ই-কমার্স শুরু অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ক্রেতা বৃদ্ধি সৎ মানসিকতা

1073

ই-ক্যাব এর ফেইসবুক গ্রুপ থেকে নির্বাচিত কিছু পোস্ট কিছু টিপস

২১ মাস ধরে ই-ক্যাব নিয়ে এবং ই-ক্যাবের এই গ্রুপ নিয়ে দিন রাত লেগে থাকার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু পরামর্শ দিচ্ছি যারা নতুন যোগ দিচ্ছেনঃ

১। ই-ক্যাব ব্লগের সব লেখা পড়েন। এক মাসের মধ্যে সময় লাগবে না। সব আর্টিকেলে কমেন্ট করেন।

২। সেই একমাস গ্রুপে দিন রাত একটিভ থাকুন। সব পোস্ট পড়ুন, সব পোস্টে পারলে কমেন্ট করুন।

এই দুটি কাজ করুন এক মাস সময় দিয়ে। এর পর সিদ্ধান্ত নিন ই-কমার্স শুরু করবেন কিনা। এই এক মাস সময়ের বিনিয়োগ আপনাকে ভবিষ্যতে অনেক বড় ধরনের লস থেকে বাচাতে পারে।

আমার পরামর্শ অনুসরন করতে এক টাকাও লাগবে না।

Razib AHmed

 

ই-কমার্স খাতে বিক্রয় এবং গ্রাহক বৃদ্ধিতে অন্যতম ভূমিকা রাখে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এছাড়া পণ্যের বাজারকরণ বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে। বিশ্বে অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সুবিধা রাখে বিক্রয় এবং গ্রাহক বৃদ্ধির জন্য। বাংলাদেশ থেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে এমন অনেক মানুষ রয়েছে। কিন্তু সেগুলো বিশ্বের নামকরা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর। আমাদের অভ্যন্তরীণ যেসকল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলোতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সুবিধা লক্ষ্য করা যায় না। আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্ষুদ্র ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে এটা এই মুহূর্তে সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ মোটামুটি বড় যেসকল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছ তাদের এই বিষয়টি বিবেচনা করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। কারণ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ফলে বিক্রয় এবং গ্রাহক বৃদ্ধি পাবে। তেমনি অভ্যন্তরীণ ই-কমার্স খাত আরো এগিয়ে যাবে। আশাকরি ই-ক্যাব এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবেন। ধন্যবাদ।

K.m. Imran Hossain

বাংলাদেশে ইকমার্স সেক্টর আরও দশ বছর শৈশব কালেই কাটাবে যদি না আমাদের মানষিকতার পরিবর্তন না হয়। ভেবে দেখুন আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সকল জিনিস অনলাইনেই পাওয়া যায়। আমাদের এই গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ২৫০০০++। আমরা যদি শুধু এই গ্রুপের সদস্যরা আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় সবকিছু অনলাইনে কিনতাম তাহলে অনলাইনে প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫০০০+ ওর্ডার থাকত। ইকমার্স সেক্টর শুধু উঠেই দাড়াতো না রীতিমত দৌঁড়াত। আসুন আমরা একটু আমাদের নিজেদের নিয়ে ভাবতে শুরু করি।

Shubhra Dev Barai Ratan

 

আমি যে প্রোডাক্ট সেল করি তার গুনগত মান সম্পর্কে আমি ভালো বলতে পারি, তার থেকে ভালো আমার ক্রেতা বলতে পারে, কারন সে পণ্যটি ক্রয় করছে এবং ব্যাবহার করছে। এখন বেশ কিছু মানুষ দেখা যায় কোম্পানির প্রোডাক্ট সম্পর্কে না জেনে, ব্যাবহার না করেই, দাম সম্পর্কে না জেনেই সুন্দর করে বাজে একটা মন্তব্য করে দেয়।

একটা পণ্য তার – অনেক রকমের কোয়ালিটি হয়, যে জিনিস আমি নিজে ১০০০ টাকা দিয়ে পাইকারি কিনলাম সেই রকম দেখতে জিনিস রাস্তায় বা কোন মার্কেটে বিক্রি করছে ৮০০ টাকায়। তাহলে কথা হচ্ছে আমি কি করলাম – আমি কি বেশি দাম দিয়ে পণ্য কিনলাম, আমি কি পাইকারি মার্কেট না যাচাই করেই পণ্য কিনলাম, আমি কি তাহলে বিজনেস বুঝি না, আমাকে কি তাহলে লস দিয়েই বিজনেস করতে হবে।

মতেও না, যে জিনিস আমি ৯০০ টাকায়ও দিতে পারি না টা অন্যরা দেয় কারন – হয় তাদের পণ্য কপি, ক্লোন, নকল যাই বলেন তাই বিক্রি করে।

নকলের ভিড়ে আসল নিয়ে কাজ করতে একটু না অনেক বাঁধা আসবে, তাই আমাদের আসছে। আরে আমি যদি কপি, ক্লোন, নকল নিয়ে কাজ করি বলতে বাঁধা কি?

যারা কিনবার তারা কপি, ক্লন, নকল দেখেই কিনবে।

আপনার পণ্য যা তাই বলে বিক্রি করলে ক্রেতা আপনাকে বিশ্বাস করবে, আপনার কোম্পানি থেকেই পণ্য কিনবে।

আর যে সকল লোক অন্যের বিজনেস নষ্ট করতে বাজে মন্তব্য করে, কমেন্ট থেকে নাম্বার নিয়ে কোম্পানির হয়ে বিকাশ করতে বলে, বা অর্ডার নেয়ার চেষ্টা করে তারা আর যাই হোক বিজনেস করতে আসেছে কিনা তারাই জানে।

সবাই যদি সৎ থেকে বিজনেস করি তাহলে আমরা আরও দ্রুত এগিয়ে যেতে পারবো।

আমার কথায় কেও কষ্ট পেলে দুঃখিত…

Mounota Badhon Tania

Comments

comments