন-

www.cmo.com/adobe-digital-insights/articles/2016/11/8/2016-holiday-shopping-up-to-the-minute-data-from-adi.html#gs.9NrL1qM

অফলাইনে বিক্রী কমেছে-

বড়দিনে শপিং মলে ঘন্টার পর ঘন্টা বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে ধাক্কাধাক্কি করে দোকানে ঢুকে কেনাকাটা করার চেয়ে এখন আরামে ঘরে বসে কেনাকাটা করতে অনেকেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। রিটেইল নেক্সট নামে একটি ইনস্টোর অ্যানালাইটিক্স প্রতিষ্ঠান বলেছে যে নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে শপিং মলে ক্রেতার পরিমাণ (Mall Traffic) আগের তুলনায় ১২.৩% কমে গিয়েছে এবং বিক্রীর পরিমাণ কমেছে ৯.৯%।

যুক্তরাষ্ট্রর নামী রিটেইলার মেসিস বুধবার (জানুয়ারি ৪, ২০১৬)বলেছে যে তাদের Comparable Sales ২.৭% কমে গিয়েছে। মেসিস এর যেসব দোকান এক বছরের বেশি সময় ধরে চলছে, সেসব দোকানে বিক্রী এবং অনলাইনে বিক্রী এ দুটোর মধ্যে তুলনা করে কমপ্যারেবল সেলস নির্ধারণ করা হয়। মেসিস বলেছে যে তারা ১০০ টি দোকান বন্ধ করে দেবে। এতে করে ১০ হাজার লোক কাজ হারাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি নামী রিটেইল ব্রান্ড কোহলসও একই কথা বলছে। তাদের কমপ্যারেবল সেলস ২.১% কমে গিয়েছে। ব্ল্যাক ফ্রাইডে এবং ক্রিসমাস শুরু হবার আগে প্রচুর লোক আসে তাদের দোকানগুলোতে কিন্তু সেভাবে কেনাকাটা করে নি।

সিয়ার্স এর কমপ্যারেবল সেলস কমেছে ১২%-১৩%। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ১৫০টি স্টোর বন্ধ করে দিয়েছে। বার্নস অ্যান্ড নোবেল এর ৯.১%।

ভিক্টোরিয়াস সিক্রেট এর দোকানে ডিসেম্বর মাসে বিক্রী কমেছে ৪%।

যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি বিখ্যাত রিটেইল স্টোর নর্ডস্ট্রম বলেছে তাদের স্টোরগুলোতে বিক্রীর অবস্থা খুবই খারাপ।

সেই তুলনায় অফ প্রাইস রিটেইলাররা অনেক ভাল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা নামী ব্রান্ডের পণ্য কম দামে বিক্রী করে থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান টি জে এক্স

যুক্তরাষ্ট্রের আরেক নামী রিটেইলার ব্রান্ড জে সি পেনিও গত হলিডে সিজনের তুলনায় এই হলিডে সিজনে খারাপ ব্যবসা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কমপ্যারেবল সেলস কমেছে ০.৮%। তবে অন্যদিকে তাদের অনলাইনে বিক্রী বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কর্তাব্যক্তিরা বলছেন যে চলমান অর্থবছরে তারা ১ বিলিয়ন ডলার লাভ করতে পারবেন।

দ্যা লিমিটেড আরেকটি নামী রিটেইল ব্রান্ড তো তাদের ব্যবসা বন্ধই করে দিয়েছে। এই রিটেইল প্রতিষ্ঠানটি মহিলাদের কাপড়চোপড় বিক্রী করত। ১৯৬৩ সালে ওহাইও প্রদেশে কলম্বাসে লিমিটেড স্টোরস চালু হয়। প্রতিষ্ঠানটি এখন তাদের ২৫০ টি স্টোর বন্ধ করে দেবে যার ফলে ৪,০০০ লোক কাজ হারাবে। তাদের দোকান বন্ধ ঘোষণা দেবার পরে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইটে এই মেসেজটি দেয়। মেসেজে বলা হয় যে প্রতিষ্ঠানটি তাদের অনলাইনে বিক্রী চালু রাখবে।

3

অন্যদিকে অ্যামাজন, বনোবোস,  এবং ওয়ার্বি পার্কার এর মতো অনলাইন স্টোর গুলোতে বিক্রী বাড়ছে।

অ্যামাজন এবং অন্যান্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান:

অনলাইন শপিং এর এই ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে অ্যামাজন। ই-কমার্স রিসার্চ ফার্ম স্লাইস ইনটেলিজেন্স এর ভাষ্যমতে, ১লা নভেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে সঙ্ঘটিত কেনাকাটার ৩৮% হয়েছে অ্যামাজন ডট কম-এ। দ্বিতীয় স্থানে আছে বেস্ট বাই। অনলাইন শপিং এর ৩.৯% তাদের ওয়েবসাইটে হয়েছে। তৃতীয় স্থানে টার্গেট (২.৭%) এবং চতুর্থ স্থানে আছে ওয়ালমার্ট (২.৬%)। হলিডে সিজনে অ্যামাজন ডট কম এর ফুলফিলমেন্ট বাই অ্যামাজন (এফবিএ) প্রোগ্রামের আওতায় পণ্য শিপমেন্ট ৫০% বৃদ্ধি পেয়েছে।

হলিডে ই-কমার্স সেলস এর বড় অংশ অ্যামাজনে সংঘটিত হয়েছে ঠিকই কিন্ত অন্যান্য ই-কমার্স সাইটগুলোও খারাপ করেনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ই-বে এর নাম সবচেয়ে বেশি উল্লেখ করা হয়েছে।তার কারণ হচ্ছে ই-বে এর অনেক বিক্রেতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের পণ্যের প্রমোশন চালিয়েছেন একই সাথে যারা ই-বে থেকে পণ্য ক্রয় করেছেন তারাও তাদের পণ্যের ছবি ও বিবৃতি সোশ্যাল মিডিয়াতে দিয়েছে যে সাধারণ স্টোরে এ ধরণের পণ্য তারা খুঁজে পান নি।

মজার ব্যাপার হলে সোশ্যাল মিডিয়াতে ই-বে এর নাম যেভাবে উঠে এসেছে অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট বা টার্গেটের নাম সেভাবে উঠে আসেনি।

কমস্কোর:

ক্রস-প্লাটফর্ম মেজারমেন্ট প্রতিষ্ঠান কমস্কোরের তথ্যমতে অনলাইন সিজনে ডেস্কটপে কেনাকাটার পরিমাণ ৬৩.১ বিলিয়ন ডলার যা গত বছরের তুলনায় ১২% বেশি।গতবছরের হলিডে সিজনে ডেস্কটপে ৫৬.৪ বিলিয়ন ডলারের কেনাকাটা হয়।২০১৫ সালের হলিডে সিজনে ১৬ দিনে প্রতিদিন ডেস্কটপ ব্যবহার করে লোকে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কেনাকাটা করে তবে ২০১৬ তে টানা ৩০ দিনের প্রতিদিন ডেস্কটপে কেনাকাটার হার ১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।

4

এই নিয়ে টানা তিনবছর সাইবার মনডে তে ডেস্কটপে কেনাকাটা ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি অতিক্রম করল। সাইবার মন ডে তে ডেস্কটপে ২.৬৭ বিলিয়ন ডলারের কেনাকাটা হয়। ২০১৫ সালে এ হার ছিল ২.২৮ বিলিয়ন ডলার। ২০১৫ এর তুলনায় ২০১৬ তে ১৭.১% বৃদ্ধি। উল্লেখ্য যে, ২০১০- এ প্রথমবারের মতো সাইবার মন ডে যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে কেনাকাটা করার পরিমাণ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।

কমস্কোরের সিইও জ্ঞান ফালগুনি (Gian Fulgoni) বলেন যে এই হলিডে সিজনেও মোবাইল কমার্সের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। কমস্কোরের তথ্য মতে, সাইবার মন ডে তে মোবাইল কমার্সে বিক্রী প্রথমবারের মতো ১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে

এমনকি ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ থেকে জানুয়ারির ১ তারিখ পর্যন্ত প্রচুর কেনাকাটা হয়েছে অনলাইনে। ভেরিজন রিটেইল ইনডেক্স এর তথ্যমতে ১লা জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইলারদের ই-কমার্স ট্রাফিকের পরিমাণ ২০১৬ এর ১লা জানুয়ারির তুলনায় ২৫% বেশি ছিল। এ প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ টি প্রথম সারির অনলাইন রিটেইলারের ই-কমার্স ট্রাফিকের তথ্য বিশ্লেষণ করে থাকে।

ওমনিচ্যানেল ই-কমার্স:

দ্যা ইন্টারন্যাশনলাই কাউন্সিল অব শপিং সেন্টার্স (আইসিএসসি) ডিসেম্বরের ২৭-২৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতার উপরে অনলাইনে জরিপ পরিচালনা করেন। জরিপে দেখা গিয়েছে যে ওমনিচ্যানেল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো হলিডে সিজনে ভাল ব্যবসা করেছে। হলিডে সিজনে সঙ্ঘটিত কেনাকাটার ৭০% এমন প্রতিষ্ঠানে হয়েছে যাদের অফলাইন দোকানও আছে আবার ই-কমার্স সাইটও আছে।

অনেক ক্রেতাই অনলাইনে পণ্য ক্রয় করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের অফলাইন দোকান থেকে সেই অর্ডার পিক-আপ করেছেন। এসব ক্রেতাদের ৬১% আবার দোকানের থেকে তাদের অর্ডার পিক-আপ করার সময়ে অতিরিক্ত পণ্যও ক্রয় করেছেন। আইসিএসসি এর জরিপে দেখা গিয়েছে যে মিলেনিয়াল অনলাইন ক্রেতাদের ৭৫% এই কাজটি করেছেন।

৮৬% মিলেনিয়াল হলিডে সিজনে দোকানে কেনাকাটা করার সময়ে তাদের মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করেন এবং এসব মিলেনিয়ালদের ৯৬% ঐ দোকান থেকেই পণ্য ক্রয় করেছে। দোকানে মোবাইল ডিভাইস ব্যবহারকারী এসব মিলেনিয়ালদের ৫২% মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে অনলাইনে দামের তুলনা করেছে (Price Comparison), ৪০% তাদের মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে ইনভেন্টরি চেক করেছেন অর্থাৎ তাদের পছন্দের ঐ পণ্য দোকানে আছে কিনা তা খোঁজ করেছেন। ৩৭% দোকানে মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে স্পেশাল অফারের খোঁজ নিয়েছেন এবং ৩৩% তাদের মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে পণ্যের রিভিউ পড়েছেন।

আইসিএসসি এর সিইও টম ম্যাক গী (Tom McGee) বলেন যে এই সিজনে সবচেয়ে ভাল করেছে ওমনিচ্যানেল রিটেইলাররা কারণ তারা তাদের ক্রেতাকে কেনাকাটা করার অনলাইন এবং অফলাইন অপশন দুটোই দিয়েছে।

(ওমনিচ্যানেল ই-কমার্স সম্পর্কে জানতে ই-ক্যাব ব্লগ এর এই পোস্ট টি দেখতে পারেন- http://blog.e-cab.net/টাটা-ক্লিক-ওমনিচ্যানেল-ই/ )

সূত্র:

ইন্টারনেট রিটেইলার (১)

ইন্টারনেট রিটেইলার (২)

ফর্চুন ডট কম (১)

ফর্চুন ডট কম (২)

ফর্চুন ডট কম (৩)

দ্যা ওয়াশিংটন পোস্ট

ইনভেস্টর্স ডট কম

নিউজ অন সিক্স

পি আর নিউজওয়্যার

দ্যা সেন্টার অব শপিং ডট কম

Comments

comments

No Comments

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *