ই-ক্যাবের সদস্য হলে কি লাভ?

 ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার মানদন্ড

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার জন্য কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো

– অবশ্যই নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্স ও TIN থাকতে হয়

– ব্যবসাটা অনলাইনে পরিচালিত হতে হবে।

– অন্যএকজন ই-ক্যাব সদস্যের রেফারেন্স প্রয়োজন হয়।

– আবেদনপত্রে যাবতীয় তথ্য প্রদান করে আবেদন করতে হয়।

– ব্যবসাটির ঠিকানা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হতে হয়|

 

ই-ক্যাবের সদস্য হতে যা প্রয়োজন হয়

১। নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্স

২। জাতীয় পরিচয়পত্র,

৩। ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার ও সার্টিফিকেট

৪। পাসপোর্টসাইজ ছবি

৫। প্রতিষ্ঠানের ওয়েব এড্রেস, ফেসবুক পেইজ ও লোগো

৬। রেফারেন্স হিসেবে যেকোনো একজন সদস্যের সুপারিশ|

৭। অফিস ও ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য: ইউটিলিটি বিলের কপি বা হোল্ডিং ট্যাক্সের কপি|

৮। ৫২০০ টাকা প্রথম বছরের সদস্য ফি, পরবর্তী প্রতি বছর ২২০০ টাকা করে|

 

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া

১। আবেদনকারীকে অনলাইনে আবেদনফরম পূরণ ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হয়।

২। সব ধরনের ডকুমেন্ট আপলোড করার পরই ফাইলটা সাবমিট হয়ে যায়। নচেৎ ফাইলটা ড্রাফ্ট হয়ে থাকে।

৩। শুধুমাত্র সাবমিট হওয়া তথ্যসমূহ যাচাই করে ই-ক্যাব টিম। যেমন-

ক। ট্রেড লাইসেন্স এর মেয়াদ আছে কিনা?

খ। ট্রেড লাইসেন্স এর তথ্যের সাথে আবেদন পত্রের তথ্য মিল আছে কিনা?

গ। এনআইডি ও টিআইন সার্টিফিকেট তথ্যের অন্যান্য তথ্যের মিল আছে কিনা?

ঘ। ওয়েবসাইট এড্রেস সঠিক ও একটিভ কিনা?

ঙ। ঠিকানার সাথে ইউটিলিটি বিলের কপির মিল আছে কিনা?

চ। অফিসের ছবি ও লোগো ঠিক আছে কিনা?

ছ। যার নাম রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি অবগত বা সুপারিশ আছে কিনা?

৪। অতপর যদি সবকিছু ঠিক থাকে। তাহলে আবেদন মঞ্জুর করা হয়।

৫। মঞ্জুর করার পর আবেদনকারীর কাছে একটি ই-মেইল চলে যায়।

৬। আবেদনকারী ই-ক্যাবের ওয়েবসাইটে লগইন করে অনলাইনে সদস্য ফি পরিশোধ করেন।

৭। সদস্য জমা হওয়ার পর ১ বছরের জন্য আবেদনকারীকে ই-ক্যাবের সদস্যপদ দেয়া হয়।

 

৪। সদস্যদের জন্য ই-ক্যাব কতৃক প্রদত্ত সুবিধা

১। ই-ক্যাবের লোগো ব্যবহার করে ক্রেতার আস্থা অর্জনের সুযোগ।

২। ই-ক্যাবের বিভিন্ন ট্রেনিং ও ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণের সুযোগ।

৩। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড বিনা বার্ষিক ফি’তে ব্যবহারের সুযোগ।

৪। সরকারের সাথে বিভিন্ন আলোচনা ও পলিসিগত সভায় অংশগ্রহণের সুযোগ।

৫। প্রাইম ব্যাংক কতৃক বিনা জামানতে ৯% সুদে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ঋণগ্রহণের সুযোগ।

৬। লকডাউন এলাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের অনুমতি। যা শুধুমাত্র ই-ক্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠানের রয়েছে।

৭। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথ ক্যাম্পেইনে পণ্য ক্রয় ও বিক্রয়ের সুযোগ যেমন, আমমেলা, ডিজিটাল কোরবানির হাট ইত্যাদি।

৮। ১৩৫০ সদস্যের পরিবারে পারস্পরিক আন্ত-বাণিজ্যের সুযোগ ও নেটওয়ার্কিং সুবিধা।

৯। বিভিন্ন মেলা ও প্রদর্শনীতে বিশেষ ছাড়ে স্টল বরাদ্দ নেয়ার সুযোগ।

১০। ই-ক্যাবের ফেসবুক গ্রুপে নিজের পন্য বা ব্রান্ডের প্রমোশনের সুযোগ।

১১। ই-পোস্টের মাধ্যমে ই-কমার্স ডেলিভারীতে ডাক বিভাগ দ্বারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পন্য প্রেরণের সুযোগ।

১২। বিভিন্ন সময়ে ই-ক্যাবের মেম্বাদের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দেয়া বিশেষ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ।

১৩। অন্যকোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের সাথে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবোঝি হলে সমঝোতার উদ্যোগ।

১৪। টিসিবি কতৃক সাশ্রয়ী ‍মূল্যে অনলাইনে পণ্য বিক্রয়ের জন্য ডিলারশিপ সুবিধা।

১৫। সিটি ব্যাংক কতৃক সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা ঋণগ্রহণের সুযোগ।

১৬। সদস্য প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সকল সদস্য প্রতিষ্ঠানের জন্য মূল্য ছাড় ও বিশেষ অফার।

১৭। ব্রাকের প্রত্যাশা প্রকল্পের মাধ্যমে বিনিয়োগ পাওয়ার ‍সুযোগ।

 

খ/৫। ভবিষ্যতে যেসব সুবিধা যুক্ত করার জন্য ই-ক্যাব কাজ করছে

১। বৈদেশিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে সদস্যদের জন্য ব্যয়সীমা নির্ধারণ।

২। ক্রস বর্ডার ই-কমার্সের ক্ষেত্রে রফতানী প্রনোদনা প্রদান।

৩। ট্রেড লাইসেন্সে ই-কমার্স ক্যাটাগরি যুক্ত করা।

৪। সরকারী ওয়ারহাউজে সদস্যভুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের পণ্য রাখার সুযোগ।

৫। প্রস্তাবিত ‘‘ই-কমার্স ভিলেজ’’ থেকে পণ্য সংগ্রহের সুযোগ।

৬। প্রস্তাবিত ‘‘ন্যাশনাল ই-কমার্স সাপ্লাই চেইন’’ এ যুক্ত হওয়ার সুযোগ।

৭। প্রস্তাবিত সরকারী ‘‘ই-বাণিজ্য’’ প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার সুযোগ

৮। প্রস্তাবিত ‘‘ডিজিটাল কমার্স সেল’’ এর সেবা গ্রহণের সুযোগ।

৯। সদস্যভূক্ত ই-লার্নিং ও ই-বুক সেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য ভ্যাট মওকুপের সুযোগ

১০। ই-কমার্সে আইটিইস সেবার অন্তভূক্ত করে এ সংক্রান্ত সুবিধা নিশ্চিতকরণ।

313 total views, 13 views today

Comments

comments