Keenlayjobs

ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপঃ বিনোদন নাকি ব্যবসার সুযোগ?

440

বর্তমানে বাংলাদেশে ফেইসবুক সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ২০১৪ সালের এক পরিসংখ্যান অনুসারে বাংলাদেশে ফেইসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে যার মধ্যে প্রায় ৮০% পুরুষ এবং ২০% মহিলা। ফেইসবুকের এই জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে অনেক ছোট ছোট নারী ও পুরুষ উদ্যোক্তা ফেইসবুক পেইজ খুলে সেখান থেকে পণ্যও বিক্রী করছেন যা বাংলাদেশে ফেইসবুক কমার্স বা এফ কমার্স নামে পরিচিত। ই-ক্যাব এর ভাষ্যমতে বর্তমানে বাংলাদেশে এরকম আট হাজার পেইজ রয়েছে।

ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের সিংহভাগের বয়স ৪০ এর নীচে তারা ফেইসবুকে ছবি, আর্টিকেল, ভিডিও, অডিও সহ বিভিন্ন বিষয় একে অন্যের সাথে শেয়ার করে। প্রতিদিন বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ লোক ফেইসবুক ব্যবহার করছে। সোজা কথায় বলতে গেলে ফেইসবুক বাংলাদেশের তরুণদের জন্যে একটি বড় বিনোদনের জায়গা।

কিন্তু এই বিনোদনের মাধ্যমটিই দেশের ই-কমার্স সেক্টরের উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। হ্যা, আমি ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের কথা বলছি। বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে সক্রিয় ফেইসবুক গ্রুপের নাম নিতে হলে প্রথম পাঁচে অবশ্যই ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের নাম থাকবে।

ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ তৈরির উদ্দেশ্য:

ই-কমার্স সেক্টরটি মূলত তারুণ্য নির্ভর একটি সেক্টর। বাংলাদেশে যারা বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা করছেন তাদের প্রায় সবারই বয়স ৪০ এর নীচে। এই তরুণরা স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ইন্টারনেট ব্যবহার করতে অভ্যস্ত এবং ই-কমার্স সম্পর্কে তারা অত্যন্ত উৎসাহী। একই ভাবে দেশের অনলাইন ক্রেতারা সবাই বয়সে তরুণ। তারা ই-কমার্সের মূল্য বোঝেন এবং অনলাইনে পণ্য ক্রয় করতে আগ্রহী। এইসব তরুণ-তরুণীরা সবাই ফেইসবুক ব্যবহার করে থাকেন। এই বিশাল সংখ্যক তরুণ-তরুণীদের একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা এবং সবাইকে নিয়ে একযোগে ই-কমার্সের উন্নয়নে কাজ করে যাবার লক্ষ্য নিয়েই ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ তৈরি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাকাল এবং সদস্য সংখ্যা :

URL: www.facebook.com/groups/eeCAB/?ref=bookmarks

২০১৪ এর অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের যাত্রা শুরু হয়। এই পোস্টটি যখন লিখছি তখন এই গ্রুপের সংখ্যা ৬৪,৫৭৫ জন।

কারা এই গ্রুপের সদস্য?

কেবল মাত্র ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাব এর সদস্য হতে পারে কিন্তু ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপে সেরকম কোন বাধ্য-বাধকতা নেই। যে কেউ এই গ্রুপের সদস্য হতে পারেন। এই গ্রুপের ৬৪ হাজার সদস্যদের মধ্যে ই-কমার্স ব্যবসায়ী, ই-ক্যাব এর সদস্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ, ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞ, ই-কমার্স প্রফেশনাল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী, প্রবাসী বাংলাদেশী, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবি, গৃহিণী, সহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ আছেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে- এই ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ কিভাবে ভূমিকা রেখেছে ই-কমার্সের উন্নয়নে? এই প্রশ্নের উত্তর যদি দিতে হয় তাহলে বিশাল উপন্যাস লেখা যায় কিন্তু এখানে সংক্ষেপে কিছুটা তুলে দিচ্ছি-

  • ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর প্রাথমিক অবস্থায় অ্যাসোসিয়েশনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং এই অ্যাসোসিয়েশন এর কথা মানুষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ বিশাল ভূমিকা পালন করেছে।
  • ই-ক্যাব এর বিভিন্ন ইভেন্ট বা যে কোন ধরণের প্রচারের ক্ষেত্রে এই গ্রুপ দারুণ ভূমিকা রাখে কারণ এখানে সবাই ই-কমার্স নিয়ে কথা বলেন।
  • এছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অনেক তরুণ-তরুণী যারা ই-কমার্স সম্পর্কে জানতে চায় এবং ই-কমার্স করতে আগ্রহী তারা এই গ্রুপের থেকে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারেন। অনেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এই গ্রুপে এবং অনেকে উত্তর দেন।
  • দেশীয় ই-কমার্স সেক্টরের বিভিন্ন ধরণের সমস্যা, বিভিন্ন ঘটনা সহ নানা বিষয় নিয়ে এই গ্রুপে অনেক পোস্ট আসে এবং কমেন্ট সেকশনেও স্বতঃস্ফুর্ত আলোচনা হয়।
  • দেশের ও বিশ্বের বিভিন্ন ই-কমার্সের বিভিন্ন খবর, আর্টিকেল, ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় এই গ্রুপে শেয়ার করা হয়।
  • ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে যারা আছেন তাদের একে অন্যের সাথে পরিচিতি গড়ে তুলতে এই গ্রুপ সত্যিই তুলনাহীন।

এবার আসল প্রশ্নে আসা যাক- ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপকে কিভাবে একজন ই-কমার্স বা এফ-কমার্স ব্যবসায়ী তার ব্যবসার উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারেন? এই প্রশ্নের উত্তরে আমি এখন ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের বিভিন্ন পোস্ট উদাহারণ হিসেবে ব্যবহার করব। এই পোস্টগুলো আমি ৫ জানুয়ারি ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করেছি। পোস্টদাতাদের নাম এবং পোস্টের ভিতরে বিভিন্ন ব্যক্তি বা ই-কমার্স কোম্পানির নামগুলো সঙ্গত কারণেই সরিয়ে দিয়েছি। আমার এ পোস্ট কাউকে আক্রমণ বা বদনাম করার জন্যে নয়।

উল্লেখ্য যে, যেসব প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাব এর সদস্য এবং ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপেও আছে তারা এই পোস্টে উল্লেখিত পন্থা গুলো খুব ভালভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের মধ্যেই ব্যবসা বাড়াতে পারে। আবার অনেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এমনও আছেন যারা ই-ক্যাব এর সদস্য নয় কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ ফলো করেন। তারাও এগুলো কাজে লাগাতে পারেন।

এই গ্রুপে কেন সময় দেন? কি জন্য আসেন?

এই প্রশ্নের উত্তরে ১০০ এর বেশি কমেন্ট এসেছে এবং বেশির ভাগের উত্তর হচ্ছে তারা ই-কমার্স সম্পর্কে জানতে এবং শিখতে এই গ্রুপে আসেন। অনেকেই লিখেছেন নতুন আইডিয়া সম্পর্কে জানতে পারেন এবং তাদের এই গ্রুপ ভাল লাগে।

আরেকটি পোস্ট-

এই গ্রুপে কে কে লেখাপড়া করছেন এবং কোথায়?

পাঁচশ’র বেশি লোক এই পোস্টে কমেন্ট করেছেন।

৪ জানুয়ারি আরেকটি পোস্ট-

প্রবাস থেকে মানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যারা ই-ক্যাব গ্রুপের পোস্ট গুলো পড়েন তাদের অনেক ধন্যবাদ।

এই পোস্টে ২৩টি কমেন্ট এবং ২৩৭টি লাইক পড়েছে। অনেকেই বলেছেন যে বিদেশ থেকে তারা এই গ্রুপে নিয়মিত ভিজিট করেন এবং পোস্টগুলো পড়েন। অনেকের এই পোস্টগুলো পড়ে ভাল লাগে।

ডিসেম্বরের ২৮ তারিখের একটি পোস্ট-

এই গ্রুপে নিয়মিত পোস্ট পড়েন কিন্তু ই-ক্যাব মেম্বার নন এমন যারা আছেন কমেন্ট করেন।

এই পোস্টে ২৪০০ লাইক এসেছে এবং ২,১৩৮ জন কমেন্ট করেছেন।

৪ জানুয়ারি আরেকজন পোস্ট করেন-

অনলাইন থেকে কিনেছেন এমন কিছু পন্যের নাম লিখুন অথবা অনলাইনে কি কি খুজছেন???

আমার উত্তর কমেন্টে

এই পোস্টে ৪৮টি লাইক এসেছে এবং ২১ জন কমেন্ট করেছেন

৩ জানুয়ারিতে একজন পোস্ট দিয়েছেন-

কে কত সাল থেকে ব্যবসা করছেন?

এই পোস্টে ৯০ জন কমেন্ট করেছেন।

২ জানুয়ারিতে একজন পোস্ট করেছেন-

কার দেশের বাড়ী কোথায় সেখানে কি কি জিনিস বিখ্যাত?

এই পোস্টে ৮০ জন কমেন্ট করেছে। অনেকেই অনেক ধরণের পণ্য সাপ্লাই দেবার কথা বলেছেন।

৩ জানুয়ারি আরেকজন পোস্ট দিয়েছেন –

নীল আমার অনেক প্রিয় রঙ আপনার প্রিয় রঙ কি??

৫০ জন এই পোস্টে কমেন্ট দিয়েছেন।

যখনি কোন প্রতিষ্ঠান তাদের নতুন পণ্য বা সেবা বাজারে ছাড়তে যায় তখন তারা মার্কেট স্টাডি করে। উক্ত পণ্যের বা সেবার চাহিদা, সম্ভাব্য ক্রেতা কারা, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড, তাদের কি পছন্দ এসব তথ্য কিন্তু জরিপ সহ বিভিন্ন উপায়ে সংগ্রহ করে থাকেন। এখন উপরে এই যে আমি পোস্ট গুলো দিলাম এখান থেকেই কিন্তু একজন চাইলে মাথা খাটিয়ে বেশ কিছু জিনিস বের করে নিতে পারে-

এই গ্রুপে কি ধরণের মানুষ আসে?

তারা কি জন্যে আসে?

তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কি?

তাদের দেশের বাড়ি কোথায়?

তাদের মধ্যে প্রবাসী কারা?

তাদের মধ্যে কারা ব্যবসা করছে?

তাদের মধ্যে ই-ক্যাব এর সাথে যুক্ত নন এমন লোকের সংখ্যা কত?

এই গ্রুপের সদস্যরা যারা অনলাইনে পণ্য ক্রয় করেছেন তারা কি ধরণের পণ্য ক্রয় করেছেন?

তাদের প্রিয় রঙ কি?

এই যে তথ্যগুলো এগুলো কাজে লাগিয়ে একজন ব্যবসায়ী বিভিন্ন ভাবে এই গ্রুপ থেকেই তাঁর সম্ভাব্য কাস্টমার এই গ্রুপ থেকেই খুঁজে বের করে নিতে পারেন। অর্থাৎ এই গ্রুপে চাইলেই একজন ই-কমার্স ব্যবসায়ী তার সম্ভাব্য ক্রেতা খুঁজে পেতে পারেন।

বা ই-কমার্স এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবা যারা প্রদান করছেন তারা তাদের সম্ভাব্য কাস্টমার খুঁজে নিতে পারেন।

এখন কথা হলো এই গ্রুপকে কে কেউ তার ব্যবসার জন্যে কাজে লাগান? উত্তর হলো ‘হ্যা’ এমন লোকও আছেন। তিনি ই-ক্যাব এর সদস্য এবং একজন প্রতিষ্ঠিত ই-কমার্স ব্যবসায়ী। । ৫ জানুয়ারি তিনি একটি পোস্ট দেন-

একটা সেক্রেট শেয়ার করি-

অনেকেই দেখি গ্রুপে পোস্ট দেন অল্প টাকা দিয়ে কিভাবে বিজনেস শুরু করবেন বা কি প্রোডাক্ট দিয়ে শুরু করা যায়।

এর সহজ উত্তর কিন্তু খুব কঠিন।

তবে একটু ভিন্ন ভাবে ভাবুন- যেমন আপনি চাইলে এই গ্রুপের মধ্যেই আপনার কাস্টমার খুজে নিতে পারেন (তবে দয়া করে কেউ পোষ্টে পোস্টে লিংক দিয়ে ব্যান খাবেন না)। একটু স্টাডি করে বের করুন এই গ্রুপের কি কি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস দরকার (গত ১০ দিনের পোস্ট থেকেই হয়তো অন্তত একটি প্রোডাক্ট পেয়ে যাবেন)- সেই প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আপনি সুলভ মুল্ল্যে এবং বিশ্বস্ততার সাথে দিতে পারলে অল্প টাকাতেই ভালো করার সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি।   

পরে কমেন্ট সেকশনে তিনি নিজেই বলেছেন “আমি নিজেও এই কাজ টি করি। প্রতি মাসেই কিছু না কিছু নতুন জিনিশ হান্ট করি এই গ্রুপ থেকে।”

৪ জানুয়ারি একজন পোস্ট দিয়েছেন-

ইকমার্স মার্কেটিং এর জন্য সবাই ফেজবুক ব্যাবহার করেন। আছেন কোন বুদ্ধিমান ভাই যিনি #ইন্সাগ্রাম বা #টুইটার ব্যাবহার করেন।

যারা করেন না, কেন করেন না? কিছু কি বুঝতে প্রবলেম হচ্ছে, নাকি ফলোয়ার বাড়াতে পারতাছেন না?

//ধন্যবাদ

আমরা সবাই জানি যে বাংলাদেশে ফেইসবুক সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। কিন্তু আরো নানা ধরণের সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম আছে যেগুলো অনেকেই ব্যবহার করে থাকে। ফেইসবুকের তুলনায় সেগুলোর ব্যবহারকারীর সংখ্যা হয়তো কম কিন্তু তাদেরকেও টার্গেট করা যেতে পারে। শুধুমাত্র ফেইসবুকে মার্কেটিং এর পিছনে খরচ না করে যারা টুইটার, ইন্সটাগ্রাম বা অন্য প্ল্যাটফর্মেও তাদের পণ্য ও সেবাকে তুলে ধরতে আগ্রহী তারা এই পোস্টে তাদের চিন্তা-ভাবনা ইত্যাদি শেয়ার করছেন।

৪ জানুয়ারির আরেকটি পোস্ট

গভীর রাতের ও সিরিয়াস পোষ্ট 🙂

৪/৫ বার ব্যার্থতা আমার জমানো টাকা আর সময় নিয়েছে ঠিকই ।

কিন্তু দিয়েছে চরম কিছু অভিজ্ঞতা , যা পরের বার ঝামেলা করবে না

আপনাদের কি অবশতা ?

আপনি ব্যবসা করতে হলে মানুষের সাথে মিশতে হবে চলতে হবে। মানুষ চেনা খুবই জরুরি। তাই এই পোস্ট থেকে কিছুটা হলেও জানতে পারবেন কে কেমন? এই জ্ঞানেরও দরকার আছে।

ই-কমার্সের আপওয়ার্ক ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ:

যারা ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং করেন তাদের জন্যে আপওয়ার্ক যেরকম। ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের জন্যেও আপওয়ার্কের কাজ করে। ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপে অনেকে অনেক ধরণের পণ্য এমনকি সেবাও খুঁজে থাকেন। এখান থেকেই আপনি আপনার ব্যবসার কাস্টমার তৈরি করতে পারেন এবং এই প্রক্রিয়ায় সুবিধা হলো একবার যদি কোন ক্লায়েন্ট আপনার পণ্য বা সার্ভিসে খুশি হয়ে এই গ্রুপে আপনার সম্পর্কে ভাল ফিডব্যাক দেয় সেটা পড়ে আরো দশজন আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

৩জানুয়ারির পোস্ট-

একটি জুয়েলারী ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানীর জন্য লোগো আবশ্যক, যদি দক্ষ কেউ থাকেন দয়া করে নিম্নে ই-মেল এ যোগাযোগ করার অনুরোধ থাকলো ধন্যবাদ, নাম এবং মোবাইল নং অব্যশই উল্লেখ করবেন, ইমেল হলে সবচেয়ে ভাল

Info@xxxxxxx.xxx

৪ জানুয়ারির পোস্ট-

Good Day Every body,

I need a logo for my shop. Please help me how to get this logo and if anybody interest to do this make logo pls inbox me. Thanks you all

৪ জানুয়ারির আরেকটি পোস্ট

1

এমন আইস বক্স কে সাফ্লাই করেন দয়া করে ইনবক্স এ জানান।

৪ জানুয়ারির আরেকটি পোস্ট

2

Amon tag k koto kom dam a baniye dite parben?

৪ জানুয়ারির আরেকটি পোস্ট-

আমি একটি ই কমার্স. প্রজেক্ট চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছি.. আমার প্রোডাক্ট হবে ছেলেদের ও মেয়েদের পোশাক ও মেয়েদের কসমেটিক্স. নিয়ে.

এখন বিষয় হচ্ছে কসমেটিক্স এর কোন ব্যাবসায়ী আছেন এখানে কেউ যাদের আমি অর্ডার কাস্টমার থেকে নিয়ে দিলে তাদের নিকট পন্য ডেলিভারী দিতে পারবেন?

৪ জানুয়ারি-

Anyone can help me to active my page n group plz?

There are lots of people joining everyday. But sale isn’t sufficient.

Thanks in advance

ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের কাছে পণ্য বিক্রী

আবার অনেক হোলসেলার বা সাপ্লায়ার এমন আছেন যে তারা তাদের পণ্য বিভিন্ন ই-কমার্স কোম্পানির কাছে বিক্রী করতে চান। তারাও পোস্ট দেন। কয়েকটি উদাহারণ দিলাম-

৩ জানুয়ারির একটি পোস্ট-

3

Leather shoes

Supply dite chai showroom ow online store ke

Also can support and supply your own BRAND!!

inbox also can call 018XXXXXXX (2pm – 9pm)

Only serious buyers contact korben, 50% advance payment, and we want to see new brands in footwear market, this year we are keeping low profit for new brands to rise, short quantity order, low investment is possible

৫ জানুয়ারি আরেকটি পোস্ট আসে-

কে কে অনলাইন শপিং সাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট কিনতে আগ্রহী?

৮৭ জন এখানে কমেন্ট করে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অনেকে ফোন নম্বরও দিয়ে দিয়েছে।

বিভিন্ন ধরণের তথ্য, সমস্যা, আলোচনা-  

বিভিন্ন ই-কমার্স ব্যবসায়ী তাদের সমস্যা নিয়ে পোস্ট দেয়। ফেইসবুকে প্রমোশন সম্পর্কিত সমস্যার প্রচুর পোস্ট আসে। অনেকে পরামর্শ চেয়ে থাকেন বিভিন্ন বিষয়ে। এখানে আমি এরকম বেশ কয়েকটি উদাহারণ দিলাম-

৪ জানুয়ারি

“পোস্ট বুস্ট করা ” আর “পোস্ট প্রমোট করা ” এই দুইয়ের মধ্যে পার্থ্যক্য কি ? কে বলতে পারেন ?

৪ জানুয়ারি

অনলাইন এ মেয়েদের কোন আইটেম টা বেশি বিক্রয় হয়।

১)পোষাক আইটেম

২)কসমেটিকস আইটেম

৩)জুয়েলারি আইটেম

৪)জুতা

৫)আন্ডার গার্মেন্টস

৬)হিজাব ও বোরকা

৭)লেডিজ ব্যাগ

ক্রেতা বিক্রেতা সবার মতামত কাম্য

৩ জানুয়ারি

গ্রুপে অভিজ্ঞ যারা আছেন তাদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইছি স্বল্প পুঁজিতে কোন ধরণের ব্যবসা করা যায়?

#পুঁজি ৩০০০০০ টাকা।

৪ জানুয়ারি

আমরা কাস্টমার রা অনলাইন কোম্পানি থেকেই অনেক কিছুই কিনে থাকি। অনেক পণ্য আছে যে গুলা কিনতে হলে আগে বিকাশ পেমেন্ট করে দিতে হয়। নইলে অনলাইন কোম্পানি সেই পণ্য পাঠায় না। এডভান্স বিকাশ করতে হয় ভারী এবং বড় মালের ক্ষেত্রে। কিন্তু অনেক সময় দেখি, এডভান্স বিকাশ করে দেয়ার পরে কোম্পানি বলে পণ্যটা স্টক আউট। তখন টাকা টা রিফান্ড দিয়ে দিবে, এমনটা বলে। আমি যতটুকু জানি, ১৫% এডভান্স করতে হয়, XXXXX থেকে এমন দেখেছি, ওদের কে ১৫% এডভান্স দিতে হয়, আবার XXXXXXXXXX শপে তো ফুল টাকাই আগে পেমেন্ট করে দিতে হয়। ধরুন আপনি ২০০০০ টাকা আগে পেমেন্ট করে দিলেন, আপনি এই ২০০০০ টাকা দোকান থেকেই তো পেমেন্ট করবেন অথবা দোকান থেকে ২০০০০ টাকা আপনার পারসোনাল বিকাশে ক্যাশ ইন করে তারপরে আপনি পেমেন্ট করবেন। দেখুন, আপনার কিন্তু ২০০০০ টাকাই দিতে হচ্ছে । এখন , দেখা গেলো ওই পণ্যটা স্টক আউট। তখন কোম্পানি আপনাকে ওই টাকা টা রিফান্ড করে দিবে আপনার বিকাশ নাম্বারে। এখন এই টাকা টা ক্যাশ আউট করতে যাবেন, দেখবেন আপনার ৩৭০ টাকা খরচ হবে। এই যে ৩৭০ তাকার খরচ কে বহন করবে? আপনি পণ্যটা নিবেন দেখেই কিন্তু ২০০০০ টাকা অনলাইন কোম্পানিকে দিছেন পেমেন্ট করে। কিন্তু স্টক আউট, সেটা কোম্পানির সমস্যা। তাদের সমস্যার কারনে আপনি কেন এই খরচের টাকা বহন করতে হবে? নাকি অনলাইন কোম্পানির উচিত এই খরচ বহন করা? XXXXXXXXXX ভাইয়ের কাছে আমার প্রশ্ন , কোনটা সঠিক? এখানে কোম্পানির সমস্যার কারনে তারা পণ্য টা দিতে পারছে না। তাহলে এই বিকাশের খরচ তারা বহন করবে নাকি কাস্টমার বহন করবে?

৪ জানুয়ারি-

আমরা অনেকেই অভিযোগ করি– “অনলাইন থেকে পণ্য কিনে প্রতারিত হয়েছি।” কিন্তু এমনও কিছু ঘটনা ঘটে — “অনলাইনে অর্ডার নেয়ার পর নির্দিষ্ট ঠিকানায় গিয়ে সেই ব্যক্তিকে আর পাওয়া যায়না, মানে হচ্ছে- প্রতারনা বা হয়রানি করা ।”

————– এক্ষেত্রে কি করার আছে ???

৪ জানুয়ারি-

পাবনার কেউ কি আছেন যিনি ই-কমার্স ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ।

৫ জানুয়ারি-

আমি ই কমার্স বিজনেস শুরু করার জন্য কিছু দিনের মধ্যেই ব্যাংক লোন করতে যাচ্ছি,

আমি মোটামোটি অনেকদিন এই গ্রুপের ই-কমা্রস এর বিভিন্ন বিষয়, আলোচনা,মতামত,সুবিধা,অসুবিধা,ফলো করছি।

আমি কি ভুল করছি???

রাজিব ভাইয়ের দৃষ্টি অাকর্ষন করছি:)

৪ জানুয়ারি-

আসসালামু আলাইকুম,

আমি অনলাইন ব্যবসা (E-Commerce) সম্পর্কে তেমন কিছু বুঝি না। কিন্তু আমি অনলাইন ব্যবসায় খুব আগ্রহী।

গ্রুপের এডমিন সহ সকল সদস্যদের কাছে সাহায্য কামনা করছি।

৪ জানুয়ারি-

আমার একজন ছোট ভাই ঢাকা তে

* ফ্রিলান্সিং

* গ্রাফিক্স

* মার্কেটিং

*ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

এর ট্রেনিং নিতে চাচ্ছে। আপনাদের কারো কি জানা আছে কোনটি সবচেয়ে ভালো হবে। (ট্রেনিং সেন্টার)

এ ধরণের পোস্টে পোস্টদাতাদের পরামর্শ দিয়ে বা অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান শেয়ার করে নেটওয়ার্কিং করার খুবই ভাল একটি উপায়। এখান থেকেও চাইলে আপনি ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে নিতে পারেন।

অভিযোগ, সতর্কতা মূলক পোস্ট-

ই-ক্যাব গ্রুপে বিভিন্ন ধরণের অভিযোগ করেও পোস্ট আসে। আমি ইচ্ছা করেই এ ধরণের কোন পোস্টের উদাহারণ টানছি না। যেমন- টাকা নিয়ে সময় মতো পণ্য পৌছায় নি বা ত্রুটিযুক্ত পণ্য দিয়েছে ইত্যাদি। এসব পোস্ট গুলোকেও একজন ই-কমার্স ব্যবসায়ী কাজে লাগাতে পারেন। কোন ক্রেতা তার হয়রানির ঘটনা বর্ণনা দিলেন। এখন একজন ই-কমার্স ব্যবসায়ী উক্ত ক্রেতার পোস্ট পড়ে তার সাথে যোগাযোগ করে তাকে যদি সেভাবে সেবা দিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারেন তাহলে তিনি একজন নতুন ক্রেতা পাবেন। হ্যা, পুরো ব্যাপারটি অবশ্যই জটিল কিন্তু এটাই তো চ্যালেঞ্জ। আপনি যদি এই চ্যালেঞ্জকে জয় না করতে পারেন তাহলে সামনে কিভাবে এগিয়ে যাবেন?

আরেকটি কারণে আমি মনে করি এ ধরণের ক্রেতাদের এনগেইজ করা উচিত। কারণ তারা যখন ফেইসবুকে তাদের এ ধরণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন তখন সৎ ও পরিশ্রমী ই-কমার্স ব্যবসায়ীরাও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। তার বন্ধু-বান্ধব পরিচিত জনেরা পড়বেন এবং অনেকেই সেটা শেয়ার করবেন এবং এভাবে ব্যাপারটা অনেক লোকের মধ্যে ছড়িয়ে যাবে। এভাবে কিন্তু বাজার নষ্ট হবে।

৪ জানুয়ারি

সকালের ঘটনা –

xxxxx নামের এক ভাই এক্তা অর্ডার দেয়ার জন্য কমেন্ট এ নাম্বার দিয়েছিল গত রাতে, তো সকালে আমি কল করলাম ডিটেইলস জানার জন্য কিন্তু উনি যা বলল আমি তো শুনে অবাক। ওনার লোকেশান সায়দাবাদ কিন্তু কে জেন ওনাকে কল করে ফুল পেমেন্ট বিকাশ করার জন্য বলছে এবং বিকাশ না করলে নাকি মাল দেয়া যাবে না।

আমি বললাম ভাই আমি তো এই কল দিলাম আপনাকে আগে তো কথা হয়নি আপনার সাথে, আর ঢাকার ভিতরে বিকাশ কেন নিব আমরা তো ক্যাশ অন ডেলিভারি দিয়ে থাকি। ওনার কাছে নাম্বারটা ছাইলাম জেতা থেকে ওনাকে কল করে বিকাশ করতে বলা হইসে, দেখলাম আমার কোম্পানি নাম্বার না। পরে বেপারটা বুঝায় বললাম যে আপনি কমেন্ট এ নাম্বার দিয়েছনে সেটা দেখে কেও কল করে আপনাকে ঠকাতে চেয়েছিল।

আপনারা একটু সতর্ক থাকবেন। অর্ডার করার জন্য সরাসরি কল করবেন অথবা পেজ এর মেসেজ অপশন এ নাম্বার দিবেন। কোম্পানি এর নাম্বার বেতিত অন্য কোন নাম্বার থেকে কল করে বিকাশ বা এই জাতিয় কিছু করতে বললে ভুলেও করবেন না। নাম্বার পেজ এবং ওয়েবসাইট এর সাথে মিলেই দেখে নিবনে, প্রয়োজনে মেইল করবেন।      

এ ধরণের পোস্টের মাধ্যমে ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সাথে সংশ্লিষ্ট এবং অন্যান্য ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। সবাইকে সাবধান হতে সাহায্য করে এ ধরণের পোস্ট। একজন ব্যবসায়ী এ ধরণের পোস্ট দিয়ে সকলকে সচেতন করতে পারেন।

ই-ক্যাব সম্পর্কিত পোস্ট-

এসব পোস্ট ছাড়াও ই-ক্যাব এর বিভিন্ন ইভেন্টের প্রমোশন, বিভিন্ন ইভেন্টের লোক সংগ্রহ, ই-ক্যাব এর বিভিন্ন কার্যক্রমের খবর এই গ্রুপে শেয়ার করা হয়।

ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপকে কাজে লাগানোর কিছু টিপস- 

এই গ্রুপে অ্যাক্টিভ থাকুন। গ্রুপে নিয়মিত পোস্টগুলো পড়ুন। যদি পোস্ট পড়ে ভাল লাগে এবং নতুন কিছু জানতে পারেন এবং সচেতনতা বৃদ্ধি পায় বা আপনার কোন উপকার হয় তাহলে লাইক দিন, কমেন্ট করুন।

ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপে আপনার ব্যবসার সাথে যারা সম্পর্কিত তাদের সাথে কথা বলুন। উপরে আমি একটা পোস্ট শেয়ার করেছি যে কে কোন জেলার এবং সেই জেলার কি কি বিখ্যাত জিনিস আছে। আপনি একজন ই-কমার্স ব্যবসায়ী। আপনার একটি অনলাইন সাইট আছে যেখানে আপনি মিষ্টি বিক্রী করেন। ধরা যাক, আপনার বেশ কিছু ক্লায়েন্ট আছে যারা টাঙ্গাইল জেলার অধিবাসী।  এখন ওই পোস্টের থেকে আপনি টাঙ্গাইলের একজনের সাথে পরিচিত হয়ে টাঙ্গাইলের মিষ্টি কিভাবে অনলাইনে বিক্রী করা যায় সে ব্যাপারে কথা বলতে পারেন।

আপনার প্রতিষ্ঠান যদি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেবা প্রদান করে থাকে তাহলে ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপে আপনার প্রতিষ্ঠানের সেবা সম্পর্কিত পোস্ট গুলোতে নিয়মিত লাইক, কমেন্ট করুন। উদাহারণ- ধরা যাক, আপনার একটি প্রতিষ্ঠান আছে যেটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট ডিজাইন করে থাকেন। ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপে ওয়েবসাইট ডিজাইন সম্পর্কিত অনেক পোস্ট আসে। সেসব পোস্ট গুলো পড়ে যথাসাধ্য তাদের পরামর্শ দিন। সময়ে সময়ে আপনার প্রতিষ্ঠানের কাজের বিভিন্ন ভিডিও বা স্ন্যাপশট দিতে পারেন। এছাড়াও ওয়েবসাইট ডিজাইনের বিভিন্ন টপিকের উপরে তথ্যবহুল পোস্টও দিতে পারেন। এতে করে আপনি দেখাতে পারবেন যে আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইন সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন এবং আপনার প্রতিষ্ঠান এই ধরণের সেবা দিতে পারে।

আপনি নতুন নতুন একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রতিষ্ঠান খুলেছেন এবং আপনার ক্লায়েন্ট দরকার। ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের মাধ্যমে আপনি একজনের সাথে পরিচিত হলেন যার গ্রাফিক্স ডিজাইনের সাপোর্ট লাগবে। তার সাথে আপনি কথা বললেন এবং আপনাকে তিনি যে রেট অফার করলেন তাতে আপনার পোষাবে না। এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হচ্ছে আপনি মন খারাপ না করে কাজটি করে ফেলুন এবং কাজ শেষ হবার পরে উক্ত ক্লায়েন্টের ফিডব্যাক ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপে শেয়ার করুন।এতে করে আপনার প্রতিষ্ঠান এবং এর সেবা সম্পর্কে অনেকে জানতে পারবেন। এভাবে কম টাকায় বা টাকা না নিয়ে ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের পাঁচ জন বা দশ জনকে সার্ভিস দিন। তারা যদি খুশি হয়ে ভাল ফিডব্যাক দেয় এবং ই-ক্যাব গ্রুপে আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে পজিটিভ ফিডব্যাক দেয়। সেটা আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্যে বিশাল লাভ। নীচের এই পোস্টটি ই-ক্যাব গ্রুপের ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬ এর।

কম্পলেইন: xxxxxxxxx.com.

পুরোটা পড়বেন দয়া করে।

অর্ডার দেওয়ার ২ মাস পর হাতে পেলাম কারন চট্টগ্রামে পাঠাতে নাকি কোরিয়ারে সমস্যা হচ্ছিলো। যাই হোক, আমি রাগ করিনি। কিন্তু সমস্যা বাধলো পেমেন্ট নিয়ে। ১ কেজির দামে পেলাম আধা কেজি। কম্পলেইন করার সাথে সাথেই পেমেন্ট রিটার্ন করে দিলো। আমি আশ্চর্য হলাম কারন পুরো পেমেন্ট রিটার্ন করে দিলো মানে ১ কেজির পুরো দাম। পন্যের কোয়ালিটিতেও আমি সন্তুস্ট। দু:খ লাগছে এই কারনে যে, আমি বাকী টাকা ফেরত দিতে চাই কিন্তু তারা কেউ রিপ্লাই দিচ্ছেনা। তাদের হক আমার কাছে। আমি এটা খায় কি করে। তাদের সার্ভিসে আমি খুশি। ই কমার্স কোম্পানী গুলো যদি এই ভাবে ভালো মানের সার্ভিস দিতে পারে তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিনের আশায় অনেকে দিন গুনছে।

xxxxxxxxx.com এর সফলতা কামনা করছি। আল্লাহ যেনো তাদের ব্যবসায় বরকত দান করেন।

এখন আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কেউ যদি এই ধরণের ফিডব্যাক দেয় তাহলে কেমন হবে ভাবুন।

ই-ক্যাব এর বিভিন্ন মিট-আপ গুলোতে চলে আসুন, সবার সাথে কথা বলুন, পরিচিত হন। কারণ এখানেও ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের অনেক সদস্য যোগ দেয়। তাদের সাথে আপনি মুখোমুখি পরিচিত হবেন। অনেককে দেখবেন আপনার নাম বলার সাথে সাথে চিনে ফেলবে কারণ আপনি হয়তো তাদের কোন পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করেছিলেন বা আপনার লেখা পোস্ট পড়ে তারা উপকৃত হয়েছিল।

ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপে যেসব কাজ করবেন না-

ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের নামের মধ্যেই ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) আছে। যেসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাব এর সদস্য এই গ্রুপে তাদের পণ্য ও সেবার মার্কেটিং করতে দেয়া হয়। যেসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাব এর সদস্য নয় তাদেরকে এখানে তাদের পণ্যের সরাসরি মার্কেটিং বা প্রমোশন করতে দেয়া হয় না। তাই আপনার প্রতিষ্ঠান যদি ই-ক্যাব এর সদস্য না হয়ে থাকে তাহলে সরাসরি মার্কেটিং এর পোস্ট দিতে যাবেন না দয়া করে। যেমন- আপনার প্রতিষ্ঠানের স্পেশাল অফার বা অন্য কোন ধরণের প্রমোশন।    

ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপে কোন ধরণের রাজনৈতিক, ধর্মীয়, বা কোন বিতর্কিত বিষয়ে পোস্ট দিবেন না। এটা ই-কমার্স এর গ্রুপ। এখানে কোন ধরণের অযৌক্তিতক তর্ক-বিতর্ক করা হয় না। তাই গ্রুপের পরিবেশ নষ্ট করবেন না। ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপের সকল সদস্যদের সাথে সুন্দর সম্পর্ক রেখে চলুন।

কোন ধরণের যৌনতা বা অশ্লীলতা সম্পর্কিত পোস্ট দিবেন না। গ্রুপের নিয়ম খুবই কড়া। যারা এগুলো করে তাদের সাথে সাথে ব্যান করে দেয়া হয়।

গ্রুপের নারী সদস্য বা অন্য কোন সদস্যকে নিয়ে বাজে কথা লিখে বা গালিগালাজ করে পোস্ট দেবেন না। কাউকে অযথা বিরক্ত করবেন না। যদি গ্রুপের কোন সদস্যের সাথে কোন ধরণের সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে অ্যাডমিনদের জানান। ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট রাজিব আহমেদ ভাই এই গ্রুপকে গড়ে তুলেছেন। গ্রুপের কোন ব্যাপারে  তাকে মেসেঞ্জারে নক দিতে পারেন। ফেইসবুকে তিনি প্রতিদিন অনেক সময় দেন। কারো বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযোগ পেলেও তাকে গ্রুপ থেকে ব্যান করে দেয়া হবে।

এই গ্রুপে কারো সাথে পরিচয় হবার পরে সাথে সাথে টাকা-পয়সার লেনদেনে জড়িয়ে পড়বেন না। আপনি যখন ব্যবসায় কারো সাথে টাকা-পয়সা লেনদেন করেন তখন কি তাড়াহুড়ো করেন? ধীরে-সুস্থে, সময় নিয়ে, উক্ত ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য   যোগাড় করে, প্রয়োজনীয় চুক্তি করে বা রসিদ নিয়ে তারপরে লেনদেন করেন, তাই না? এখানেও তাই। এই ব্যাপারে ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট রাজিব আহমেদ ভাই এর গ্রুপে লেখা একটি পোস্ট এখানে তুলে দিলাম। পোস্টটি গত বছরের জুন মাসে লেখা-

ই-ক্যাব গ্রুপে এখন অনেক মানুষ এবং অনেক পোষ্ট আসে। এটি অবশ্যই খুব ভাল লক্ষণ। অনেকের সঙ্গে অনেকের খাতির হবে এবং এটি আমিও চাই। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আসলে প্রতিদিন সময় দেই। তবে এই সঙ্গে এও বলতে চাই যে দয়া করে দুদিনের পরিচয়ে কোন ধরনের সম্পর্কে জড়াবেন না- তা সে ব্যবসাই হোক কিংবা প্রেম ভালবাসা। আর দয়া করে কেউ কাউকে টাকা ধার দেবেন না বা টাকার লেনদেন করবেন না। দুদিনের পরিচয়ে কারো ব্যবসায় কেউ টাকা খাটাতে যাবেন না।

আমি বলছি না যে নিজেদের মধ্যে ব্যবসার কথা চিন্তাও করবেন না। অবশ্যই করবেন তবে সেটি দুদিনের পরিচয়ে নয় এবং নিজের সাধ্যের বাইরে ঝুকি নেবেন না।

শেষ কথা-

ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপ এখন শুধু ই-ক্যাব এর নয় বরং বাংলাদেশের ই-কমার্স সেক্টরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এই গ্রুপটিকে এই পর্যায়ে আনতে যার অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি হলে ই-ক্যাব এর প্রেসিডেন্ট রাজিব আহমেদ ভাই। প্রথম থেকে বলতে গেলে তিনি একা হাতেই এই গ্রুপকে দাঁড় করিয়েছেন। দিন-রাত সময় দিয়েছেন। এর জন্যে তিনি একটা টাকাও পান নি।

অনেকেই এই গ্রুপ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেন। এর অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে এখনো অনেকে ফেইসবুক গ্রুপকে স্রেফ একটা বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নেন। এটা দিয়ে যে খুবই সিরিয়াসলি ব্যবসা করা যেতে পারে সেটা অনেকেই অনুধাবন করতে পারেন না। কিছুদিন আগে গ্রুপে নেতিবাচক কয়েকটি পোস্ট দেখে আমি ভেবেছিলাম যে ই-ক্যাব ফেইসবুক গ্রুপকে কিভাবে ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা বৃদ্ধিতে কাজে লাগাতে পারে তা সম্পর্কে ব্লগে একটি পোস্ট লেখব। তাই এই লেখা।

ধৈর্য ধরে পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।

লেখক : এস এম মেহদি হাসান

Comments

comments

No Comments

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *