বিগ বাস্কেট ভারতের সবচেয়ে বড় অনলাইন গ্রসারি স্টোর

1306

বিগ বাস্কেট বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় অনলাইন গ্রসারি সাইট। ভারতের অন্যতম বড় ই-কমার্স স্টার্ট-আপ প্ল্যাটফর্ম গ্রোথস্টোরির বিজনেস ভেঞ্চার গুলোর একটি হচ্ছে বিগ বাস্কেট। আমার আগের ব্লগ পোস্টটি গ্রোথস্টোরি নিয়েই লেখা। সম্প্রতি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এ বিগ বাস্কেট এবং ইন্ডিয়াতে অনলাইন গ্রসারি বাজারের সম্ভাবনা নিয়ে একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। ই-ক্যাব ব্লগের পাঠকদের জন্যে আর্টিকেলটি বাংলায় দিলাম।

দিল্লীর অসহ্য গরমের এক সকালে বিগ বাস্কেটের ৩০,০০০ বর্গফুটের গুদামঘরে পুরোদমে কাজ চলছে। এ গুদামঘরে কর্মরত কর্মীদের প্রত্যেকের কাছে একটি হাতে বহনযোগ্য কম্পিউটার রয়েছে।  অনলাইনে ক্রেতারা যেসব পণ্যের অর্ডার করছে সে অর্ডারগুলো তাদের কম্পিউটারে চলে আসছে। এসব অর্ডারকৃত পণ্যের মধ্যে আছে প্যাকেটজাত খাবার, পার্সোনাল কেয়ার প্রডাক্ট, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার প্রডাক্ট, শাক-সবজি ইত্যাদি। কর্মীরা অর্ডার করা পণ্যগুলো নিয়ে প্যাকেট করে লাল রঙের প্লাস্টিকের ডালায় ভর্তি করছে।

প্রতিটি অনলাইন অর্ডারের আইটেমকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। তারপরে কয়েকজন লোক মিলে ওয়্যারহাউজ থেকে ক্রেতার অর্ডারকৃত আইটেমগুলো সংগ্রহ করে।

Pic 1

Source: www.thequint.com/business/2015/05/07/imf-welcomes-passage-of-gst-by-indian-parliament

উপরের ছবির মতো ওয়্যার হাউজে এভাবে পণ্য গুলো বিভিন্ন ক্যাটেগরি অনুযায়ী সাজান থাকে। প্রতিটি লোক একেক ক্যাটেগরির পণ্য সংগ্রহ করে থাকে। ওয়্যার হাউজে কর্মরত লোকজন জানে কোন র‍্যাকে কোন ক্যাটেগরির জিনিস রাখা আছে। বিগ বাস্কেট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছে যে, পুরো অর্ডার একজন লোকের বদলে এরকম কয়েকজন লোক মিলে সংগ্রহ করলে অনেক সময় এবং খরচ বাঁচে।

An employee carries goods at a Big Basket warehouse on the outskirts of Mumbai

Source: http://in.reuters.com/article/2014/11/26/india-internet-retail-idINKCN0JA27A20141126

বিগ বাস্কেট দিল্লীর হেড অব অপারেশন্স সঞ্জীব খান্না বলেন, “প্রতি পাঁচ/দশ মিনিট পর পর  হিসেব করা হয়।”

বিগ বাস্কেটের এ পদ্ধতি ফলপ্রসূ হয়েছে কারণ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় অনলাইন গ্রসারি স্টোর। ভারতের প্রথম সারির ছয়টি শহরে বিগ বাস্কেট ভোক্তাদের কাছে অনলাইনে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রী করছে এবং আগামী কয়েক মাসে আরও দুটি শহরে প্রতিষ্ঠানটি শাখা খুলবে।

২০১১ সালে বিগ বাস্কেট প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা হরি মেনন মনে করেন পণ্যের বিশাল সমাহার এবং সহজলভ্যতা ভারতে অনলাইনে গ্রসারি কেনাকাটাকে খুব অল্প সময়ের ভিতরে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলবে।

মেনন বলেন, “২০২০ সাল নাগাদ ভারতের গ্রসারি বাজারের আয়তন ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে।…বর্তমানে অর্গ্যানাইজড রিটেইল ভারতের মোট রিটেইল বাজারের মাত্র ১৫%। দোকানের উচু ভাড়া এ ব্যবসার বৃদ্ধির প্রধান অন্তরায় এবং এ কারণেই এসব প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ব্যবসার দিকে ঝুঁকবে।”

বর্তমানে বিগ বাস্কেটের বাজার মূল্য প্রায় ২৭৫ মিলিয়ন ডলার। প্রতিষ্ঠানটি ৬১ মিলিয়ন ডলার  প্রাইভেট ইক্যুইটি ফাণ্ড যোগাড় করেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আছে অ্যাসেন্ট ক্যাপিটাল, হেলিয়ন ভেঞ্চার্স, যোডিয়াস এবং বেসিমার ভেঞ্চার পার্টনার্স। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ লক্ষ সক্রিয় ক্রেতা আছে এবং প্রতিমাসে ১২%-১৬% হারে আয় বাড়ছে।

২০১৪ সালে বিগ বাস্কেট মাত্র পাঁচটি শহরে উপস্থিত ছিল এবং ঐ বছরেই প্রতিষ্ঠানটি আয় করে ৩৩ মিলিয়ন ডলার। আগামী অর্থবছরে আয় হবে ১২৬ মিলিয়ন ডলার এবং তারপরের বছর ২৯৫ মিলিয়ন ডলার এমনটিই ধারণা করছে বিগ বাস্কেট।

ভারতের গ্রসারি রিটেইল সেক্টরের বর্তমান অবস্থাঃ

এক মাত্র যুক্তরাজ্য ছাড়া বিশ্বের অন্যকোথাও অনলাইন গ্রসারি বাজার সেভাবে বেড়ে ওঠেনি। ভারতীয়দের রিটেইল খাতে খরচের ৬৭% খাবার এবং মুদি পণ্যের পিছনে খরচ হয়।

Pic 4

বাংলাদেশের মতো ভারতেও গলিতে ছোট ছোট মুদি দোকান রয়েছে।এসব দোকানকে বলা হয় “কিরানা।” এটা সত্যি যে বিগত কয়েক বছরে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় আগোড়া এবং মিনা বাজারের মতো বড় বড় কর্পোরেট রিটেইল আউটলেট গড়ে উঠেছে কিন্তু ভারতের মোট রিটেইল সেক্টরের বিবেচনায় এসব প্রতিষ্ঠানের বাজার শেয়ার সামান্য। ভারতে জমির দাম/দোকান ভাড়া প্রচুর। এ কারণে এসব কর্পোরেট রিটেইল প্রতিষ্ঠান গুলো  সব জায়গায় রিটেইল আউটলেট গড়ে তুলতে পারে না এবং উচু ভাড়ার কারণে লাভ করতে হিমশিম খেতে হয়ে। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে রিটেইল সেক্টরে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের ব্যাপারে অনেক বিধিনিষেধ আছে।

Pic 3

এসব কারণে প্রচুর লোক এখনো গলির ছোট দোকান বা পরিচিত মুদি দোকান থেকে পণ্য কেনে বা রাস্তার পাশে যে তরকারি ওয়ালা বসে তাদের কাছে থেকে শাকসব্জি কেনে। এসব দোকানগুলোর সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যে এগুলো আয়তনে ছোট এবং সব ধরণের পণ্য পাওয়া যায় না এবং সব ধরণের পণ্যের নিয়মিত সরবরাহও নেই।

পরিবর্তনের বাতাসঃ

কিন্তু পরিবর্তনের বাতাস ইতিমধ্যেই বইতে শুরু করেছে। ভারতের সাধারণ মানুষ এখন অনলাইনে পণ্য ক্রয় করে অভ্যস্ত হচ্ছে। ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজন এবং স্ন্যাপডিলের মতো ওয়েবসাইট থেকে বই, গ্যাজেট সহ বিভিন্ন ধরণের পণ্য এখন মানুষ ক্রয় করছে। এদের পাশাপাশি ছোট বিশেষায়িত স্টোর পেটিএম ই-কমার্স বাজারে কাজ করছে।

শহরে বসবাসকারী মানুষদের অনেকেই চায় বাসায় বসেই তাদের নিকটস্থ দোকানের মুদি পণ্য কিনতে।এই যে অনলাইন গ্রসারি বাজার সেটাকে দেশটির বিশেষজ্ঞ এবং বিনিয়োগকারীরা এটাকে খুবই বড় এবং সম্ভাবনাময় একটি বাজার  হিসেবে দেখছেন।

নয়াদিল্লী-ভিত্তিক রিটেইল কনসালটেনসি প্রতিষ্ঠান টেকনোপাক এর ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রজ্ঞা সিং বলেন, “ভারতের সব জায়গায় কিরানা রয়েছে।কিন্তু তারা কি ক্রেতাদের ভার্জিন অলিভ অয়েল, রোদে শুকানো টমেটো, ইতালিয়ান সব্জির মতো এক্সক্লুসিভ পণ্য দিতে পারবে? যদি আপনি শহরের ক্রেতাদের এরকম এক্সক্লুসিভ পণ্য সরবরাহ করতে পারেন যা তারা সহজে পায় না তাহলে আপনি বিশ্বস্ত ক্রেতা তৈরি করতে পারবেন।”

ভারতের অনলাইন গ্রসারি শপিং এর যে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে এটা এখন অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই অনুধাবন করা শুরু করেছে এবং বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এ বাজারে আসা শুরু করেছে। ভারত বিশাল বড় দেশ। এখানে বিভিন্ন শহরে স্থানীয় অন-ডিমাণ্ড-ডেলিভারি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলো কর্পোরেট রিটেইলারদের কাছে থেকে পণ্য সোর্স করে বিক্রী করছে। এসব কর্পোরেট রিটেইলারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

মেট্রো ক্যাশ অ্যাণ্ড ক্যারি -এটি একটি জার্মান-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। ভারতে ২০০৩ সাল থেকে ব্যবসা করছে। এটি বিজনেস-টু-বিজনেস হোলসেল প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদকদের কাছে থেকে সরাসরি পণ্য কিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে পাইকারি দরে পণ্য বিক্রী করে।

হাইপার সিটি এটি একটি ভারতীয় রিটেইল চেইন অপারেটর।

মোর স্টোরস এটি আদিত্য বিড়লা গ্রুপের রিটেইল প্রতিষ্ঠান। এদের স্টোর এবং হাইপার মার্কেটও আছে।

বিগ বাস্কেটের মতো যারা অনলাইনে গ্রসারি পণ্য বিক্রী করছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

লোকাল বানিয়া – ২০১২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে পাঁচটি শহরে প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে পণ্য বিক্রী করছে। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ক্যাটেগরির ১৪,০০০ পণ্য বিক্রী করছে।

জপ নাউ – ব্যাঙ্গালোর ভিত্তিক জপ নাউ একটি অনলাইন স্টোর।

পেপার ট্যাপ – এটি একটি মোবাইল-ভিত্তিক অন ডিমাণ্ড গ্রসারি ডেলিভারি স্টার্ট-আপ।মুম্বাই এর গুরগাও এ এদের অফিস। ২০১৪ সালে এটি চালু হয়। প্রতিষ্ঠানটি দিল্লী এবং পুনেতে সেবা প্রদান করছে এবং সেখানে তারা ব্যাপক সফলতা লাভ করেছে। আহমেদাবাদ, সুরাট, জয়পুর, চন্ডিগড়, লখনৌ এবং কলকাতাতে তাদের ব্যবসা বিস্তার করবে এবং প্রতিটি শহরে ২৫টি মুদি সামগ্রী বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তারা কাজ করবে।

গ্রোফার্সএটিও একটি মোবাইল-ভিত্তিক অন ডিমাণ্ড গ্রসারি ডেলিভারি স্টার্ট-আপ। অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ক্রেতা অর্ডার দেয় এবং প্রতিষ্ঠানটি আশেপাশের দোকান বা রিটেইল আউটলেট থেকে ৯০ মিনিটের মধ্যে ডেলিভারি প্রদান করে থাকে।

গ্রোফার্স এবং পেপার ট্যাপ এ দুটো প্রতিষ্ঠানই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফাণ্ড পেয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সেকুয়্যো ক্যাপিটাল, সাইফ ক্যাপিটাল পার্টনার্স, টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনার্স

চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে বিগ বাস্কেটঃ

অনলাইন গ্রসারি খুবই সম্ভাবনাময় বাজার হলেও এখানে চ্যালেঞ্জও আছে প্রচুর। প্রজ্ঞা সিং বলছেন, “অনলাইনে গ্রসারি পণ্য ক্রেতারা অন্যান্য পণ্য ক্রেতাদের মতো নয়। তারা চান অনলাইনে তাদের ক্রয়কৃত মুদি পণ্য বা পণ্য গুলো তিনি যেন আজ বা কালকের মধ্যে হাতে পান। কোন ক্রেতাই অনলাইনে আলু কেনার তিনদিন পরে সেই আলু নিতে চাইবেন না।”

অনলাইন গ্রসারির লজিস্টিক্স সিস্টেম খুবই জটিল। ভারত বিশাল দেশ এবং এক এক প্রদেশে একেক রকম জিনিস, একেক রকম পণ্য এবং সংস্কৃতিও ভিন্ন। শহর ভেদে একেক রকম সাপ্লাই চেইন ডেভেলপ করতে হবে যা হতে হবে খুবই নির্ভরশীল এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের দোরগোড়ায় পণ্য পৌঁছে দিতে হবে।

বিগ বাস্কেট ঠিক এ কাজটিই করছে। প্রতিষ্ঠানটি একদম শূন্য থেকে তাদের নিজস্ব সাপ্লাই চেইন ডেভেলপ করছে যাতে করে তারা ক্রেতাদেরকে অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক দামে ভাল মানের শাকসব্জি, মাছ-মাংস ডেলিভারি দিতে পারে। এভাবে তারা একই সাথে ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারবে এবং অনলাইন গ্রসারি বাজার দখল করবে।

শেষ কথাঃ

বাংলাদেশের উচ্চবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে খরচের বড় অংশই কিন্তু দৈনন্দিন পণ্যের খরচ। আমাদের দেশে অনেকে মাসের বাজার করেন এবং এ বাজারের বড় অংশই হচ্ছে গ্রসারি আইটেম-চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি, সাবান, ইত্যাদি। মাসে দুই তিনবার বাজার থেকে মাছ-মাংস সব্জি কেনেন। এই যে ঈদে গ্রামে লাখ লাখ লোক যাচ্ছে তারা অনেকে ফিরে আসার সময় গ্রাম থেকে কিছু সব্জি বা ফলমূল নিয়ে আসবে কারণ গ্রামে তারা কমদামে তাজা পণ্যটি পাচ্ছে। এ কারণে ভারতের মতো বাংলাদেশেও অনলাইন গ্রসারি বিশাল সম্ভাবনাময় এবং খুবই বড় একটি বাজার। ইতিমধ্যেই আমাদের দেশে অনলাইনে গ্রসারি আইটেম বিক্রী শুরু হয়ে গিয়েছে। যেমন-চালডাল ডট কমমিনা বাজারও কিন্ত অনলাইনে গ্রসারি আইটেম বিক্রী করে। আমার দেশ ই-শপ গ্রামের কৃষকদের কাছ থেকে তাজা শাকসব্জি, মাছ-মাংস সোর্স করে অনলাইনে বিক্রী করছে। সব্জি বাজার ডট কম নামে একটি প্রতিষ্ঠান গুলশান, নিকেতন, বনানী, বারিধারা, ডিওএইচএস বনানী, নিকুঞ্জ, উত্তরা, ধানমন্ডী এলাকায় শাকসব্জি মাছ-মাংস অনলাইনে বিক্রী করছে। এরকম আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে গ্রসারি পণ্য বিক্রী করছে কিন্তু তাদের বাজার এখনো খুবই ছোট।

বাংলাদেশে ই-কমার্স এখন উঠতি একটি সেক্টর। কিন্তু আগামী কয়েক বছরে ভারতের মতো বাংলাদেশেও অনলাইনে কেনাকাটা খুবই জনপ্রিয় হবে এবং অনলাইনে একবার মানুষ যখন কেনাকাটা করতে অভ্যস্ত হয়ে যাবে তখন তারাও চাইবে অনলাইনে গ্রসারি আইটেম কিনতে এবং তখন ভারতের মতো এদেশের অনলাইন গ্রসারি স্টোর গুলোও একই ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে-কত কম দামে এবং কত অল্প সময়ের মধ্যে আমি আমার ক্রেতাকে তাজা শাকসব্জি মাছ-মাংস ডেলিভারি দিতে পারব।

সূত্রঃ

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস

আই অ্যাম ওয়্যার

টাইমস অব ইন্ডিয়া

ইয়োর স্টোরি

লেখকঃ এস এম মেহদি হাসান

Comments

comments

No Comments

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *