Keenlayjobs

পোস্ট ই-কমার্স সার্ভিস ডাক বিভাগের চেহারাকে পাল্টে দেবে- অ্যাডভোকেট তারানা হালিম এম পি

381

গত বৃহস্পতিবার (ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬)  থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু হলো ডাক বিভাগের নতুন সেবা পোস্ট ই-কমার্স সার্ভিস। এই সেবার আওতায় এখন বাংলাদেশ ডাক-বিভাগ পরীক্ষামূলক ভাবে ঢাকা শহরের পোস্টঅফিসের ১১টি শাখা (জিপিও ঢাকা, শান্তিনগর, গুলশান, বনানী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, নিউমার্কেট, ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা সদর, উত্তরা, এবং তেজগাঁও) থেকে ই-কমার্স পার্সেল সংগৃহীত হবে এবং ডাক বিভাগের মেইল এক্সচেঞ্জ অফিসে চলে আসবে এবং পরদিন সকাল ৮টার মধ্যে ঐসব পার্সেলগুলো ঢাকা শহরের ২১টি পয়েন্টে পৌছে যাবে এবং পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ক্রেতার কাছে ডেলিভারি দেয়া হবে।

7

ঐদিন দুপুরে রাজধানীর রাজধানীর জিপিও ভবনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী  তারানা হালিম এম.পি নতুন এ সেবার উদ্বোধন করেন।

5

বেলা ১১ টায় ডাক বিভাগের মহাপরিচালক প্রবাস চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট  তারানা হালিম এম.পি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ই-ক্যাব এর উপদেষ্টা সমিতির সদস্য শমী কায়সার এবং ই-ক্যাব সভাপতি রাজিব আহমেদ। এতে আরো বক্তব্য রাখেন ডাক বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) সুধাংশু শেখর ভদ্র, ঢাকা কেন্দ্রীয় সার্কেলের পোস্টমাস্টার জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহবুবুর রশীদ, মেট্রোপলিটন সার্কেলের পোস্টমাস্টার জেনারেল সৈয়দ আহমদ আলী।  অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তরুণ কান্তি সিকদার, ডিরেক্টর(মেইলস)।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডাক বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) সুধাংশু শেখর ভদ্র । তিনি বলেন, “বিগত এক বছরে ডাক বিভাগ অনেক কিছু অর্জন করেছে। ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ)এর পোস্টাল অপারেশন কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রুপকল্প গঠনে নিরবিচ্ছন্ন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে ডাক বিভাগ। তারই ফলশ্রুতিতে ডাক বিভাগ আজকে পোস্ট ই-কমার্স সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে। সারাদেশে ডাক বিভাগের ৯,৯৮৬ টি পোস্ট অফিস এবং ৮,৫০০ পোস্ট ই-সেন্টারের মাধ্যমে ই-কমার্স সেবা জনগণের কাছে পৌছে দেয়া হবে। বাংলাদেশে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে কৃষক যেমন তার পণ্যের যথাযথ দাম পায় না তেমনি শহরের ক্রেতারাও বেশি দামে পণ্য ক্রয় করে থাকেন। এ সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে ই-কমার্স। আমি ই-কমার্স নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানাচ্ছি যে তারা ডাক বিভাগকে ই-কমার্সে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। আমি আশা করছি যে অদূর ভবিষ্যতে ই-ক্যাব এবং ডাক বিভাগ এভাবে এক সাথে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাবে।”

6

ই-ক্যাব সভাপতি রাজিব আহমেদ, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “ আজকে বাংলাদেশের ই-কমার্স সেক্টরের জন্যে একটি ঐতিহাসিক দিন। সারাদেশে ডাক বিভাগের বিশাল অবকাঠামো আছে। এই অবকাঠামোকে ব্যবহার করে দেশজুড়ে ই-কমার্স ডেলিভারি দেবার ব্যাপারে এক বছরের বেশি সময় ধরে আমরা ডাক বিভাগের সাথে কাজ করেছি।পুরো বিষয়টি আমাদের জন্যে খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল কারণ ডাক বিভাগ এ ধরণের সেবা দিতে সক্ষম সেই ব্যাপারটাই কেউ ভাবতে পারেনি।”

তিনি আরো বলেন, “ বাংলাদেশের ই-কমার্স সেক্টরে বর্তমানে দৈনিক ২০ হাজার পণ্য ডেলিভারি দেয়া হয়। চীনে এই হার ছয় কোটি। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে ১-৫ অক্টোবর অ্যামাজন ইন্ডিয়া দেশ জুড়ে পাচঁ দিনে পাঁচ কোটি পণ্য ডেলিভারি করেছে। ডাক বিভাগ যদি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেলিভারি সেবা দেয় তাহলে রাতারাতি দেশ জুড়ে ১ লক্ষ পণ্য ডেলিভারি করা সম্ভব।”

ই-ক্যাব সভাপতি মাননীয় প্রতিমন্ত্রীকে তার কার্যালয়ে একটি ই-কমার্স ফোকাল পয়েন্ট করে দেবার অনুরোধ জ্ঞাপন করেন। তাঁর দপ্তরের একজন অতিরিক্ত সচিব ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবেন যার সাথে ই-ক্যাব সবসময়ে ই-কমার্স বিষয়ে যোগাযোগ করবে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় সার্কেলের পোস্টমাস্টার জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহবুবুর রশীদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ই-কমার্স এখন যুগের চাহিদা। দীর্ঘ এক বছর সময় নিয়ে আমরা ই-কমার্স সেবা নিয়ে কাজ করেছি। কিভাবে এ সেবা প্রদান করা যায়, মূল চ্যালেঞ্জ গুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলোর সমাধান করা এ লক্ষ্যে ই-ক্যাব এবং ডাক বিভাগের কর্মচারীরা নিরবিচ্ছন্ন ভাবে কাজ করে গিয়েছে।এখন আমরা পরীক্ষামূলক ভাবে পোস্ট ই-কমার্স সার্ভিস চালু করেছি। অচিরেই এই সেবা সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে এবং আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে সাধারণ মানুষও আমাদের এই সেবাকে সাদরে গ্রহণ করবে। একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে কিন্তু তারপরেও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও মহাপরিচালকের নেতৃত্বে আজকে আমরা সব বাঁধা জয় করে এই সেবা চালু করতে যাচ্ছি। সেজন্যে আমি তাদের উভয়কেই ধন্যবাদ জানাতে চাই।

মহাপরিচালক মহোদয় তার বর্তমান পদে আসীন হবার আগে কিভাবে ই-কমার্স সার্ভিসটিকে চালু করা যায় সে লক্ষ্যে একটি টীম গঠন করেন এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানান।সেই টীমে আমরা দিনের পর দিন মিটিং করেছি, পুরো জিনিসটির সম্ভাব্যতা, কি কি সমস্যা হতে পারে, সমস্যা মোকাবেলায় কি কি করা প্রয়োজন এগুলো যাচাই বাছাই করে অবশেষে আজকে আমরা এ জায়গায় পৌছাতে পেরেছি। এটা কারো ব্যক্তিগত সফলতা নয়। ডাকবিভাগ যখন সফল হয় তখন আমরা সবাই সফল হই।”

মেট্রোপলিটন সার্কেলের পোস্টমাস্টার জেনারেল সৈয়দ আহমদ আলী তাঁর বক্তব্যে সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “আজকে আমাদের স্বপ্ন পূরণের দিন। ডাকবিভাগের ইতিহাসে একটি নতুন সার্ভিসের শুভ সূচনার দিন। এ সার্ভিস বাংলাদেশের ডাক বিভাগের বর্তমান অবস্থাকে পরিবর্তন করতে পারে। আমরা পরীক্ষামূলক ভাবে ঢাকা শহরের ১১টি পয়েন্টে এ সেবা চালু করব এবং ২১টি অফিসে ডেলিভারি প্রদান করব এবং পরদিনের মধ্যে এগুলো ক্রেতার কাছে পৌছে দেব। আমরা তেজগাও সেন্টারে  একটি ই-কমার্স হাব চালু করেছি যেখানে সংগৃহীত পণ্য গুলো ডেলিভারির জন্যে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। এই নতুন সার্ভিস চালু হবার সাথে সাথে আমাদের দায়িত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা আশা করি যে, আমাদের এই সার্ভিস জনপ্রিয় হবে এবং বিশ্বের প্রথম সারির একটি ই-কমার্স ডেলিভারি সার্ভিস হিসেবে একে আমরা গড়ে তুলতে পারব।”

1

ই-ক্যাব উপদেষ্টা শমী কায়সার তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ই-ক্যাব নেতৃবৃন্দ এবং ডাকবিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ বিগত কয়েকমাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এই দিনটির জন্যে। বর্তমান সরকারের  রুপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম কাজ করছেন। আজকে ডাকবিভাগের সাথে ই-কমার্সের যে বন্ধন তৈরি হয়েছে তা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ই-ক্যাব এর সাথে আমার যুক্ত হবার পিছনে সবচেয়ে বড় প্যাশন ছিল নারীর ক্ষমতায়ন। কারণ গ্রামেগঞ্জে আমরা অনেক নারী উদ্যোক্তা দেখি যারা ই-কমার্স সাইটের সাথে এখন সংশ্লিষ্ট। তৃণমূল পর্যায়ে যেসব নারী উদ্যোক্তারা ই-কমার্স নিয়ে কাজ করছেন তাদের মার্কেটিং দক্ষতা এবং পণ্য ডেলিভারি নিয়ে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাদের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছে ডাকবিভাগ। ডাকবিভাগ আজকে ই-ক্যাব এর সাথে মিলে যে কাজটি করল তাতে গ্রামের নারী উদ্যোক্তারা দেশের যে কোন প্রান্তে তথা বিশ্বের যে কোন দেশের ভোক্তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের কাছে পণ্য বিক্রী করতে পারবে। তার মানে এখানে মধ্যস্বত্ব ব্যবসায়ী থাকবে না।”

শমী কায়সার নতুন এই সেবাকে সফল করে তুলতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ডাকবিভাগের কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জোর দিতে বলেন।

4

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এম.পি ডাকবিভাগ এবং ই-ক্যাব নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “প্রায় দেড় বছর ধরে আমি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছি।শুরু থেকেই কয়েকটি বিষয়ের উপরে আমি জোর দিয়েছি যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা।

বেশ কয়েকমাস আগে যখন ডাক বিভাগের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলাম তখন বলেছিলাম যে ডাক বিভাগ হবে ই-কমার্সের হাব এবং পরে যখন ই-ক্যাব অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম যে ডিসেম্বরের মধ্যেই আমি এ কাজটি শুরু করব।

দায়িত্ব নেবার আগে আমি নিজেকে একটি কথা দিয়েছিলাম যে ডাক এবং টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে উভয় বিভাগকেই আমি সমান গুরুত্ব দেব এবং ডাক বিভাগকে লাভজনক করব।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে ডাকবিভাগের রাজস্ব আয় ছিল ২৫৬ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সেটি বেড়ে হয়েছে ৩০১ কোটি টাকা।

আমি মনে করি আজকে এই যে নতুন ই-কমার্স সেবার উদ্বোধন হলো তা পোস্ট অফিসের চেহারাকে পাল্টে দেবে। পোস্ট অফিসের আয়ের প্রধান উৎসই হবে ই-কমার্স। এই লক্ষ্যে ই-ক্যাব এর কাছে থেকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা আশা করছি এবং আমরাও সাহায্য করব।”

তারানা হালিম আরো জানান যে ডাকবিভাগের পাঁচটি প্রকল্প আছে। এর মধ্যে আছে পোস্টব্যাঙ্ক, ডাক বিভাগের কার্যপ্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়করণ, তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর গ্রামীন ডাকঘর নির্মাণ, ডাক পরিবহন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, পোস্ট ই-সেন্টার ফর রুর‍্যাল কমিউনিটি এবং বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তর নির্মাণ। প্রতিটি কাজই সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

সারাদেশে ডাক বিভাগের ৯,৮৮৬ টি অফিস আছে। বেসরকারি খাতে কোন প্রতিষ্ঠানের এত বড় অবকাঠামো নেই। এই অফিসগুলোতে  সবধরণের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা আছে এবং লোকবল আছে। এই অবকাঠামোকে নতুন সেবা প্রদান এবং বিশ্বজুড়ে যে বেস্ট প্রাকটিসগুলো আছে সেগুলোকে নিয়ে ডাক বিভাগকে নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা হবে। জরাজীর্ণ ডাকঘরগুলোকে নতুন করে গড়ে তোলা হবে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো পোস্ট অফিসের মাধ্যমে অনলাইন ক্রেতার কাছে ডেলিভারি দেবেন। একই সাথে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো ই-ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে তাদের পণ্যের দামও সংগ্রহ করে নিতে পারবে।

তিনি বলেন যে জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ডাক বিভাগে ১৮টি নতুন ভ্যান যুক্ত হচ্ছে। এই ১৮টি গাড়ী চালাবে নারী ড্রাইভাররা।

বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে যদি ই-কমার্স ছড়িয়ে পড়ে তাহলে তা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে দেবে। আর এ জন্যে ডাক বিভাগের স্থানীয় অফিসের কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে গ্রামের উদ্যোক্তারা অনলাইনে ওয়েবসাইট তৈরি বা অন্য ওয়েবসাইটে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রী করবে। এ জন্যে তাদের কাছে থেকে কোন টাকা নেয়া হবে না।

ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্যে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন এবং সেই লক্ষ্যে ব্যবস্থাও নেয়া হবে।

তারানা হালিম তার দপ্তরের একজন অতিরিক্ত সচিবকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে নিযুক্ত করবেন বলেও আশ্বাস প্রদান করেন।

9j

অনুষ্ঠানে সমাপনি বক্তব্য প্রদান করেন ডাক বিভাগের মহাপরিচালক প্রবাস চন্দ্র সাহা । তিনি বলেন, “দেড় বছর আগে আমরা এই উদ্যোগটি শুরু করেছিলাম। আমি মাননীয় প্রতিমন্ত্রীকে কথা দিয়েছিলাম যে এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই ই-কমার্স সার্ভিস শুরু হবে। আজকে সেটি চালু হতে যাচ্ছে। এটাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।

ডাক বিভাগ ছিল, আছে, এবং থাকবে। কারণ আমাদের যে অবকাঠামো তা আর কোন প্রতিষ্ঠানের নেই।ডাকবিভাগে বড় পরিবর্তন আসছে। এতদিন আমরা রেলওয়ের উপরে নির্ভরশীল ছিলাম। এর পাশাপাশি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের পরিবহন আমরা ব্যবহার করতাম।নতুন গাড়ি যুক্ত হলে পরিবহনে আমাদের যে সমস্যা ছিল আশা করি তা আর হবে না। ই-কমার্সের ডেলিভারিতে আমাদের ১০০% সফলতা লাভ করতে হবে। এর আগের দিন যে ১১টি অফিসে ই-কমার্স ডেলিভারি নেয়া হবে তাদের ৫০ জন কর্মীকে প্রশিক্ষণ প্রদান শুরু হয়েছে। আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে এই ই-কমার্স নিয়ে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যাব। ”

এরপরে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম পোস্ট ই-কমার্স সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ই-ক্যাব এর অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হক, ডিরেক্টর(গভর্ণমেন্ট অ্যাফেয়ার্স) মোঃ আরিফুল হাই রাজীব, এবং ডিরেক্টর(কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স) নাছিমা আক্তার।

Comments

comments

No Comments

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *