e-cab members

 

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়া সংকান্ত্র বিভিন্ন তথ্য

 

 

বিভিন্ন সময়ে ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার ব্যাপারে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। ই-ক্যাবের সদস্য হতে চান কিন্তু হাতের কাছে তথ্য পান না। অনেকেরই গুগলে  বা ফেসবুকে সার্চ দেয়ার অভ্যাস নেই। যদিও সার্চ দিলে এসব সব তথ্যই পাওয়া যায়। তাই আজ আপনাদের জন্য ই-ক্যাবের সদস্য হওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরছি।

 

ই-ক্যাবের সদস্য হতে যেসব তথ্য লাগে

১. কোম্পানীর নাম, ধরণ, লোগো, ঠিকানা, ফোন, ই-মেইল, ওয়েবসাইট ও ফেসবকু পেইজ

২. মালিকের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, ফোন নাম্বার, ই-মেইল, টিন ও স্বাক্ষর

৩. প্রতিনিধি (যদি থাকে) এর নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, ই-মেইল, টিন ও স্বাক্ষর

৪. মালিকের অথবা কোম্পানীর টিন নাম্বার ও টিন সার্টিফিকেট

৫. রেফারেন্স: ২ জন ইক্যাব মেম্বার (১ জন আবশ্যিক)

৬. বিকল্প রেফারেন্স (যাদের পরিচিত কোনো ই-ক্যাব মেম্বার নেই তাদের জন্য)  ব্যাংক তথ্য অথবা অন্য এসোসিয়েশন এর সদস্যপদ।

 

ই-ক্যাবের সদস্য হতে যেসব দলিলপত্র লাগে

১. প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স

২. মালিক বা প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র

৩. টিআইএন সার্টিফিকেট

৪. মালিক ও প্রতিনিধির ছবি

৫. ঠিকানা প্রমানের জন্য ইউটিলিটি বিলের কপি।

৬. মালিক ও প্রতিনিধির স্বাক্ষরের অনুলিপি

৭.  কোম্পানীর লোগো

৮. অফিসের ছবি

 

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া

প্রথমধাপ: ই-ক্যাবের ওয়েবসাইটে লগইন করে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে যুক্ত হতে হবে।

দ্বিতীয়ধাপ:  ই-ক্যাবের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট দিয়ে ফরমপূরন করতে হবে।

তৃতীয়ধাপ: সবতথ্য ঠিক থাকলে আপনার আবেদন গৃহিত হবে। এবং আপনার কাছে ই-মেইল আসবে।

চতুর্থধাপ: ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আপনার মেম্বার প্রোফাইলে গিয়ে অনলাইন থেকে পেমেন্ট করে দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন মেম্বাশিপ নাম্বার ও মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট।

 

ই-ক্যাবের সদস্য ফি

ই-ক্যাবের সদস্য ফি-১০০০ টাকা

বার্ষিক ফি ২০০০ টাকা।

উন্নয়ন তহবিল ১০০০

কল্যান তহবিল ১০০০ টাকা

সার্ভিস চার্জ: ২০০ টাকা

মোট: ৫২০০ টাকা

 

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার জন্য কোথায় যোগাযোগ করব?

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার জন্য যোগাযোগ:  09678100700

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার  লিংক?  https://e-cab.net/membership/become-a-member/

 

লক্ষ্যকরুন:

১. আপনার কাজের সুবিধার জন্য আপনার প্রয়োজনীয় সব তথ্য হাতের কাছে নিয়ে ফরম পূরণ করতে বসুন।

২. কোনোকারণে কোনো তথ্য হাতের কাছে না থাকলে। ফরমটি ড্রাপ্ট আকারে সেভ করুন। পরে তথ্য নিয়ে পূরণ করে দিন।

৩. কোনো ছবি বা ফাইল ১ মেগাবাইটের বেশী যেন না হয়। তাহলে ফাইল সাবমিট করতে পারবেন না।

৪. যার রেফারেন্স দিবেন তাকে অবশ্যই বলে রাখুন। বা তার অনুমতি নিন।

৫. ট্রেডলাইসেন্স আপডেট আছে কিনা দেখে নিন।

৬. কোনো ভুল তথ্য দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

৭. কোম্পানীর নাম, মালিকের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, টিআইএন এগুলো যেন একটার সাথে আরেকটা মিল থাকে সেদিকে খেয়াল করুন।

৮. প্রয়োজনে আগেই একটা নমূনা ফরম পূরন করে নিন।

 

লেখা: জহাঙ্গীর আলম শোভন

5,473 total views, 57 views today

Comments

comments