ই-কমার্সের গুরুত্বপূর্ণ ১১ টি কে.পি.আই.

2179
Print

(এই লেখাটি কিছুটা পরিবর্তিত ও সংক্ষেপিত রূপে মেঘদূত অ্যানালাইটিক্সের ব্লগ Smart Ways to Track E-commerce KPIs and Grow Your Business থেকে অনুবাদ করে প্রকাশ করা হয়েছে)

 

ই-কমার্স বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন ব্যাবসা। ওয়েব কিংবা সোশাল মিডিয়ায় (ফেসবুক/পিনটারেস্ট) পন্য প্রদর্শন করে অনলাইনে সেটি বিক্রি করা এবং গ্রাহকের বাসায় পৌঁছে দেয়ার যে বিজনেস মডেল সেটাই আমাদের কাছে ই-কমার্স নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১০০০ ওয়েব এবং ১০০০০ ফেসবুক পেজ ভিত্তিক ই-কমার্স স্টোর আছে।

একজন ই-কমার্স উদ্যোক্তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে তার স্টোরের প্রচার, বিক্রয়ের হিসাব রাখা, পন্য ডেলিভারি দেয়া এবং কাস্টোমার সাপোর্ট নিশ্চিত করা। আপনার ব্যবসাকে দীর্ঘ মেয়াদে সফল করার জন্য কেবল এই কাজগুলো করাই যথেষ্ট নয়, বরং কত ভালোভাবে এগুলো করা হচ্ছে সেটা পর্যবেক্ষন করাও জরুরি। ই-কমার্স পরিচালনা এবং এর বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাফল্য নির্ধারনের জন্য বেশ কিছু পরিমাপক আছে। এই পরিমাপক গুলোকেই বিজনেস টার্মে কে.পি.আই কিংবা Key Performance Indicator (KPI) হিসেবে অভিহিত করা হয়।

 

আজকের এই পোস্টে ই-কমার্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ১১ টি কে.পি.আই নিয়ে আমরা আলোচনা করবো।

১. সাইট ট্রাফিক (Website Traffic)

আপনার যদি নিজের একটি দোকান থাকতো, তাহলে সেখানে আসা আগ্রহী ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনার পন্য বিক্রয়ের সম্ভাবনাও বাড়তো। আপনার ই-কমার্স সাইট কিংবা ফেসবুক পেজে ভিজিটরের সংখ্যা একইভাবে আপনার সাইটের জনপ্রিয়তা নির্দেশ করে। একারনে আপনার সাইটের ট্রাফিক আপনি কত দ্রুত বাড়াতে পারছেন সেটা নিয়মিত পর্যবেক্ষন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।

কিভাবে ট্র্যাক করবেন:

আপনার ই-কমার্স যদি ওয়েবসাইট ভিত্তিক হয় তাহলে গুগল অ্যানালাইটিক্স ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য আপনাকে গুগল অ্যানালাইটিক্সের একটি ট্র্যাকিং কোড জেনারেট করতে হবে। ট্র্যাকিং কোড জেনারেট করার জন্য এই পেজের (https://support.google.com/analytics/answer/1008080?hl=en) নির্দেশনা অনুসরন করুন।

ই-কমার্স স্টোর হোস্ট করার জন্য আমরা অনেকেই বিভিন্ন সি.এম.এস. ব্যবহার করে থাকি। আপনি স্টোর যদি Magento, OpenCart কিংবা WooCommerce ভিত্তিক হয় তাহলে গুগল অ্যানালাইটিক্স ইনটেগ্রেট করার জন্য নিচের টিউটোরিয়াল গুলো অনুসরন করতে পারেন।

Magento: https://www.siteground.com/tutorials/magento/magento_google_analytics.htm

OpenCart: https://www.opencart.com/index.php?route=cms/blog/info&blog_id=149

WooCommerce (Use this plugin): https://wordpress.org/plugins/woocommerce-google-analytics-integration/#installation

আপনার ই-কমার্স যদি ফেসবুক পেজ ভিত্তিক হয়ে থাকে তাহলে আপনার পেজের ভিজিটর ট্র্যাক করার জন্য বিল্ট-ইন ইনসাইটস ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেন। ফিচারটি ব্যবহার করার জন্য পেজের উপরের মেনু বার থেকে Insights সিলেক্ট করুন। সেখানে Overview ট্যাব থেকে Reach অথবা Page Views অপশনটি থেকে আপনি গত এক সপ্তাহ বা মাসে আপনার পেজটি কতজন ভিজিট করেছে এবং তার আগের সপ্তাহ বা মাস থেকে সেটি কত বেশি তা সম্পর্কে ধারনা পাবেন।

২. নতুন বনাম ফিরতি ভিজিটর (New vs Returning Visitor)

যারা প্রথমবারের মত আপনার ই-কমার্স শপটি ভিজিট করতে এসেছেন তারা হচ্ছেন নতুন ভিজিটর। একের অধিকবার যারা এসেছেন তারা ফিরতি বা রিটার্নিং ভিজিটর। রিটার্নিং ভিজিটরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া মানে আপনার শপটি ক্রেতাদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য শপিং এর জায়গা হিসেবে স্থান করে নিচ্ছে।

screenshot-docs-google-com-2017-04-11-03-36-11

কিভাবে ট্র্যাক করবেন:

গুগল অ্যানালাইটিক্সে অডিয়েন্স সেকশনের ওভারভিউ অংশে আপনি নতুন বনাম ফিরতি ভিজিটরের অনুপাত দেখতে পাবেন। ফেসবুক পেইজ আপনাকে এই তথ্যটি প্রদর্শন করেনা।

৩. অরগানিক বনাম পেইড ভিজিটর (Organic vs Paid Visitor)

অরগানিক ভিজিটর বলতে আমরা বুঝি যারা নিজেরা সার্চ করে অথবা অন্য কারও কাছে শুনে আপনার সাইট বা পেজে কিছু কেনার জন্য এসেছেন। আর পেইড ভিজিটর হচ্ছে তারাই যারা গুগল, ফেসবুক কিংবা অন্য কোথাও আপনার সাইট, পেজ অথবা ক্যামপেইনের অ্যাড এ ক্লিক করে আপনার সার্ভিস টি খুঁজে পেয়েছেন। অরগানিক ভিজিটরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকা মানে আপনার ই-কমার্স শপটি পরিচিতি এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।

কিভাবে ট্র্যাক করবেন:

আপনি যদি ফেসবুকে আপনার পেজ বা প্রোডাক্টের প্রমোশন করে থাকেন তাহলে পেজ ইনসাইটস এর প্রতিটি সেকশনেই অরগানিক এবং পেইড ভিজিটরের পরিসংখ্যান পৃথক ভাবে দেখতে পারবেন। আর আপনি যদি গুগল অ্যাডওয়ার্ডস ব্যবহার করেন তাহলে পেইড এবং অরগানিক সার্চ রেসাল্ট পৃথকভাবে দেখার জন্য পেজটিকে কনফিগার করতে পারেন এই টিউটোরিয়ালটি দেখে: https://support.google.com/adwords/answer/3097241?hl=en

৪. ক্যামপেইন রিচ, এনগেজমেন্ট ও কনভার্সন (Campaign Reach, Engagement and Conversion)

ই-কমার্স উদ্যোক্তারা প্রায় সকলেই ফেসবুকে তাদের পন্য বা কালেকশন শেয়ার করেন। অনেক সময় এই শেয়ার গুলোকে অর্থের বিনিময়ে বুস্ট করা হয়। ফেসবুক ছাড়াও গুগল, ইউটিউব, পিনটারেস্ট কিংবা অন্য মাধ্যমেও অনেকে প্রমোশনাল ক্যামপেইন পরিচালনা করে থাকেন। রিচ (Reach), এনগেজমেন্ট (Engagement) এবং কনভার্শন (Conversion) হচ্ছে ক্যামপেইনের সাফল্য পরিমাপ করার তিনটি নির্দেশক।

রিচ হচ্ছে আপনার ক্যামপেইনটি কতজন দেখতে পেয়েছেন। যেমন ফেসবুক পেইজের ক্ষেত্রে কতজনের টাইমলাইনে এটি দৃশ্যমান হয়েছে। এনগেজমেন্ট হচ্ছে কতজন এই ক্যামপেইনটি শেয়ার করেছেন, লাইক দিয়েছেন কিংবা কমেন্ট করেছেন। আর কনভার্সন হচ্ছে ক্যামপেইনটিতে ক্লিক করে কতজন আপনার সাইটে গিয়েছেন কিংবা পন্যটি ক্রয় করেছেন।

screenshot-docs-google-com-2017-04-11-03-39-05

কিভাবে ট্র্যাক করবেন:

ফেসবুক পেইজের ক্ষেত্রে Insights > Posts এ গিয়ে আপনি আপনার সকল পোস্টের রিচ এবং এনগেজমেন্ট ট্র্যাক করতে পারবেন। গুগল অ্যানালাইটিক্সের ক্ষেত্রে Acquisition > Campaigns সেকশন থেকে আপনার বিভিন্ন ক্যামপেইনের স্ট্যাটিসটিক্স দেখতে পারবেন।

৫. ক্রেতা অধিগ্রহণ খরচ (Customer Acquisition Cost)

এটি একটি মার্কেটিং কে.পি.আই. যেটি নির্দেশ করে একজন নতুন ক্রেতা পাওয়ার জন্য আপনার কত টাকা খরচ করতে হচ্ছে। ক্রেতা অধিগ্রহন খরচকে সংক্ষেপে CAC হিসেবে অভিহিত করা হয়।

কিভাবে ট্র্যাক করবেন:

CAC গণনা করার জন্য সবচেয়ে সহজ সূত্র হচ্ছে আপনার মার্কেটিং খরচকে নতুন কাস্টোমারদের কাছ থেকে যে পরিমান অর্ডার পেয়েছেন সেটা দিয়ে ভাগ করা। যেমন: এই মাসে আপনি যদি ১০০০০ টাকা মার্কেটিং (অনলাইন অ্যাড, পোস্ট বুস্টিং) এর জন্য খরচ করেন এবং নতুন কাস্টোমারদের কাছ থেকে ৪০ টি অর্ডার পেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ই-কমার্সের CAC ১০০০০/৪০ = ২৫০ টাকা। অর্থাৎ নতুন কাস্টোমারদের কাছ থেকে একটি অর্ডার পাওয়ার জন্য গড়ে আপনাকে ২৫০ টাকা খরচ করতে হয়।

৬. অ্যাভারেজ বাস্কেট/কার্ট সাইজ (Average Cart Size)

অ্যাভারেজ বা গড় বাস্কেট সাইজ বলতে বুঝানো হয় একটি অর্ডারে ক্রেতা গড়ে কত টাকার পন্য অর্ডার করেন। আপনি কি ধরনের পন্য বিক্রয় করছেন সেটার উপর ভিত্তি করে বাস্কেট সাইজ বিভিন্ন হতে পারে। যেমন: নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির চেয়ে পোশাক এবং ফ্যাশন আইটেমের বাস্কেট সাইজ সাধারনত বেশি। আবার ইলেকট্রনিক্স আইটেমের বাস্কেট সাইজ ফ্যাশন আইটেমের চাইতেও বেশি। কিন্তু ক্রেতারা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সাধারনত প্রতি সপ্তাহে, পোশাক প্রতি ১/২ মাসে আর ইলেকট্রনিক্স হয়ত বছরে ১/২ বার কিনে থাকেন।

কিভাবে ট্র্যাক করবেন:

কোন মাসে আপনার মোট বিক্রয়ের পরিমানকে অর্ডারের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে অ্যাভারেজ বাস্কেট সাইজ পাওয়া যাবে।

৭. বিভাগ এবং এলাকা ভিত্তিক অর্ডার (Category and Area wise Order)

ই-কমার্স উদ্যোক্তারা সাধারনত তাদের পন্যকে বিভিন্ন কালেকশন বা ক্যাটেগরিতে ভাগ করে রাখেন। এছাড়া ডেলিভারি প্রদানের জন্য ক্রেতারা কোথা থেকে (কোন এলাকা বা জেলা) পন্যটি অর্ডার করছেন সেটার ট্র্যাক রাখেন। নিয়মিত ভিত্তিতে কোন ক্যাটেগরিতে অর্ডার বেশি পড়ছে বা কোন এলাকা থেকে বেশি অর্ডার আসছে সেটি ট্র্যাক করা অত্যন্ত জরুরি। কেননা এ থেকে মার্কেটিং ক্যাম্পেইন গুলো কিভাবে তৈরি করা যায় অথবা কোন ধরনের পন্য স্টকে বেশি রাখা প্রয়োজন তা বুঝতে পারা সহজ হয়।

৮. চার্ন রেট (Churn Rate)

চার্ন রেট বলতে বুঝায় কাস্টোমাররা কি হারে আপনার স্টোরে শপিং করা কমিয়ে দিচ্ছে। চার্ন রেট বেশি হওয়া যেকোন স্টোর বা সার্ভিসের জন্যেই খারাপ। এর অর্থ ক্রেতারা আপনার স্টোরের উপর ভরসা হারাচ্ছে এবং অন্য কোথাও শপিং করছে। আপনার চার্ন রেট যদি বেশি হয় আপনার উচিৎ যেসব ক্রেতা গত কয়েক মাসের মধ্যে আপনার শপে আসেন নি তাদের সাথে যোগাযোগ করা এবং আপনার সার্ভিসের রিভিউ জানতে চাওয়া।

৯. কাস্টোমার লাইফটাইম ভ্যালু (Customer Lifetime Value)

কাস্টোমার লাইফটাইম ভ্যালু বা সংক্ষেপে CLV ই-কমার্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কে.পি.আই গুলোর একটি। CLV বলতে বুঝায় আপনার ক্রেতাদের কাছ থেকে গড়ে আপনি কত রেভিনিউ অর্জন করতে পারেন। আপনার স্টোরের CLV যদি পজিটিভ হয় কেবল তাহলেই আপনি একটি লাভজনক ব্যবসা করতে পারবেন।

কিভাবে ট্র্যাক করবেন:

CLV গণনা করার জন্য এই সূত্রটি ব্যবহার করতে পারেন:

(মাসিক লাভ/ক্রেতার সংখ্যা) x (ক্রেতারা গড়ে কত মাস আপনার সাইটে শপ করছেন) – CAC (ক্রেতা অধিগ্রহন খরচ)

১০. সরবরাহকৃত বনাম বাতিল অর্ডার (Delivered vs Returned Order)

ই-কমার্স সাইটে যেই অর্ডারগুলো করা হয় তার মাঝে অনেক সময়েই ফেক অর্ডার থাকে। আবার কিছু কিছু পন্য ডেলিভারির সময়ে ক্রেতারা গ্রহন করেন না কিংবা পরবর্তীতে ফেরত পাঠান। আপনি সফলভাবে কতটি পন্য ডেলিভারি করতে পেরেছেন এবং কতগুলো ফেরত এসেছে বা বাতিল হয়েছে সেটি ট্র্যাক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বাতিল অর্ডারের সংখ্যা বেশি হওয়ার মানে আপনি কোন কারনে ফেক অর্ডারগুলো ঠিকভাবে সনাক্ত করতে পারছেন না অথবা আপনার পন্য ক্রেতাকে সন্তুষ্ট করতে পারছে না।

১১. গড় ডেলিভারি সময় (Average Delivery Time)

বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা সাধারনত কুরিয়ার সার্ভিস, ই-কমার্স ডেলিভারি সার্ভিস কিংবা নিজেদের ডেলিভারি টিমের মাধ্যমে পন্য ডেলিভারি দিয়ে থাকেন। প্রত্যেকটি অর্ডার ক্রেতার দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে গড়ে আপনার কত সময় লাগছে সেটাই গড় ডেলিভারি সময়। সাধারণত পন্য যত কম সময়ে ডেলিভারি করা যায় ক্রেতার সন্তুষ্টির পরিমান তত ভালো হয় এবং ক্রেতারা আপনার সাইট থেকে তত বেশি পন্য অর্ডার করেন।  উদাহরনস্বরূপ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স Amazon, Prime নামে একটি সার্ভিস প্রোভাইড করে যার মাধ্যমে ক্রেতারা বিভাগ ভেদে একই দিনে বা ১-২ দিনের মধ্যে পন্য ডেলিভারি পেতে পারেন। দেখা গিয়েছে যে, যারা Prime সার্ভিসটি ব্যবহার করেন তারা বছরে গড়ে ১৫০০ ডলারের পন্য ক্রয় করে থাকেন, আর যারা করেন না তারা ক্রয় করেন মাত্র ৬২৫ ডলারের পন্য।

 

আপনি যদি আপনার ই-কমার্সকে বড় করতে চান এবং দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চান তাহলে এর বিভিন্ন KPI গুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা এবং সেই অনুযায়ী আপনার পন্য নির্বাচন, সেলস, মার্কেটিং এবং কাস্টোমার সার্ভিস স্ট্রাটেজি ঠিক করার কোন বিকল্প নেই। ই-কমার্সের KPI গুলো সম্পর্কে আরও অনেক টিউটোরিয়াল ইন্টারনেটে সহজেই পাওয়া যায়। সুতরাং অাজকে থেকেই নিয়মিত ভাবে এই ইনডিকেটরগুলো ট্র্যাক করা শুরু করুন এবং স্মার্ট ভাবে ব্যাবসা করুন।

লেখকঃ
Wasik Mursalin
CEO, Meghdut Analytics

Comments

comments

About The Author



Wasik Mursalin is the founder and CEO of Meghdut Analytics, first startup in Bangladesh who are working on business analytics. Wasik is a Computer Engineer by trade and passion and his vision is to unlock big data and analytics related technologies to businesses of Bangladesh.

No Comments

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *