অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি ও এর আদ্যপান্ত। (পার্ট-2)

573
affiliate marketing 2

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি ও এর আদ্যপান্ত।এর দ্বিতীয় পর্বে স্বাগতম। যারা আগের পর্ব মিস করেছেন তারা নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে পড়ে নিন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি ও এর আদ্যপান্ত। (পার্ট-১)

বর্তমান  বিশ্বে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তার কিছু উল্লেখযোগ্য কারন :

  • যেকেউ চাইলেই কিছু নিয়ম মেনেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারে।
  • কিছু স্কিল থাকলে,যেকেউই চাইলেই এই কাজ শুরু করতে পারেন।
  • তুলনামূলক ভাবে খুব সহজেই অল্প সময়ের মধ্যেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ শুরু করা যায়।
  • যেকেউ চাইলেই ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির যেকোনো পণ্য নিয়ে কাজ করতে পারে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

  • এই ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ করতে হলে কাউকেই কোন প্রকারের পণ্য তৈরি করতে হয়না। কারন একটি পণ্য তৈরি করতে হলে অনেক স্কিল এর প্রয়োজন হয়।
  • অনেক মূলধনের প্রয়োজন হয়।
  • কোন রকমের অফিসিয়াল জবনা।তাই যেকেউ চাইলেই বাসায় বসেই কাজ করতে পারেন।
  • অনেক কাজের ক্ষেত্রে যতক্ষণ কাজ বা প্রতিটি কাজ এর বিনিময়ে টাকা দেয়া হয়।কিন্তু অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে একটা সময় পরে কাজ না করেও ইনকাম করা সম্ভব।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে তুলনা মূলক ভাবে অনেক ভাল ইনকাম করা সম্ভব।

কেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং  করবেন ?

  1. বাংলাদেশে হঠাৎ করেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের চাহিদা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের পরবর্তী গন্তব্য হতে চলেছে এই মার্কেটিং পলিসি।সেখানে অংশগ্রহণ করার জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করেছে অংশগ্রহণকারীরা।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে প্রথমত আপনি কারো বা কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা প্রমোট করবেন। এখন কোনো ভিজিটর যদি আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে ঐ পণ্য বা সেবা কিনে থাকেন, তাহলে আপনি একটি নিদ্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন। আপনি যার পণ্য বিক্রি করছেন তিনি আপনাকে পেপাল অথবা অন্য কোনো পেয়িং মেথডের মাধ্যমে আপনার কমিশন পরিশোধ করবেন।
  2. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মডেল সব গুলো একই। অফারগুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়। কেউ কেউ বিক্রি হলেই কমিশন দেয়, কেউ ফরম পূরণ করলে দেয়। কারও কারও ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট, কারও ডিজিটাল প্রোডাক্ট। আমাজনে প্রচুর পরিমাণ প্রোডাক্ট আছে। ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল। বলা যাবে না আমাজন সবচেয়ে এগিয়ে। বাংলাদেশে আমাজনের জনপ্রিয়তার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। অ্যাফিলিয়েট পেমেন্ট পাওয়া যায় পেনিয়রের ইউএসই পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এছাড়া সাইট তৈরি করে এসইও-এর মাধ্যমে সাইটের ট্রাফিক তৈরি করা যায়। এসইও করে যে ভিজিটর আনা যায় তার জন্য অর্থ দিতে হয় না। এসইও ছাড়াও সোস্যাল মিডিয়া থেকেও অর্গানিক ট্রাফিক তৈরি সম্ভব। সাইটের পারফরমেন্স ভালো না হলে ঠিক করে নেয়ার সুযোগ থাকে।
  3. যে সব ইনকাম করতে হলে আমাকে কাজের সাথে সর্বদা যুক্ত থাকতে হয় এমন সব ইনকাম হচ্ছে একটিভ ইনকাম। যেমনঃ চাকরী করা, অফিস-আদালতে কাজ করা, ফ্রিলান্সিং করা, দৈহিক পরিশ্রমের কাজ করা ইত্যাদি সকল কাজ হচ্ছে একটিভ ইনকাম। একটিভ ইনকাম না এমন সকল ইনকামই প্যাসিভ ইনকাম। অর্থাৎ যে সকল ইনকাম করতে হলে আমাকে কাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকতে হবে না সেটাই হচ্ছে প্যাসিভ ইনকাম। যেমনঃ বাড়ি ভাড়া দেওয়া, গাড়ী ভাড়া দেওয়া ইত্যাদি ধাচের কাজগুলোই মূলত প্যাসিভ ইনকাম।
  4. বর্তমানে যত প্যাসিভ ইনকামের মাধ্যম আছে তার মধ্যে সবচেয়ে কম মুলধন বিনিয়োগ করে আয় করার মত মডেল হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

তাহলে আপনি কেন নয় ???

Comments

comments

No Comments

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *