ক্ষতি সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে ফ্লিপকার্ট

907

এর আগে আমি ফ্লিপকার্ট নিয়ে ব্লগে একটি বিস্তারিত পোস্ট দিয়েছি। আজকে আরেকটি পোস্ট দিচ্ছি। এই পোস্টে আমি ফ্লিপকার্ট ভারতে তাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্যে কি করছে তা নিয়ে আলোচনা করব।

আলোচনা শুরু করার আগে ২০১৬ সালে ভারতের ই-কমার্স নিয়ে একটু সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা যাক।২০১৬ সালে ১২৫ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারতে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু অনলাইনে কেনাকাটায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয় নি। ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞদের ধারণা মতে, ২০১৬ সালে দেশটির অনলাইন রিটেইলের পরিমাণ ছিল ১৪-১৪.৫ বিলিয়ন ডলার।

রেডশিয়ার ম্যানেজমেন্ট কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেড এর মতে গত বছরে ভারতীয়রা অনলাইনে ১৪ বিলিয়ন ডলারের কেনাকাটা করেছে। বিশেষজ্ঞরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে ২০২০ সাল নাগাদ ভারতের ই-কমার্স বাজার ৬০ বিলিয়ন থেকে ১০০ বিলিয়ন হবে। এ ধরণের পূর্বাভাসের কারণে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ভারতের অনেক প্রতিষ্ঠান ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন স্টার্ট-আপে বিনিয়োগ করেছিল কিন্তু ২০১৬ তে ই-কমার্স বাজারের অবস্থা দেখে এখন অনেকে সন্দেহ পোষণ করছেন যে ভারতের ই-ই-কমার্সের এ ধরণের প্রবৃদ্ধি আদৌ হবে কিনা।

আর তাই বিনিয়োগকারীরাও এখন নড়েচড়ে বসেছেন। তারা প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাপ দিচ্ছেন খরচ কমাতে এবং লস কমাতে।এতদিন পর্যন্ত যেটা হয়ে আসছিল যে ফ্লিপকার্ট, স্ন্যাপডিল, বাজার ধরার জন্যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে উচু ডিসকাউন্টে লস দিয়ে পণ্য বিক্রী করছিল। কিছু পরিসংখ্যান দেই-

  • ২০১৪-২০১৫ (মার্চ ২০১৪ থেকে মার্চ ২০১৫ অর্থবছর গণনা করা হয়েছে) অর্থ বছরে অ্যামাজন ইন্ডিয়া, ফ্লিপকার্ট, এবং স্ন্যাপডিল সমন্বিতভাবে ৫,০৫২ কোটি রুপি লস দিয়েছে।
  • ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে অ্যামাজন ইন্ডিয়ার নেট লস এর পরিমাণ ১৭২৪ কোটি রুপি। তবে ওই একই সময়ে অ্যামাজন ইন্ডিয়ার সেলার সার্ভিস এর আওতায় বিক্রী ৬ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ১০২২ কোটি রুপি হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে সেলার সার্ভিস এর বিক্রীর পরিমাণ ছিল ১৬৯ কোটি রুপি। এর আগের বছরে অ্যামাজন ইন্ডিয়ার নেট লস এর পরিমাণ ছিল ৩২১কোটি রুপি।
  • ফ্লিপকার্ট ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে ২০০০ কোটি রুপি লস দিয়েছে। ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে এর লসের পরিমাণ ছিল ৭১৫ কোটি রুপি।
  • ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে স্ন্যাপডিল লস করে ১৩২৮ কোটি রুপি।

graph

এরপরে এপ্রিল মাসে একটি বড় ধাক্কা আসে যখন ভারত সরকার ভারতের অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিনিয়োগ সম্পর্কিত নতুন আইন জারি করল। গত বছরের এপ্রিল মাসের ১১ তারিখে ভারতের ডিপার্টমেন্ট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি অ্যান্ড প্রমোশন (ডিআইপিপি)অনলাইন মার্কেটপ্লেসে শতভাগ বিদেশী বিনিয়োগের আদেশ প্রদান করেছে তবে এর সাথে বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেয় যার মধ্যে অন্যতম ছিল যে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো নিজে থেকে ডিসকাউন্ট প্রদান করতে পারবে না। মার্কেটপ্লেস এর সেলাররা পণ্যের উপরে ডিসকাউন্ট দিতে পারবে। মার্কেটপ্লেসের কাজ হবে শুধুমাত্র ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সংযোগ ঘটিয়ে দেয়া।

দ্বিতীয় বড় ধাক্কাটা আসে ৮ নভেম্বর যখন ভারত সরকার দেশটিতে ৫০০ এবং ১০০০ রুপির নোট বাতিল করে দেয়। (এটা নিয়েও আমি ই-ক্যাব ব্লগে বিস্তারিত পোস্ট দিয়েছি সেটা পড়ে দেখতে পারেন- http://blog.e-cab.net/ভারতে-রাতারাতি-জনপ্রিয়-হ/)ভারতের ই-কমার্সের বড় অংশ এখনো ক্যাশ-অন-ডেলিভারি মোডে সম্পাদিত হয়ে থাকে। তাই এই ঘোষণা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলোর ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে রুপি বাতিলের এই প্রভাব আগামী মাসের এপ্রিল মে মাস পর্যন্ত বজায় থাকবে।

ঘুরে দাঁড়াবার চেষ্টা:

২০১৬ সালে বিন্নী বানসাল ফ্লিপকার্ট এর সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেবার পরে তার প্রথম কাজ ছিল ফ্লিপকার্টের খরচের পরিমাণ কমিয়ে আনা। তা করার জন্যে বিন্নী বানসাল ফ্লিপকার্ট ফ্লিপকার্ট এর অনেক অফিস বন্ধ করে দেন। ২০১৫ সালে ফ্লিপকার্ট ছিল ভারতের সবচেয়ে দামী স্টার্ট-আপ ঐ সময়ে ফ্লিপকার্ট গুগল, ম্যাককিনসি অ্যান্ড কো সহ বিভিন্ন নামীদামী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের কোটি কোটি টাকা দিয়ে তারা তাদের প্রতিষ্ঠানে চাকুরি দিয়েছিল। এদের অনেকেই গতবছরের জুলাইতে ফ্লিপকার্ট ছেড়ে চলে যান। ঐ একই সময়ে ফ্লিপকার্ট আরো ৭০০-১০০০ কর্মীকে ছাঁটাই করে।

এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধতে থাকে। কিন্তু ফ্লিপকার্ট এর টপ ম্যানেজমেন্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ফ্লিপকার্ট প্রতিমাসে তার কর্মচারীদের নিয়ে মিটিং করে থাকে।আগে থেকে কর্মচারীরা তাদের নাম প্রকাশ না করে মিটিং-এ আলোচনার জন্যে প্রশ্ন দেয়। এসব প্রশ্নের মধ্যে থেকে ভোটের মাধ্যমে বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির টপ ম্যানেজমেন্ট কর্মচারীদের কাছে উত্তর দেয়।

জুলাই মাসের ছাঁটাই এর পরে আগস্টের ১৯ তারিখে এরকম একটি মিটিং-এ শচীন বানসাল ফ্লিপকার্টের কর্মচারীদের সামনে তাঁর ভুল স্বীকার করেন। তিনি কর্মচারীদের বলেন যে খারাপ পারফরম্যান্স এর জন্যে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না এমনকি টপ ম্যানেজমেন্টকে ও না। তাঁর সিদ্ধান্তের কারণে ফ্লিপকার্টের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাই তাকেও সিইও থেকে সরে যেতে হয়েছে।

শচীন বানসাল ফ্লিপকার্টের সিইও থাকাকালীন ফ্লিপকার্টকে পুরোপুরি একটি টেকনোলজি প্ল্যাটফর্মে পরিণত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি চেয়েছিলেন যে ফ্লিপকার্ট মোবাইল-অনলি হবে এবং সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে ফ্লিপকার্ট এর মোবাইল ওয়েবসাইট এবং ডেস্কটপ ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেবার সিদ্ধান্ত নেন যার ফলে অ্যামাজন ইন্ডিয়া তখন ডেস্কটপ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ওয়েবসাইটের মার্কেট দখল করে নেয়।

ফ্লিপকার্টের অন্যতম বড় শক্তি ছিল কাস্টমার সার্ভিস। শচীন ফ্লিপকার্টের লজিসটিক্স এবং ডেলিভারি অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে আউটসোর্স করে দেন যার ফলে ফ্লিপকার্টের কাস্টমার সার্ভিসের সুনাম ব্যাহত হয় এবং তাদের ব্যবসায় ক্ষতি হয়।

আগস্ট ১৯, ২০১৬ এর মির্টিং-এ ফ্লিপকার্টের একজিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে শচীন ফ্লিপকার্টের কর্মকর্তাদের কাছে এসব ভুল স্বীকার করেন এবং তাদের আশ্বস্ত করেন।

জুন মাসে ফ্লিপকার্টের বিক্রয় বিভাগের নতুন প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন কল্যাণ কৃষ্ণমূর্তি। ফ্লিপকার্টের প্রধান বিনিয়োগকারী টাইগার গ্লোবাল কৃষ্ণমূর্তিকে নিয়োগ দেয় ফ্লিপকার্টের  অবস্থা ফেরানোর জন্যে। বিন্নী ও কৃষ্ণমূর্তির নেতৃত্বে ফ্লিপকার্টের ডেলিভারি এবং সার্ভিস উন্নত করে।

বিন্নী বানসাল বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসেন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক পারফরম্যান্স পরিমাপ। সাধারণত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রস মার্চেন্ডাইজ ভ্যালু (জিএমভি) এর মাধ্যমে তাদের পারফরম্যান্স নির্ণয় করে থাকে। একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নির্দিষ্ট সময়ে কত পরিমাণ পণ্য বিক্রী হলো সেটাই জিএমভি। জিএমভি এর বদলে বিন্নী বানসাল নেট প্রমোটার্স স্কোর (এনপিএস)ব্যবহার শুরু করেন। প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের কতটা সন্তুষ্টি দিতে পারল সেটা দিয়েই এনপিএস পরিমাপ করা হয়।

২০০৭ সালে ফ্লিপকার্ট যখন ব্যবসা শুরু করে তখন তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল দ্রুত ডেলিভারি এবং কাস্টমার সার্ভিস। মাঝখানে ফ্লিপকার্টের ডেলিভারি এবং কাস্টমার সার্ভিসের মান পড়ে যায়। বিন্নী বানসাল এ দুটি ব্যাপারে জোর দেন। ফ্লিপকার্টের লজিসটিক্স প্রতিষ্ঠান ই-কার্ট এর মাধ্যমে ডেলিভারি প্রদান শুরু করেন। দ্রুত ডেলিভারি প্রদানের জন্যে যাত্রাপথ পরিকল্পনা (Route Planning) এবং ক্রেতার নিকটতম স্থানে পণ্য ডেলিভারি শুরু করে ফ্লিপকার্ট।

এরই ফলশ্রুতিতে গতবছরের জুনমাস থেকে ফ্লিপকার্টের পণ্য ডেলিভারিতে ব্যাপক উন্নতি ঘটে। গড় ডেলিভারি টাইম পাঁচদিনের নীচে নেমে আসে।

1472415349-4145

ভারতে অনলাইনে কমদামী এবং কিন্তু উন্নতমানের স্মার্টফোন বিক্রী করে ফ্লিপকার্ট দারুণ সাফল্য লাভ করে। গত বছরের অক্টোবরের বিগ বিলিয়ন ডে সেলস ফেস্টিভ্যালে ফ্লিপকার্ট সেই পন্থাই অনুসরণ করে। এছাড়া ফ্লিপকার্টে বিগ টিকেট আইটেম (টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, দামী স্মার্টফোন) এর বিক্রী বাড়াতে বিন্নী বানসাল বাজাজ ফিনসার্ভ এর সাথে মিলে ইকুয়েটেড মান্থলি ইনসটলমেন্ট (ইএম্আই) অর্থাৎ ফ্লিপকার্ট থেকে ৩-১২ মাসের কিস্তিতে পণ্য কেনার স্কীম চালু করেন। আরেকটি স্কীম বিন্নী চালু করেন তা হচ্ছে প্রডাক্ট এক্সচেঞ্জ স্কীম। পুরানো পণ্য জমা দিয়ে নতুন পণ্য ক্রয়।

এসবের ফলশ্রুতিতে ফ্লিপকার্ট অক্টোবর মাসে সফল একটি বিগ বিলিয়ন ডে সল উদযাপন করে।

গত বছরে ফ্লিপকার্ট অ্যামাজন প্রাইম এর মতো তাদের নিজস্ব কাস্টমার লয়াল্টি সার্ভিস চালু করেছে। এ সার্ভিসের নাম Assured। এ প্রোগ্রামের যারা রেজিস্ট্রার করবে ফ্লিপকার্ট তাদের দ্রুত ডেলিভারি, সহ আরো নানা ধরণের উন্নত কাস্টমার সার্ভিস প্রদান করবে।

তবে অ্যামাজন প্রাইমের সদস্যদের বছরে ১০০ ডলার সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হয়। অ্যাসিউর্ড এর সদস্যদের এরকম কোন সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হবে না।

ফ্লিপকার্ট অ্যাসিউর্ড সদস্যরা ফ্লিপকার্টে ৫০০ রুপির বেশি অর্ডার দিলে দুই থেকে চারদিনের মধ্যে ডেলিভারি প্রদান করা হবে।

এর আগে ২০১৪ সালে ফ্লিপকার্ট ফার্স্ট নামে আরেকটি প্রোগ্রাম চালু করা হয় যেখানে সদস্যদের বছরে ৫০০ রুপি সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হতো কিন্ত একবছর পরে তা বন্ধ করে দেয়া হয়।

২০১৭-তে ফ্লিপকার্ট:

২০১৭ সাল ফ্লিপকার্ট এর জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর হবে। কল্যাণ কৃষ্ণমূর্তি এখন ফ্লিপকার্টের নতুন সিইও। অ্যামাজন ইন্ডিয়ার সাথে প্রতিযোগিতা করার জন্যে ফ্লিপকার্ট নতুন পরিকল্পনা তৈরি করছে।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ফ্লিপকার্ট তাদের ফ্যাশন পোর্টাল মিন্ত্রার বাজেট এ বছর কমিয়ে আনবে এবং বড় অংশ ফ্লিপকার্টের পিছনে খরচ করবে। তবে ফ্লিপকার্ট এবং মিন্ত্রা এই বাজেট কম করার কথা অস্বীকার করেছে। তবে অন্য সূত্র থেকে বলা হচ্ছে যে মিন্ত্রার বাজেট ১০% কমিয়ে আনা হবে।

gfx2

এছাড়া ফ্লিপকার্ট তাদের বিজ্ঞাপন এবং ডিসকাউন্ট এর পরিমাণ কমিয়ে দেবে। তারা তাদের ব্যবসাতে আরো টাকা ঢালবে।

বিগত দুই বছরে ফ্লিপকার্ট এক বিলিয়ন ডলারের বেশি ফাণ্ড যোগাড় করেছে। গত বছরের অক্টোবরে রয়টার্স খবর প্রকাশ করে যে ওয়ালমার্ট স্টোরের থেকে ফ্লিপকার্ট নতুন বিনিয়োগের ব্যাপারে কথা বলছে।ওয়ালমার্ট ৭৫০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন ডলারে ফান্ড দেবে।

ডেলিভারি পার্সনদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ:

গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখে ফ্লিপকার্ট এর এক ডেলিভারি পার্সনের মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়। ২৯ বছর বয়সী নানজুদা সোয়ামী (Nanjunda Swamy) স্মার্টফোন ডেলিভারি দিচ্ছিলেন এ সময় সেই ফোনের অর্ডার প্রদানকারী তাকে মেরে ফেলেন। নানজুদার মৃত্যুর কথা মাথায় রেখে সম্প্রতি ফ্লিপকার্ট তাদের ডেলিভারি পার্সনদের নিরাপত্তার জন্যে নানজুদা প্রজেক্ট চালু করেছে। এই প্রজেক্টের আওতায় ফ্লিপকার্ট এর ডেলিভারি পার্সনদের ফোনে একটি অ্যাপ থাকবে এবং সেই অ্যাপ-এ একটি ইমার্জেন্সি বাটন ইন্সটল করা আছে নানজুদা নামে। যে কোন সমস্যা হলে এই অ্যাপ্লিকেশন চালু করে নানজুদা বাটনে চাপ দিলে ফ্লিপকার্টের নিকটবর্তী হাব-ইন-চার্জ এর কাছে এস এম এস, ইমেইল চলে যাবে। এই অ্যাপ্লিকেশনটি মোবাইল নেটওয়ার্কে কাজ করবে।

এখন দেখা যাক ২০১৭ সালে ফ্লিপকার্ট কি করে।

লেখক: এস এম মেহদী হাসান

ফ্লিপকার্ট নিয়ে লেখা আমার আগের পোস্টের লিঙ্ক:

http://blog.e-cab.net/ফ্লিপকার্ট-ভারতের-এক-নম্/

সূত্র:

দ্যা ইকনোমিক টাইমস (১)

দ্যা ইকনোমিক টাইমস (২)

দ্যা ইকনোমিক টাইমস (৩)

দ্যা ইকনোমিক টাইমস (৪)

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (১)

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (২)

লাইভমিন্ট

টাইমস অব ইন্ডিয়া (১)

দ্যা হেরাল্ড

গ্যাজেটস নাউ

ফর্চুন ডট কম

 

 

 

 

Comments

comments

No Comments

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *