email-marketing-in-ecommerce

ই-মেইলের মাধ্যমে পন্য বা সেবার বিপণনের জন্য প্রচারণা চালানোই হচ্ছে ই-মেইল মার্কেটিং। অর্থাৎ এখানে বিপণনের মাধ্যম হচ্ছে ই-মেইল। চিঠিপত্র একসময় ছিল যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এবং অন্যতম মাধ্যম, তারপর এলো ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল। আর সেই ই-মেইল এখন শুধু যোগাযোগের জন্যই ব্যবহার করা হয় না। মার্কেটিং বা প্রচারনা চালাতেও ই-মেইলের জুরি নেই। ই-মেইল মার্কেটিং চালানো হয় কিছু সংখ্যক লোক যারা ই-মেইল ব্যবহার করেন তাদের মাজে বিপণনের উপযোগী টেক্সট বা কনটেন্ট পাঠিয়ে । নিউজলেটার পাঠানো, সুন্দর ও আকর্ষণীয় ই-মেইল ক্যাম্পেইন ডেভেলপ ও চালু করার মাধ্যমে আপনি ই-মেইল মার্কেটিং থেকে সুবিধা পেতে পারেন। এর মাধ্যমে ক্রেতাদের মাজে যে শুধুমাত্র আপনি আপনার পণ্য বা সেবার লিঙ্ক পাঠাতে বা বিপণন কর্মকান্ড চালাতে পারবেন তাই নয় একই সাথে আপনি তাদের সাথে যোগাযোগও রক্ষা করে চলতে পারবেন। ব্যবসায় সফলতার জন্য এধরনের যোগাযোগ রক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রান্ড আনুগত্য বাড়ানো বা ভিজিটরদেরকে অনুগত ক্রেতায় পরিণত করতে যোগাযোগের বিকল্প নেই। আর বাংলাদেশে মার্কেটিং এ সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার খুব বেশি। যা দীঘমেয়াদে খুবই খারাপ ফল নিয়ে আসবে। তাছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার উপর মাত্রারিক্ত নির্ভরশীলতা যেকোন সময় ব্যবসায়ে ভয়াবহ ধস নিয়ে আসতে পারে। যেমনটা ঘটেছে ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে টানা ২২ দিন বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধ থাকার সময়। সেসময় ফেসবুক নির্ভরশীল ই-কমার্স ব্যবসায়গুলোতে ৭০% থেকে ১০০% বিক্রি কমে গিয়েছিল। সেরকমটা এড়িয়ে চলতে মার্কেটিং এর অন্যান্য উপায়গুলোর নজর দিতে হবে গুরুত্বের সাথে। অন্যান্য উপায়গুলোর একটি ই-মেইল মার্কেটিং। আসুন দেখি ই-মেইল মার্কেটিং এর সুবিধাগুলো কি কিঃ
১. ব্রান্ড সচেতনতা বাড়ানো
ব্রান্ড সচেতনতা বাড়াতে ই-মেইল মার্কেটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ক্রেতারা আপনার কথা বা এবং আপনার পণ্যের কথা ভুলে যেতেই পারে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি অনেক লম্বা সময় ধরে তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন তাহলে আবার ফলাফল হবে উল্টো। মানে ক্রেতা আপনার পণ্যের কথা চাইলেও ভুলে যেতে পারবে না। আর অবস্থা এ রকম হলেই আপনি তাদের কাছে পন্য বিক্রির কথা ভাবতে পারেন। কেননা নিয়মিত বিরতিতে ক্রেতারা আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে মেইল পেতে থাকলে আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে তাদের মনে ব্রান্ড সচেতনতা বেড়ে যাবে। এর ফলে ক্রেতারা আপনার পণ্য বা সেবার ব্রান্ডকে  সীকৃতি দিবে এবং যখন তাদের এমন পণ্য বা সেবার দরকার হবে তখন তাদের মনে আপনার পণ্য সেবার কথাই সবার আগে আসবে এবং আপনার পণ্য ক্রয় করবে। ই-মেইল মার্কেটিং শুরু করা এবং ব্যবস্থাপনা করা সহজ। ই-মেইল মার্কেটিং শুরু করতে বড় কোন টিমের দরকার নেই। দরকার নেই খুব বেশি কিছুর । কিছু সুন্দর ই-মেইল টেমপ্লেট, ভিডিও, ইমেজ এবং লোগো এগুলোই যথেষ্ট ইমেইল ক্যাম্পেইন পরিচালনার জন্য। তাই ই-কমার্স সাইটগুলো খুব সহজেই ই-মেইল মার্কেটিং শুরু করতে পারে।

BRAND on price labels
২. কম ব্যয়বহুল
অন্য যেকোন সাধারণ মার্কেটিং প্লাটফর্মের তুলনায় ই-মেইল মার্কেটিং অনেক বেশি সাশ্রয়ী। এখানে আপনার কো¤পানির বা পণ্য, সেবার প্রচারের জন্য কোন ছাপার খরচ বা ব্যনার বানানোর জন্য খরচ করতে হবে না। এর জন্য আপনাকে কোন ম্যাগাজিন বা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন ছাপাতে খচর করতে হবে না বা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন প্রচারে অর্থ ব্যয় করতে হবে না। আপনাকে এর জন্য যে পরিমাণ ব্যয় করতে হবে তা এটি যে সুবিধা দিবে তার তুলনায় অনেক কম।

images
৩. ব্রান্ড ভক্তদের টার্গেট করা
অন্য সব মার্কেটিং উপায়ে দেখা যায় যে, ক্রেতা পছন্দ করুক বা বা নাই করুক সেই সব মার্কেটিং এর মধ্যে দিয়ে আপনাকে কম বেশি যেতে হয়। কিন্তু ই-মেইল মার্কেটিং এর ব্যাতিক্রম। কেননা একজন ক্রেতা যখন কোন পণ্য বা সেবা সম্পর্কে আরও জানতে চান বা পণ্য বা সেবার বিভিন্ন অফার সম্পর্কে জানতে চান তখন তারা নিজ থেকেই নিজেদের ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে থাকে। ফলে এসব ক্রেতাদেরকে অনেক বেশি টারগেটেড বা সুনিদ্রিস্ট ক্রেতা বলা যায়। আর এ ধরনের সুনিদ্রিস্ট ক্রেতাদের মাজে যত বেশি বিপণন কার্যক্রম চালানো যাবে, সফল হবার সম্ভাবনা ও তত বেশি হবে। অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা এই উপায়টিকে ব্যবহার করেন যারা তাদের সাইটে সাইন আপ করেছেন তাদেরকে মেসেজ / মেইল পাঠাতে। যেহেতু তারা সাইন আপ করেছেন তাই ধরে নেয়া যায় আপনার ব্যান্ডের প্রতি তাদের আগে থেকেই আগ্রহ আছে। আর এই আগ্রহ বা পণ্য , সেবা স¤পর্কে আগে থেকেই ধারনা থাকার কারনে ই-মেইল মার্কেটিং এ কনভারশান রেট বা ক্রেতায় পরিণত হবার হার অনেক বেশি হয়। আমি শুরু থেকেই বলছি সাইন আপ করা মেইল গুলোতে মেসেজ বা মেইল পাঠানোর কথা। তবে সাইন আপ করেনি এমন সব ই-মেইলগুলোতে ও ই-মেইল মার্কেটিং কার্যক্রম চালানো যায় না বা চালানো হয় না তা কিন্তু নয়। কিন্তু এরকমটা ক্রেতাদেরকে শুধুমাত্র বিরক্তই করে আর যেটা করে তা হল আপনার পণ্য বা সেবার ব্যান্ড ইমেজ নষ্ট।
৪. শ্রেণীবিভাগীকরণ

অন্য সব মার্কেটিং উপায়ে অর্থ ব্যয় করা হয় এটা নিশ্চিত করতে যে, যারা বিক্রেতাদের ব্রান্ডের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে তাদেরকে নিয়ে মার্কেটিং কার্যক্রম চালাতে। ই-মেইল মার্কেটিং এ ক্ষেত্রে আরো এক ধাপ এগিয়ে। ই-মেইল মার্কেটিং শুধুমাত্র টার্গেট করা ক্রেতাদেরকে নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে না। বরং একেবারে সুনিদ্রিস্টভাবে ক্রেতাদেরকে নিয়ে কাজ করে । মানে ই-মেইল মার্কেটাররা একেবারে নিদ্রিস্ট কিছু শর্ত পূরণ করে এমন সব ই-মেইলেই মেসেজ / মেইল পাঠাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ আপনি হয়ত বাংলাদেশের নিদ্রিস্ট কোন এলাকার মানুষদের জন্য একটি অফার করতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে আপনার পছন্দের এলাকায় বসবাস করা ক্রেতাদের ই-মেইল গুলোতেই অফারটি পাঠাতে পারেন। আবার ধরা যাক আপনি খেলাধুলা সম্পকিত পণ্য বিক্রি করেন। যাদের খেলাধুলায় আগ্রহ আছে আপনি তাদেরকে মেসেজ / মেইল পাঠিয়ে বিপণন কার্যক্রম চালাতে পারেন। সাবস্কাইবদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে ই-মেইল তালিকা শ্রেণীবিভাগীকরণ বিপণন কার্যক্রম সফল হবার ক্ষেত্রে দারুনভাবে কাজ করে। শ্রেণীবিভাগীকরণ করে ই-মেইল মার্কেটিং চালানো হলে এঙ্গেগেমেন্ট হার অনেক বেড়ে যায়।

target

৫. কল টু একশান
ই-মেইল মার্কেটিং ইমপালস বাইয়িংয়ে (প্ররোচিত ক্রয়) খুব সুবিধা প্রদান করে। অন্য কোণ বিপণন পদ্ধতি পাওয়া যাবে না যেখানে একজন ক্রেতা একটি অফার দেখার পর সেটা পছন্দ হলে ২/৩ ক্লিকেই ক্রয় করতে সক্ষম হন। আপনি ই-মেইল মার্কেটিং এ যে ই-মেইলটি পাঠাবেন সেখানে অবশ্যই ক্রয়ে উদ্বুদ্ধ করে এমন একটি কল টু একশানের সাথে আপনার সাইটের চেক আউট পেইজের লিঙ্ক দিতে হবে। ই-মেইল নিউজ লেটার অন্য যেকোন মাধ্যমের চেয়ে বেশি বিক্রয় নিয়ে আসে।

cta-web-logo
৬. সহজ পরিচালনা
ই-মেইল মার্কেটিং পরিচালনার জন্য আপনার বড় একটি দল থাকতে হবে বা কারিগরি সব বিষয়ে অনেক শিক্ষা থাকতে হবে এমন না। একটি ই-মেইল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে আপনার দরকার হবে কিছু ভাল মানের ই-মেইল টেম্পলেট, ইমেজ, ভিডিও, এবং লোগো ব্যাস এগুলো হলেই আপনি শুরু করতে পারেন ই-মেইল মার্কেটিং। এমনকি শুধু টেক্সট বা কনটেন্ট দিয়েই শুরু করতে পারেন ই-মেইল মার্কেটিং। এমন অনেক ই-মেইল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পাওয়া যাবে যেখানে শুধুমাত্র টেক্সট ব্যবহার করা হয়েছে। তার মানে বোজা যাচ্ছে কোণ ই-মেইলের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয়টি হল কনটেন্ট।
৭. চিহ্নিত করা সহজ
যে কোন মার্কেটিং উপায়ে সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই আপনার কাজের ভুল ত্রুটিগুলো বের করতে হবে এবং সেগুলো ভালভাবে বুজতে হবে। ই-মেইল মার্কেটিং এ আপনি খুব সহজেই বুজতে পারবেন এখানে ঠিক কোথায় ভুল করছেন। প্রায় সব ই-মেইল মার্কেটিং সফটওয়্যার এ বেশ কিছু সুবিধা আছে যেগুলো আপনার বিপণন কার্যক্রমকে সফল করতে আবশ্যক। এসব সুবিধাগুলো হচ্ছে ই-মেইল চিহ্নিতকরণ, ক্লিক থ্রো, কনভার্সন ইত্যাদি। এসব তথ্য পেলে আপনি খুব সহজেই বুজতে পারবেন কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আপনি আপনার ই-মেইল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন ভাল করতে পারবেন। আপনি যেসব পরিবর্তন করতে চান, তার সবকিছু করতে পারবেন মুহূর্তের মধ্যেই। কিন্তু আপনি যদি অন্যান্য বিপণন উপায় যেমন ছাপা বা প্রচার মাধ্যাম ব্যবহার করেন তবে সেখানে যেকোন পরিবর্তন আনতে আপনাকে নিদ্রিস্ট সময় পযন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
৮. শেয়ার করা সহজ
অন্য সব বিপণন উপায়ে শেয়ার করার কোন সুযোগ নেই। যেমন আপনি ব্যানারের মাধ্যমে আপনার পণ্যের অনেক সুন্দর একটা বিজ্ঞাপন দিলেন। ক্রেতারা সে বিজ্ঞাপন দেখে খুশি। এখন তারা চাইলেই কি সে ব্যনারের অফারটি তার বা তাদের বন্ধু বান্ধবদের সাথে শেয়ার করতে পারবে যেন তাদের বন্ধু বান্ধবরাও অফারটি পেতে পারে ? উত্তর হচ্ছে না । শেয়ার করতে হলে তাদেরকে সে ব্যানার খুলে বন্ধু বান্ধবদের কাছে পোছে দিতে হবে ! খুবই অবাস্তব চিন্তা । কিন্তু ই-মেইল মারকেটিং এর ক্ষেত্রে কিন্তু বিষয়টা খুবই সহজ এবং স্বাভাবিক। খুব ভাল একটি অফার পেলে ক্রেতা ২ ক্লিকেই শেয়ার করে দিতে পারেন তার প্রিয়জনদের কাছে। এ সুবিধা থাকার কারনে আপনি আপনার সাইটে সাবস্ক্রাইব করা ভিজিটরদের আপনার র্ব্যান্ড সুনাম বাড়ানোর দুত হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, পেতে পারেন নতুন একটি বাজার।

easy-share-button-services-for-websites

৯. রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট
রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বা বিনিয়োগ থেকে কি পরিমাণ সুবিধা আপনি ফেরত পাচ্ছেন যে কোন ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে তা খুবই গুরত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিপননের জন্য প্রায় সব ব্যবসায়ীরা যে সব কারনে ই-মেইল মার্কেটিং এ বিনিয়োগ করেন তার অন্যতম একটি কারন হল এর দারন রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট। ২০১১ সালে ‘ডাইরেক্ট মার্কেটিং এ্যাসোসিয়েশন ‘ চালানো এক জরিপে দেখা গেছে ই-মেইল মার্কেটিং এ প্রতি ১ ব্রিটিশ পাউন্ড বিনিয়োগ থেকে ৪৫ ব্রিটিশ পাউন্ড ফেরত আসে। খুবই আশাব্যঞ্জক তথ্য। এ ছাড়া আরো অনেক জরিপে ও দেখা গেছে এটি অন্য সব বিপণন উপায়ের তুলনায় ভাল। ই-মেইল মার্কেটিং আমাদের র্ট্যাডিশনাল সব মিডিয়ার তুলনায় ২০ গুন বেশি কষ্ট ইফেক্টিভ বা সাশ্রয়ী । শুধু কয়েক টাকা খরচ ব্যয় করেই আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন। আর বিদ্যমান ক্রেতা নতুন ক্রেতার তুলনায় অনেক বেশি লাভজনক (কাস্টমার রিটেনশান)। এক জরীপে দেখা গেছে বিদ্যমান ক্রেতার কাছে পণ্য বা সেবা বিক্রি ৬-১২ শতাংশ কম ব্যয়বহুল।

images (1)
১০. সার্বজনীন / বিশ্বব্যাপী
আর কোন বিপণন উপায়ের মাধ্যমে আপনি মুহূর্তের মধ্যে হাজারো লোকের মাজে আপনার কোন একটি বার্তা পাঠিয়ে দিতে পারবেন ? এর উত্তরে আপনি হয়ত সোশিয়াল মিডিয়ার কথা বলবেন। উত্তর আংশিক সঠিক। কিন্তু সোশিয়াল মিডিয়ার মাধ্যমে আপনি যে বার্তা অনেক লোকের মাজে পাঠাচ্ছেন তারা ঠিক কারা এটা কি আপনি জানতে পারছেন ? না পারছেন না। কিন্তু ই-মেইল মার্কেটিং এ আপনি আপনার বার্তা কাদেরকে পাঠাচ্ছেন , কারা আপনার বার্তা পাচ্ছেন তাদের স¤পর্কে আগে থেকেই জানতে পারছেন।
একটা সময় ছিল যখন ক্রেতারা বিক্রেতাদের কাছে গিয়ে পণ্য বা সেবা ক্রয় করতেন। এখন বিক্রেতারাই চলে যাচ্ছে ক্রেতাদের দ্বার প্রান্তে । ব্যবসায় জগতে এ পদ্ধতির সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়গুলোর একটি ই-মেইল মার্কেটিং।

তথ্য সুত্রঃ

১। https://www.shopify.com/blog/9196929-why-email-marketing-is-the-key-to-ecommerce-success

২। http://www.digitalmarketer.com/ecommerce-email-marketing/

৩। http://www.remarkety.com/ecommerce-email-marketing-best-practices

1,137 total views, 10 views today

Comments

comments